সুপ্রিম কোর্টে স্বস্তি ১৭ হাজার শিক্ষকের (26000 Recruitment Case)। আগামী বছরের ৩১ মে পর্যন্ত বহাল থাকছে ‘যোগ্য’ শিক্ষকদের চাকরি। যোগ্য শিক্ষকদের চাকরি বহাল রাখতে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় রাজ্য সরকার এবং স্কুল সার্ভিস কমিশন। যোগ্য শিক্ষকদের তরফেও এই সংক্রান্ত একটি আবেদন জানানো হয়। আজ, সোমবার সুপ্রিম কোর্টে এই মামলার শুনানি হয়। শুনানিতে আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, ৩১ মে, ২০২৭ এর মধ্যে গোটা নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে রাজ্য সরকারকে। ফলত আগামী কয়েকটা মাস কাজ চালিয়ে যেতে পারবেন যোগ্য এই শিক্ষকরা।
পড়ুয়াদের কথা ভেবে প্রথমে ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত যোগ্যদের শিক্ষকতার ক্ষেত্রে ছাড়পত্র দেওয়া হয়। তবে ওই সময়ের মধ্যে নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করার নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। তবে ওই সময়ের মধ্যে নিয়োগ সম্পন্ন না হওয়ায় কাজের মেয়াদ বাড়িয়ে করা হয় ৩১ আগস্ট।
আরও পড়ুন:
তৃণমূল আমলে নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগে উত্তাল হয়ে উঠেছিল বাংলা। কলকাতা হাই কোর্ট থেকে সেই মামলার জল গড়ায় সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। দীর্ঘদিন মামলা চলার পর প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির অভিযোগে গতবছর এসএসসির ২০১৬ সালের গোটা প্যানেল বাতিল করে দেয় সুপ্রিম কোর্ট। চাকরি হারান ২৬ হাজার শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী। এরপর পড়ুয়াদের কথা ভেবে প্রথমে ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত যোগ্যদের শিক্ষকতার ক্ষেত্রে ছাড়পত্র দেওয়া হয়। তবে ওই সময়ের মধ্যে নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করার নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। তবে ওই সময়ের মধ্যে নিয়োগ সম্পন্ন না হওয়ায় কাজের মেয়াদ বাড়িয়ে করা হয় ৩১ আগস্ট। এই সময়ের মধ্যে নতুন করে ওই শূন্যপদে নিয়োগের নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল।
চাকরিহারা শিক্ষক সুমন বিশ্বাস বলেন, ”বিনাদোষে যেন কারও চাকরি না যায়। কাউকে যেন অনাহারে মরতে না হয়। আমরা সুপ্রিম কোর্টের কাছে আবেদন জানিয়েছিলাম এক্সটেনশনের। মহামান্য আদালত যে সময় দিয়েছে, তার জন্য কৃতজ্ঞ।”
এরমধ্যেই রাজ্যে পালাবদল ঘটে যায়। এই বিষয়ে ফের সময় চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় রাজ্য সরকার এবং এসএসসি। সময় চেয়ে মামলা দায়ের হয়। এদিন বিচারপতি সঞ্জয় কুমার এবং বিচারপতি সচিন সচদেবার বেঞ্চে মামলার শুনানি হয়। শুনানিতে সরকার এবং এসএসসির আবেদন মঞ্জুর করে সুপ্রিম কোর্ট। তবে এ-ও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, এটাই শেষ বার। এর পর আর কোনও অতিরিক্ত সময় দেওয়া হবে না রাজ্যকে। এই সময়সীমার মধ্যেই শেষ করতে হবে যাবতীয় নিয়োগ।
আইনজীবী সুদীপ্ত সেনগুপ্ত জানিয়েছেন, আমরা চাই সুপ্রিম কোর্ট যে সময়সীমা দিয়েছে তার মধ্যেই নতুন নিয়োগ সম্পূর্ণ হোক। যদি তা না হয়, তাহলে বুঝতে হবে এই সরকারও চায় না যারা যোগ্য, ফ্রেশার তাঁদের চাকরি হোক। অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গ সরকারে এবং এসএসসিকে ধন্যবাদ জানিয়ে চাকরিহারা শিক্ষক সুমন বিশ্বাস বলেন, ”বিনাদোষে যেন কারও চাকরি না যায়। কাউকে যেন অনাহারে মরতে না হয়। আমরা সুপ্রিম কোর্টের কাছে আবেদন জানিয়েছিলাম এক্সটেনশনের। মহামান্য আদালত যে সময় দিয়েছে, তার জন্য কৃতজ্ঞ।” তাঁর দাবি, রাজ্য সরকারের কাছেও আমরা আবেদন করব, যে কোনও মূল্যে যোগ্যদের চাকরি ফেরাতে হবে। বিনাদোষে শাস্তি যেন কেউ না পায়।
সর্বশেষ খবর
-
কিনেছে ভারত, ইরানের গুলিতে হরমুজে ধ্বংস সেই মার্কিন ড্রোন! দিল্লির চিন্তা বাড়াল ‘রিপার’
-
‘৭০ বছরে সবচেয়ে খারাপ’, ইংল্যান্ডের কাছে টেস্ট হেরে পাক বোর্ডকে তোপ প্রাক্তন ক্রিকেটারের
-
নিমেষে হবে অ্যাপ ট্রান্সফার! এবার ‘অটো পে’ নিয়মে আসতে চলছে বড় বদল, ব্যাপারটা ঠিক কী?
-
ফের কমিশনকে চিঠি মমতার, তৃণমূলের প্রতীক-তহবিল ইস্যুতে লিখলেন ‘তাড়াতাড়ি ফয়সালা করুন’
-
ব্যাটিং তাণ্ডবে দলীপে ৫৭ বছর পুরনো রেকর্ড ভাঙল বৈভব, অল্পের জন্য বাঁচল শচীনের নজির