বাংলায় খাদ্যবণ্টন ব্যবস্থায় গ্রাহকদের তথ্য সুরক্ষিত রাখতে এবং জালিয়াতি রুখতে উচ্চপ্রযুক্তিসম্পন্ন একটি পোর্টাল তৈরি করেছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার। পরে সেই পোর্টালের সুরক্ষায় আরও উচ্চপ্রযুক্তি প্রয়োগ করা হয়। কিন্তু এবার দেশজুড়ে স্মার্ট রেশন সিস্টেম চালু করে মমতা সরকারের তৈরি ওই পোর্টালটি বাতিল করে দিল কেন্দ্র। এবার থেকে আর রাজ্যওয়াড়ি আলাদা পোর্টাল নয়। গোটা খাদ্যবণ্টন ব্যবস্থার যাবতীয় তথ্য এবার থাকবে পুরোপুরি কেন্দ্রের হাতে। নতুন কেন্দ্রীয় পোর্টালটি এমনভাবে তৈরি হয়েছে যা নিয়ন্ত্রিত হবে সেন্ট্রাল সার্ভার থেকে। রাজ্য সরকারের কেউ আর এই পোর্টালে লগইন করতে পারবেন না। গ্রাহকদের তথ্য সম্পূর্ণ সুরক্ষার স্বার্থে এই ব্যবস্থা চালু হয়েছে চলতি মাস থেকেই।
এবার আর রাজ্যগুলিতে ভিন্ন ভিন্ন পোর্টাল নয়, দেশজুড়ে খাদ্যবণ্টন ব্যবস্থায় চালু হল একটিই কেন্দ্রীয় পোর্টাল। এটি পাসওয়ার্ড দিয়ে সুরক্ষিত। সবটাই নিয়ন্ত্রণ করা হবে খাদ্য ও গণবণ্টন মন্ত্রকের তরফে। উচ্চপ্রযুক্তি দ্বারা তৈরি এই পোর্টাল একমাত্র মন্ত্রকের কর্মী, আধিকারিক ছাড়া আর কেউ লগইন করতে পারবেন না। এর ফলে রাজ্যগুলিতে আর রেশন ব্যবস্থার খুঁটিনাটি তথ্য রাখতে আলাদা কোনও পোর্টাল থাকছে না। সবই কেন্দ্রীয় পোর্টালের সঙ্গে মিশে যাবে।
আরও পড়ুন:
এতদিন প্রতিটি রাজ্যের খাদ্যদপ্তরের আলাদা পোর্টাল ছিল। রেশন বণ্টন ব্যবস্থায় ডেটা ব্যাঙ্ক সংক্রান্ত নিরাপত্তার পদ্ধতিও ছিল ভিন্ন ভিন্ন। পরে রেশন তোলার ক্ষেত্রে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি চালু হওয়ায় অভিযোগ ওঠে, বায়োমেট্রিকের মাধ্যমে আসলে গ্রাহকদের ব্যক্তিগত তথ্য হাতানোর পরিকল্পনা করছে সরকার। গ্রাহকদের এই আশঙ্কা কাটাতে এ রাজ্যের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে খাদ্যদপ্তর আরও সুরক্ষিত একটি পোর্টাল তৈরি করে। সেসময় খাদ্যমন্ত্রী ছিলেন রথীন ঘোষ। তিনি আশ্বস্ত করেন, নতুন তৈরি পোর্টালটি এতটাই প্রযুক্তিগতভাবে সুরক্ষিত যে কোনওভাবেই কোনও গ্রাহকের ব্যক্তিগত তথ্য বাইরে আসবে না।
এবার আর রাজ্যগুলিতে ভিন্ন ভিন্ন পোর্টাল নয়, দেশজুড়ে খাদ্যবণ্টন ব্যবস্থায় চালু হল একটিই কেন্দ্রীয় পোর্টাল। এটি পাসওয়ার্ড দিয়ে সুরক্ষিত। সবটাই নিয়ন্ত্রণ করা হবে খাদ্য ও গণবণ্টন মন্ত্রকের তরফে। উচ্চপ্রযুক্তি দ্বারা তৈরি এই পোর্টাল একমাত্র মন্ত্রকের কর্মী, আধিকারিক ছাড়া আর কেউ লগইন করতে পারবেন না। এর ফলে রাজ্যগুলিতে আর রেশন ব্যবস্থার খুঁটিনাটি তথ্য রাখতে আলাদা কোনও পোর্টাল থাকছে না। সবই কেন্দ্রীয় পোর্টালের সঙ্গে মিশে যাবে।
এই পদ্ধতিতে আরও একটি সুবিধা পাওয়া যাবে। বিভিন্ন রেশন দোকান থেকে কোথায় কত খাদ্যসামগ্রী সরবরাহ করা হচ্ছে এবং কতটা ফেরত আসছে, তার যাবতীয় তথ্য থাকবে পোর্টালে। কোনও গ্রাহক সঠিক পরিমাণ রেশন সামগ্রী না পেলে তা অনায়াসে ধরা পড়ে যাবে এই পোর্টালের তথ্য বিশ্লেষণ করে। ফলে জালিয়াতি হলে তা সহজেই চিহ্নিত করা সম্ভব হবে বলে মনে করা হচ্ছে। আর সেটাই লক্ষ্য কেন্দ্রীয় সরকারের। চলতি মাস থেকেই রেশন ব্যবস্থায় এই পদ্ধতি চালু হয়েছে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
যাদবপুরের প্রাক্তন বিধায়ক-কাউন্সিলরের বাড়ি ভাঙচুর-লুঠ দুষ্কৃতীদের, তৃণমূলের ৪ পার্টি অফিসে তালা!
-
হাওড়ায় পুরভোটের দামামা! পুনর্বিন্যাস আসন বেড়ে ৬৮, মহিলা ওয়ার্ড কয়টি?
-
বিজেপি হিংসায় নেই বলেই পোড়েনি পার্টি অফিস, তৃণমূলকে কটাক্ষ সুকান্তর
-
ডবল ইঞ্জিনের বঙ্গে এবার প্রবাসী ভারতীয়দের সম্মেলন, বিপুল বিনিয়োগের সম্ভাবনা
-
আচমকা অসুস্থ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, পর পর বাতিল কর্মসূচি, এখন কেমন আছেন?