Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২৯ আগস্ট ২০২৬
Temple Mosque Dispute

মধ্যস্থতায় নিষ্পত্তি নয় মন্দির-মসজিদ বিতর্কের! ফয়সলা আদালতেই, বলছেন বাদী-বিবাদীরা

শীর্ষ আদালতের এহেন প্রস্তাব খারিজ করেছে দুই পক্ষই।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৪, ২০২৬, ১৪:৪৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৪, ২০২৬, ১৪:৪৮

options
link
মধ্যস্থতায় নিষ্পত্তি নয় মন্দির-মসজিদ বিতর্কের! ফয়সলা আদালতেই, বলছেন বাদী-বিবাদীরা zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

মধ্যস্থতার মাধ্যমে সমাধান নয়। মন্দির-মসজিদ বিতর্কের সমাধান হোক আদালতেই। মুসলিম ও হিন্দু- উভয়পক্ষেরই এমন মত। সুপ্রিম কোর্ট এই সংক্রান্ত বিবাদ আদালতের বাইরে মেটানো যায় কিনা তা খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। কিন্তু শীর্ষ আদালতের এহেন প্রস্তাব খারিজ করেছে দুই পক্ষই। বারাণসীর জ্ঞানবাপী, মথুরার শ্রীকৃষ্ণ জন্মভূমি-শাহি ইদগাহ এবং সম্ভলের জামা মসজিদ বিতর্কের সমাধান আদালতেই হোক বলে জানিয়েছে তারা।

২১ আগস্ট থেকে ২৩ আগস্ট সময়কালে সুপ্রিম কোর্টে শুরু হচ্ছে ‘সমাধান সমারোহ’। এই বিশেষ লোক আদালতেই মধ্যস্থতার মাধ্যমে এই বিষয়ে সমাধান খোঁজা হচ্ছে। কিন্তু এই পরিস্থিতিতে হিন্দু-মুসলিম উভয়পক্ষই জানাচ্ছে, তারা এই মধ্যস্থতার বিষয়ে অংশগ্রহণই করতে চাইছে না।

Advertisement

শীর্ষ আদালতের এহেন প্রস্তাব খারিজ করেছে দুই পক্ষই। বারাণসীর জ্ঞানবাপী, মথুরার শ্রীকৃষ্ণ জন্মভূমি-শাহি ইদগাহ এবং সম্ভলের জামা মসজিদ বিতর্কের সমাধান আদালতেই হোক বলে জানিয়েছে তারা।

তাদের বক্তব্য, এই বিতর্ক উপাসনালয় সংক্রান্ত পরস্পরবিরোধী দাবির সঙ্গে জড়িত। যা এমন সব সাংবিধানিক ও আইনি প্রশ্ন উত্থাপন করে যার জন্য আদালতের সুনির্দিষ্ট ও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রয়োজন। তারা আরও উল্লেখ করেছে যে, বিষয়গুলি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জনস্বার্থ ও ঐতিহাসিক তাৎপর্য বহন করে। তাই তাদের মতে, প্রতিটি মামলার আদালতের মাধ্যমেই নিষ্পত্তি হওয়া উচিত। ফলে পরিস্থিতি যা দাঁড়াচ্ছে, প্রতিটি মামলার এবার আদালতে নির্দিষ্ট বিচারবিভাগীয় পদ্ধতিতেই নিষ্পত্তি হবে।

উল্লেখ্য, জ্ঞানবাপী মসজিদ হলেও তার জায়গায় জায়গায় রয়েছে মন্দিরের অজস্র নিদর্শন। যাকে হাতিয়ার করেই সবর হয়েছে হিন্দু পক্ষ। চলছে আইনি লড়াই। এদিকে হিন্দুত্ববাদীদের দাবি, বারাণসীর জ্ঞানবাপী মসজিদের মতো মথুরা শাহি ইদগাহেও রয়েছে ‘হিন্দুত্বের প্রমাণ’। সেই সংক্রান্ত মামলাও চলছে। পাশাপাশি উত্তরপ্রদেশের সম্ভল (শাহি জামা) মসজিদকে ঘিরে হিন্দু ও মুসলিম পক্ষের মধ্যে এক ঐতিহাসিক ও আইনি বিতর্ক চলছে। হিন্দুপক্ষের দাবি, ১৫২৬ সালে একটি হরিহর মন্দির বা কল্কি মন্দির ভেঙে এই মসজিদ তৈরি করা হয়েছিল। পক্ষান্তরে মুসলিম পক্ষের দাবি, এটি একটি ঐতিহাসিক মসজিদ এবং সেখানে কোনও মন্দির ছিল না। এই সংক্রান্ত মামলাও রয়েছে আদালতে। 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.