Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Love Jihad

উত্তরপ্রদেশের লাভ জেহাদ বিরোধী আইন কি আদৌ বৈধ? খতিয়ে দেখবে সুপ্রিম কোর্ট

উত্তরপ্রদেশ ও উত্তরাখণ্ড সরকারকে নোটিস পাঠাল শীর্ষ আদালত।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৬, ২০২১, ১৫:৪০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৬, ২০২১, ১৫:৪০

options
link
উত্তরপ্রদেশের লাভ জেহাদ বিরোধী আইন কি আদৌ বৈধ? খতিয়ে দেখবে সুপ্রিম কোর্ট zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ধর্মান্তরিত করে বিয়ে রুখতে লাভ জেহাদ আইন এনেছে উত্তরপ্রদেশ, উত্তরাখণ্ড। আইনের বিরুদ্ধে সমালোচনায় সরব বিভিন্ন মহল। এবার সেই আইন নিয়ে উত্তরপ্রদেশে-উত্তরাখণ্ড ও কেন্দ্রকে নোটিস ধরাল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। এই আইনের বৈধতা খতিয়ে দেখবে শীর্ষ আদালত।

দুই রাজ্যের ধর্মান্তরবিরোধী আইনকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেছে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা সিটিজেন ফর জাস্টিস অ্যান্ড পিস। এই আইনের উপর স্থগিতাদেশ দেওয়ার আরজি জানিয়েছিল আইনজীবী তিস্তা সেলভেস্তা এবং বিশাল ঠাকরে। কিন্তু তাঁদের সেই আরজি খারিজ করে দেন প্রধান বিচারপতি এস এ বোবদে।  এখনই স্থগিতাদেশ জারি করছে না শীর্ষ আদালত। তবে দুই রাজ্য-সহ কেন্দ্রকে নোটিস পাঠাল সুপ্রিম কোর্ট। চার সপ্তাহের মধ্যে জবাব তলব করা হয়েছে।

Advertisement

[আরও পড়ুন : ফিরল নির্ভয়ার স্মৃতি! গণধর্ষিতার যৌনাঙ্গে রড ঢুকিয়ে খুন, যোগীরাজ্যে কাঠগড়ায় পুরোহিত]

পিটিশন দায়েরকারীদের অভিযোগ, উত্তরপ্রদেশ ও উত্তরাখণ্ডে পাস হওয়া এই আইন সমাজ ও সংবিধানের চরিত্র বদলে দিতে পারে। এমনকী, সমাজের এক শ্রেণির মানুষ এই আইনকে হাতিয়ার করে মিথ্যা অভিযোগে ফাঁসিয়ে দিতে পারে। তাই এই আইনের উপর স্থগিতাদেশ জারি করার আবেদন জানিয়েছেন তাঁরা। মধ্যপ্রদেশ, কর্ণাটক, হরিয়ানা ও অসমেও এই একই আইন আনা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তাঁরা। সুপ্রিম কোর্টের মতে হাই কোর্টে পিটিশন দায়ের করা উচিৎ ছিল।  জবাবে তাঁদের আইনজীবী জানান একাধিক রাজ্য এই আইন পাশ করিয়েছে, তাই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তাঁরা।

উল্লেখ্য, নভেম্বর মাসে উত্তরপ্রদেশে কার্যকর হয়েছে লাভ জেহাদ আইন। নতুন আইন অনুযায়ী সে রাজ্যে বিয়ের জন্য কোনও মহিলার ধর্মান্তকরণ করা হলে তা ‘অকার্যকর’ ঘোষিত হবে। পাশাপাশি, বিয়ের পরে ধর্ম বদলাতে চাইলে জেলাশাসকের কাছে আবেদন জানাতে হবে। কোনওরকম প্রতারণা, প্রলোভন দেখিয়ে অথবা জোর করে ধর্মান্তকরণ করালে অভিযুক্তের ৩ থেকে সর্বাধিক ১০ বছরের সাজা হতে পারে। দিতে হবে ২৫ হাজার টাকা জরিমানাও।

[আরও পড়ুন : ভারতীয় হিন্দু মেয়েকে জোর করে ধর্মান্তরিত করে বিয়ে! কাঠগড়ায় বাংলাদেশি নেতার ছেলে]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.