Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
সিবিআই

সিবিআইয়ের সব প্রশ্নের ঘুরিয়ে উত্তর চিদম্বরমের, পাঁচদিনের হেফাজত মঞ্জুর

সকালে ৩ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর আদালতে পেশ করা হয় প্রাক্তন অর্থমন্ত্রীকে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২২, ২০১৯, ১৯:২৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২২, ২০১৯, ১৯:২৩

options
link
সিবিআইয়ের সব প্রশ্নের ঘুরিয়ে উত্তর চিদম্বরমের, পাঁচদিনের হেফাজত মঞ্জুর zoom
ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী পি চিদম্বরমকে পাঁচদিনের সিবিআই হেফাজতে পাঠাল সিবিআইয়ের বিশেষ আদালত। সকাল থেকে ৩ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর, আজ বিকেল তিনটে নাগাদ প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে আদালতে পেশ করা হয়। প্রাক্তন অর্থমন্ত্রীকে ৫ দিনের হেফাজতে চেয়েছিল সিবিআই। সিবিআইয়ের দাবি মেনে, তাঁকে পাঁচদিন হেফাজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদের সুযোগ দিল বিশেষ আদালত। অর্থাৎ আগামী ২৬ আগস্ট পর্যন্ত সিবিআইয়ের লক আপেই থাকবেন প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী। এবার দফায় দফায় জেরা করা হবে তাঁকে। এবং পাঁচদিন পর ফের তাঁকে বিশেষ আলাদতে পেশ করা হবে। 

[আরও পড়ুন: চিদম্বরমের পর রাজ ঠাকরে! আর্থিক দুর্নীতির মামলায় জেরা শুরু ইডির]

আদালতে সিবিআইয়ের হয়ে সওয়াল করেন সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা। তিনি বলেন, তদন্তে অসহযোগিতা করেছেন চিদম্বরম। মামলার গুরুত্ব বুঝে তাঁকে এখনই ছাড়া যাবে না। হেফাজতে নিলে সদর্থক তদন্ত হবে। সলিসিটর জেনারেল জানিয়েছেন, গত আগস্টে চিদম্বরমকে এই মামলা সম্পর্কিত সমস্ত নথি পেশ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, তিনি তখন কিছু জমা দেননি। শুধু তাই নয়, গতকাল থেকে যখন তাঁকে জেরা করা হচ্ছিল, তখনও তিনি সব প্রশ্নের উত্তর ঘুরিয়ে দিয়েছেন। নীরব না থাকলেও কোনও প্রশ্নের সহজ উত্তর দেননি তিনি। কংগ্রেসের অভিযোগ ছিল, কোনওরকম গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছাড়াই চিদম্বরমকে গ্রেপ্তার করেছে। সেই অভিযোগের পালটা সলিসিটর জেনারেল জানিয়ে দেন, গ্রেপ্তার করার আগে প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছিল।

Advertisement

অন্যদিকে, চিদম্বরমের হয়ে সওয়াল করেছেন কংগ্রেস নেতা কপিল সিব্বল। তিনি বলেন, এই মামলায় অন্য সমস্ত অভিযুক্তরা জামিনে খালাস পেয়েছেন। ইন্দ্রাণী মুখোপাধ্যায়, পিটার মুখোপাধ্যায়, কার্তি চিদম্বরম সকলেই জামিন পেয়েছেন। সিবিআই তাদের জামিনের বিরোধিতা করেনি। এক্ষেত্রে বিরোধিতা কেন? তাছাড়া এখনও চিদম্বরমের বিরুদ্ধে এখনও কোনও চার্জশিটও পেশ করেনি সিবিআই। অন্য সব অভিযুক্তের বিরুদ্ধে চার্জশিট থাকা সত্ত্বেও তাদের জামিন কেন দেওয়া হয়েছে। সিবিআই যা বলছে সব ধ্রুবসত্য নয়। তদন্তে অসহযোগিতার অভিযোগও সত্য নয়। একবারই তাঁকে ডাকা হয়েছে, তিনি হাজিরাও দিয়েছেন। যদি শুধু বয়ানই রেকর্ড করানোর হয়, তাহলে গ্রেপ্তার করার কোনও দরকার নেই। আদালতে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ পান। তিনি বলেন, আমাকে যা প্রশ্ন করা হয়েছে, সেই সব প্রশ্নের উত্তর দিয়েছি। টাকা-পয়সা নিয়ে কোনও প্রশ্ন করা হয়নি। আমার বিদেশে কোনও অ্যাকাউন্ট নেই। কার্তির বিদেশে অ্যাকাউন্ট আছে। সেটা রিজার্ভ ব্যাংকের অনুমতি নিয়েই তৈরি। সিবিআইয়ের উত্তরপত্র দেখুন, সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দিয়েছি।

[আরও পড়ুন: জেলবন্দি ইন্দ্রাণীর তথ্যেই প্যাঁচে প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী চিদম্বরম!]

সিব্বলের এই সওয়ালের পালটা সলিসিটর জেনারেল বলেন, “আমরা চূড়ান্ত চার্জশিট পেশের এক্কেবারে কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছি। ওঁকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন আছে।” সিবিআইয়ের সেই দাবি মেনে নিয়েই আদালত চিদম্বরমকে হেফাজতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়। আদালত জানায়, সিবিআই হেফাজতে থাকাকালীন প্রতিদিন তিরিশ মিনিটের জন্য পরিবার ও আইনজীবীর সঙ্গে দেখা করতে পারবেন প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.