BREAKING NEWS

২৮ আষাঢ়  ১৪২৭  মঙ্গলবার ১৪ জুলাই ২০২০ 

Advertisement

চিটফান্ড তদন্তে নজরদারির আবেদন খারিজ সুপ্রিম কোর্টের

Published by: Sucheta Sengupta |    Posted: February 11, 2019 12:36 pm|    Updated: February 11, 2019 12:36 pm

An Images

ফাইল ফটো

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: চিটফান্ড তদন্তে কোনও রকম নজরদারি চালানো হবে না। এই সংক্রান্ত এক আবেদন খারিজ করে জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। সুপ্রিম কোর্টের নজরদারিতে চলুক চিটফান্ড কেলেঙ্কারির তদন্ত। এই আবেদন জানিয়ে শীর্ষ আদালতে মামলা দায়ের করেন একদল আমানতকারী। সেই শুনানিতে এদিন শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ এবং বিচারপতি সঞ্জীব খান্না স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, সারদা, রোজভ্যালির মতো বেআইনি অর্থলগ্নিকারী সংস্থার আর্থিক কেলেঙ্কারি তদন্তে কোনওভাবেই নজরদারি করা হবে না। যে সংস্থার কাঁধে এই তদন্তভার, সেই সংস্থার উপরেই সম্পূর্ণ আস্থা রাখতে হবে।

২০১৩ সালে শীর্ষ আদালতের রায়েই এই চিটফান্ড কেলেঙ্কারির তদন্তভার নেয় সিবিআই। তদন্ত চালাকালীন সিবিআইয়ের স্বচ্ছতা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন ওঠায় আবেদন করা হয়, সুপ্রিম কোর্টের নজরদারিতে তদন্ত হলে তাতে নিরপেক্ষতা বজায় থাকবে। এই আবেদন খতিয়ে দেখে এদিন বিচারপতিরা জানান, ‘সুপ্রিম কোর্ট কোনও নজরদারি কমিটি তৈরি করে দেওয়ার কথা বলেনি, যে কমিটি তদন্তের গতিপ্রকৃতির ওপর নজরদারি চালাবে।’ এই পর্যবেক্ষণের পর মামলাটি খারিজ হয়ে যায়। এমনিতেই সারদা সহ অন্যান্য চিটফান্ড কেলেঙ্কারির তদন্তে সিবিআইয়ের তৎপরতা ইদানিং চোখে পড়ার মতো। কলকাতা পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমারের বাড়িতে সিবিআই আধিকারিকদের আচমকা আগমন ইতিমধ্যেই যথেষ্ট তোলপাড় ফেলেছে রাজনৈতিক মহলে। এই মুহূর্তে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশেই সারদা কেলেঙ্কারিতে শিলংয়ে সিবিআইয়ের মুখোমুখি রাজীব কুমার। একইসঙ্গে শিলংয়ে তলব করা হয়েছে চিটফান্ড কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত হিসেবে নাম উঠে আসা কয়েকজন হেভিওয়েটকেও।

হাইপ্রোফাইল সারদা কেলেঙ্কারি ছাড়াও লোকসভা নির্বাচনের আগে অন্যান্য ছোটখাটো বেআইনি অর্থলগ্নি সংস্থার আর্থিক তছরূপের তদন্ত গুটিয়ে আনতে চাইছে সিবিআই। ফলে গতি বেড়েছে তদন্ত প্রক্রিয়ার।এই পরিস্থিতিতে শীর্ষ আদালতের আজকের পর্যবেক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল। তদন্ত প্রক্রিয়ায় নজরদারিতে ‘না’ করে সুপ্রিম কোর্ট আসলে সিবিআইয়ের স্বশাসন এবং কার্যপদ্ধতির ওপরেই ভরসা রাখল বলে মনে করা হচ্ছে।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement