Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১৮ আগস্ট ২০২৬
rape

কোয়ারেন্টাইন সেন্টার থেকে পালিয়ে যুবতীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত দুই পরিযায়ী শ্রমিক-সহ ৬

বিষয়টির জেরে উত্তেজনা ছড়িয়েছে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৩, ২০২০, ১৮:৫৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৩, ২০২০, ১৮:৫৭

options
link
কোয়ারেন্টাইন সেন্টার থেকে পালিয়ে যুবতীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত দুই পরিযায়ী শ্রমিক-সহ ৬ zoom
ছবি: প্রতীকী।
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কোয়ারেন্টাইন সেন্টার থেকে পালিয়ে এক যুবতীকে ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠল দুই পরিযায়ী শ্রমিকের বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, নিজেরা ধর্ষণ করার পর ফোন করে চার বন্ধুকে ডেকে নিয়ে এসে ওই যুবতীকে ধর্ষণও করায় তারা। পাশবিক এই ঘটনাটি ঘটেছে বিহারের রোহতাস জেলার দাওয়াত থানা এলাকায়। এই ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ দুজনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হলেও বাকি চারজন এখনও পলাতক।

স্থানীয় সূত্র জানা গিয়েছে, বাড়িতে বাথরুম না থাকায় বুধবার রাত সাড়ে নটা নাগাদ দাওয়াত থানা এলাকার একটি মাঠে প্রাকৃতিক প্রয়োজন মেটাতে গিয়েছিলেন ১৮ বছরের ওই যুবতী। মাঠের পাশে থাকা কোয়ারেন্টাইন সেন্টার থেকে তাঁকে দেখতে পেয়ে ধর্ষণের পরিকল্পনা করে ভিনরাজ্য থেকে বিহারে ফিরে আসা দুই পরিযায়ী শ্রমিক চঞ্চল যাদব (২২) ও সুরেশ যাদব (২২)। সেই মতো কোয়ারেন্টাইন সেন্টারের পাঁচিল টপকে ওই মাঠে গিয়ে যুবতীটিকে ধর্ষণ করে তারা। তারপর ফোন করে বিজয় যাদব (২০), মুকেশ যাদব (২১), অমিত পাসোয়ান (১৮) ও চুল্লি পাসোয়ানকে ওই মাঠে ডেকে পাঠায়। তারা এসেও ওই যুবতীকে ধর্ষণ লাগাতার ধর্ষণ করে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: সুকমার জঙ্গলে প্রবল গুলির লড়াই, খতম শীর্ষ মাওবাদী নেতা-সহ ২]

এই ঘটনার জেরে দীর্ঘক্ষণ ওই মাঠের মধ্যে অচৈতন্য অবস্থায় পড়েছিলেন নির্যাতিতা। কিছুটা সুস্থ হওয়ার পরে বাড়ি ফিরে পরিবারের সদস্যদের ঘটনাটির কথা খুলে বলেন তিনি। তারপর তাঁর বাড়ির লোকেরা ওই কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে গিয়ে দুই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাতে থাকেন। তাঁদের দাবি মেনে অভিযুক্তদের শারীরিক পরীক্ষা করার পাশাপাশি লালারসে করোনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। নির্যাতিতার পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে চঞ্চল ও সুরেশকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তবে এখনও পর্যন্ত পলাতক বাকি চার অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি তারা। পাশাপাশি শুক্রবার ওই যুবতীটিকে শারীরিক পরীক্ষার জন্য সাসারাম সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।

নির্যাতিতা পরিবারের অভিযোগ, রাজনৈতিক চাপের কারণে প্রথমে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করতে চায়নি পুলিশ। পরে তাঁরা থানায় গিয়ে বিক্ষোভ দেখানোর পরেই নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারও করা হয়।

[আরও পড়ুন: জুনের মাঝামাঝি শুরু হতে পারে আন্তর্জাতিক উড়ান, ইঙ্গিত দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.