২৫ অগ্রহায়ণ  ১৪২৬  বৃহস্পতিবার ১২ ডিসেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

২৫ অগ্রহায়ণ  ১৪২৬  বৃহস্পতিবার ১২ ডিসেম্বর ২০১৯ 

BREAKING NEWS

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করার অভিযোগে এক বিধায়কের নাগরিকত্ব বাতিল করল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। তেলেঙ্গানা রাষ্ট্রীয় সমিতির ওই বিধায়কের নাম রমেশ চেন্নামানেনি। বুধবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে এই বিষয়ে ১৩ পাতার একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। যেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, ওই বিধায়ক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপনের মাধ্যমে প্রতারণা করে ভারতীয় নাগরিকত্ব পেয়েছেন। তাই দেশের মানুষের ভালর স্বার্থে মিস্টার চেন্নামানেনির নাগরিকত্ব বাতিল করা হল। ১৯৫৫ সালের ভারতীয় নাগরিকত্ব আইনের ১০ নম্বর ধারা অনুযায়ী এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এদিকে এই নির্দেশের বিরুদ্ধে ফের তেলেঙ্গানা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন ওই বিধায়ক।

[আরও পড়ুন: ‘বাঘের বদলে গরুকে করা হোক জাতীয় পশু’, দাবি হিন্দু ধর্মগুরুর]

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০০৯ সালে এক বছরের জন্য বিদেশ ঘুরতে গিয়েছিলেন হায়দরাবাদ থেকে ১৫০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ভেমুলাওয়াড়ার ওই বিধায়ক। সেই সময় জমা দেওয়া ভারতীয় নাগরিকত্বের আবেদনে তিনি কিছু তথ্য গোপন করেছিলেন। তাঁর কাছে যে জার্মান নাগরিকত্ব আছে তা জানাননি। আইন অনুযায়ী, নাগরিকত্বের আবেদন জানানোর আগে ভারতে এক বছর বসবাসও করেননি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের কাছে তথ্য গোপন করে দেশের সরকারকে ভুল সিদ্ধান্ত নিতে প্রভাবিত করেছেন। তাঁর বিষয়ে সমস্ত তথ্য জানা থাকলে কর্তৃপক্ষ ওই বিধায়ককে কখনই ভারতীয় নাগরিকত্ব দিত না। বিষয়টি জানার  পর জনস্বার্থে তাঁর নাগরিকত্ব বাতিল করা হল। ওই বিধায়ক যে বিধানসভার প্রতিনিধিত্ব করছেন সেখানকার মানুষের কাছে এই ঘটনা একটা দৃষ্টান্ত তৈরি করবে। কারণ, একটি বিধানসভার সদস্য হওয়ার সুবাদে ওই ব্যক্তি লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবনে প্রভাব বিস্তারের সুযোগ পেতেন।

যদিও এপ্রসঙ্গে ওই বিধায়ক রমেশ চেন্নামানেনি বলেন, ‘এবিষয়ে তেলেঙ্গানা হাই কোর্ট আগে আমার পক্ষেই রায় দিয়েছিল। কিন্তু, তা না মেনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক ফের আমার নাগরিকত্ব বাতিল করেছে। তাই আমি ফের তেলেঙ্গানা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হব।’

[আরও পড়ুন: প্রতিরক্ষা বিষয়ক সংসদীয় কমিটিতে সাধ্বী প্রজ্ঞা, কটাক্ষ বিরোধীদের]

২০০৯ সালে প্রথমে অবিভক্ত অন্ধ্রপ্রদেশে চন্দ্রবাবু নায়ড়ুর টিডিপির হয়ে বিধায়ক নির্বাচিত হন চেন্নামানেনি। তারপর ২০১০ সালে কে চন্দ্রশেখর রাওয়ের তেলেঙ্গানা রাষ্ট্রীয় সমিতিতে যোগ দিয়ে পুনর্নিবাচিত হন। ২০১৪ ও ২০১৮ সালের বিধানসভা নির্বাচনেও জয়ী হন তিনি। কিন্তু, এর মাঝেই তাঁর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন তেলেঙ্গানার এক কংগ্রেস নেতা এ শ্রীনিবাস। সেই মামলার পরিপ্রেক্ষিতেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক তাঁর নাগরিকত্ব বাতিল করল বলে জানা গিয়েছে।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং