Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
সুপ্রিম কোর্ট

লকডাউনে বেতন সমস্যায় কর্মীরা, বেসরকারি সংস্থাগুলির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে না সুপ্রিম কোর্ট

স্বস্তির শ্বাস বেসরকারি সংস্থার নিয়োগকারীদের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১২, ২০২০, ১৪:১৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১২, ২০২০, ১৪:১৭

options
link
লকডাউনে বেতন সমস্যায় কর্মীরা, বেসরকারি সংস্থাগুলির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে না সুপ্রিম কোর্ট zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: লকডাউনের জেরে অর্থনৈতিক মন্দায় ভুগছে দেশ। ফলে কোপ পড়েছে বেশিরভাগ বেসরকারি কর্মীদের বেতনে। তবে বেসরকারি সংস্থার কর্মীদের বেতন না দিলে সেই বিষয়ে সংস্থাগুলির বিরুদ্ধে কোনও শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নিতে পারবে না সুপ্রিম কোর্ট! শুক্রবার একথা সাফ জানিয়ে দেয় দেশের শীর্ষ আদালত। তাতেই স্বস্তির শ্বাস বেসরকারি সংস্থার নিয়োগকারীদের।

লকডাউনের জেরে অনেক বেসরকারি সংস্থারই আয় কমেছে। ফলে কর্মীদের বেতন দিতে গিয়ে ভাঁড়ার শূন্য হচ্ছে মালিকপক্ষের। তাই অনেক ক্ষেত্রেই কর্মীদের বেতন অর্ধেক হয়েছে। এই দুঃসময়ে যে বেসরকারি সংস্থাগুলো কর্মীদের বেতন না দেওয়ায়, তাঁদের বিরুদ্ধে জুলাইয়ের শেষ পর্যন্ত কোনও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না। শুক্রবার শুনানি চলাকালীন সাফ জানায় সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)।

Advertisement

শীর্ষ আদালত বলেছে যে, প্রয়োজনে বেতন দেওয়ার বিষয়ে বিভিন্ন রাজ্যের কর্মচারী ও নিয়োগকারীদের মধ্যে আলোচনাও চালানো যেতে পারে। তারপর সেই আলোচনার বিষয়ে লেবার কমিশনারদের কাছে একটি রিপোর্ট জমা দিতে হবে। গত ২৯ শে মার্চ কেন্দ্রীয় সরকার একটি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানায় যে, লকডাউনের সময় কর্মচারীদের পুরো বেতন দেওয়া বাধ্যতামূলক। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক ওই বিজ্ঞপ্তিতে সকল নিয়োগকারীকে জানায় যে, লকডাউনের আবহেই সব বেসরকারি সংস্থাকে তার কর্মীদের কোনও কাটছাঁট করা ছাড়াই বেতন দিতে হবে। আজ ওই নির্দেশিকার বৈধতা নিয়েই প্রশ্ন তুললো আদালত।

[আরও পড়ুন:ভারতে ‘লোন উলফ’ হামলার ছক, বাংলাদেশি ধর্মগুরুদের সাহায্য নিচ্ছে আল কায়দা]

সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি অশোক ভূষণ, বিচারপতি সঞ্জয় কিষাণ এবং বিচারপতি এমআর শাহর ডিভিশন বেঞ্চ এই রায় দিতে গিয়ে শুক্রবার বলে, ” শিল্পক্ষেত্র ও শ্রমিক এরা একে অপরের পরিপূরক। সেই বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। এদের মধ্যে বেতন সংক্রান্ত যাবতীয় সমস্যা মেটানো প্রয়োজন।” তবে কেন্দ্রের জারি করা নির্দেশিকার বৈধতা নিয়ে জবাব দিতে সরকারকে আরও ৪ সপ্তাহ সময় দিল সুপ্রিম কোর্ট। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে জুলাই মাসে। ততদিন অনিশ্চিয়তার দোলাচলেই থাকবে বেসরকারি সংস্থার কর্মীদের ভাগ্য।

[আরও পড়ুন:ভারতের করোনা প্যাকেজ পাকিস্তানের জিডিপির সমান, ইমরানকে কটাক্ষ বিদেশমন্ত্রকের]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.