Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Supreme Court divorce

সব ধর্মে বিবাহ-বিচ্ছেদে অভিন্ন বিধির দাবি, কেন্দ্রের অবস্থান জানতে চাইল সুপ্রিম কোর্ট

তিন তালাকের পর আরও একটি বড় সংস্কারের দাবি!

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৭, ২০২০, ১০:০৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৭, ২০২০, ১০:০৪

options
link
সব ধর্মে বিবাহ-বিচ্ছেদে অভিন্ন বিধির দাবি, কেন্দ্রের অবস্থান জানতে চাইল সুপ্রিম কোর্ট zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিবাহ বিচ্ছেদ (Divorce) ও খোরপোষের (Alimony) ক্ষেত্রে অভিন্ন নিয়ম চালু করা নিয়ে কেন্দ্রকে নোটিস দিল সুপ্রিম কোর্ট। এই সংক্রান্ত পিটিশন জমা পড়েছে শীর্ষ আদালত। তার পরিপ্রেক্ষিতেই কেন্দ্রকে অবস্থান স্পষ্ট করতে বলা হয়েছে। সংবাদসংস্থা সূত্রে খবর, বিজেপি (BJP) নেতা অশ্বিনী কুমার উপাধ্যায় দু’টি পৃথক জনস্বার্থ মামলা করেছেন শীর্ষ আদালতে। সেখানে তিনি বলেছেন, সমস্ত ধর্মে মহিলাদের সমান অধিকার দিতে হবে ও কোনও ধর্মীয় আচরণ যদি তাদের মৌলিক অধিকার খর্ব করে, তাহলে সেই আচরণকে আইনি সুরক্ষাকবচ দেওয়া দরকার। এদিন প্রধান বিচারপতি এস এ বোবড়ে, বিচারপতি এ এস বোপান্না এবং বিচারপতি ভি রামসুব্রহ্মণ‌্যমের বেঞ্চে মামলাটি ওঠে। বেঞ্চ জানিয়েছে, সতর্কতার সঙ্গে এই নোটিস জারি করা হয়েছে।

এদিন বেঞ্চ বলেছে, পিটিশনকারী তাঁদের এমন একটি দিকে নিয়ে যেতে চাইছে যা ব্যক্তিগত আইনের (পার্সোনাল ল) উপর হস্তক্ষেপ হতে পারে, এবং যা কিছু ব্যক্তিগত আইন সিদ্ধ তাকে নষ্ট করতে পারে। এদিন বিবাহ বিচ্ছেদের অভিন্ন নিয়মের জন্য সওয়াল করেন আইনজীবী পিঙ্কি আনন্দ। অন্যদিকে খোরপোষের অভিন্ন নিয়মের জন্য সওয়াল করেন আইনজীবী মীনাক্ষি আরোরা। পিটিশনে বলা হয়েছে, বিবাহ বিচ্ছেদের নিয়ম বিভিন্ন ধর্মের জন্য আলাদা ও আলাদা আলাদা লিঙ্গের ক্ষেত্রেও আলাদা। বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের জন্য হিন্দু, খ্রিস্টান ও পার্সিরা বিবাহ বিচ্ছেদ চাইতে পারে, কিন্তু মুসলিমরা (Muslims) পারে না। যৌন সংগমে অক্ষমতার কথা বলে হিন্দু ও খ্রিস্টানরা সম্পর্ক ছেদ করতে পারে, কিন্তু অন্য ধর্মে তেমনটা হয় না। এরকম বেশ কিছু উদাহরণের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: অযোধ্যার মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হতে পারে ২৬ জানুয়ারি, চূড়ান্ত ঘোষণা শীঘ্রই]

বেঞ্চ আবেদনকারীর আইনজীবীদের প্রশ্ন করে ব্যক্তিগত আইনের পরিধি অতিক্রম না করে কি এই সব বৈষম্য আদৌ দূর করা সম্ভব। তখন তিন তালাকের বিষয়টি উল্লেখ করেন আইনজীবীরা, যাকে এর আগে অসাংবিধানিক বলে ঘোষণা করেছে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। একই সঙ্গে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু করা নিয়ে সংসদকে শীর্ষ আদালত যে সুপারিশ করেছে, তারও উল্লেখ করা হয়। জবাবে বেঞ্চ বলেছে, মুসলিম পার্সোনাল ল’তেই তিন তালাকের (Triple Talaq) কোনও স্বীকৃতি পাওয়া যায়নি। তাই সে ক্ষেত্রের সঙ্গে এর তুলনা ঠিক নয়। শুনানির শেষে যদিও কেন্দ্রকে নোটিশ পাঠিয়েছে আদালত। যা বেশ তাৎপর্যপূর্ণ হতে পারে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.