Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Mamata Banerjee

‘এখানে সাইনবোর্ড হতে আসিনি, মরে গেলেও আপস করব না,’, গোয়ার দলীয় বৈঠকে হুঙ্কার মমতার

মাছ, ফুটবল, সংস্কৃতি, তিন সূত্রে বাংলা এবং গোয়াকে জুড়লেন মমতা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৯, ২০২১, ১৩:৫৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৯, ২০২১, ১৩:৫৬

options
link
‘এখানে সাইনবোর্ড হতে আসিনি, মরে গেলেও আপস করব না,’, গোয়ার দলীয় বৈঠকে হুঙ্কার মমতার zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মাছ-ফুটবল-লোক সংস্কৃতি। বাংলার সঙ্গে গোয়াকে ৩ সূত্রে জুড়ে দিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। গোয়ার রাজনীতির আঙিনায় পা রাখার পর প্রথমবার দলীয় কর্মীদের সঙ্গে বৈঠকেই সেরাজ্যের সঙ্গে বাংলার যোগসূত্র স্থাপনের চেষ্টা করলেন মমতা। বলে দিলেন, আমরা চাই বাংলার মতো গোয়াও শক্তিশালী হোক। আমি এখানে শুধু রাজনীতির জন্য আসিনি, উন্নয়নের জন্য এসেছি। এসেছি সংস্কৃতির জন্য।

মমতা বলেন, বাংলার সঙ্গে গোয়ার তিনটি বিষয়েই বেশি মিল আছে। এক ফুটবল। গোয়াতেও বহু ফুটবল ক্লাব আছে। বাংলার মানুষও ফুটবলপ্রেমী। আইএসএলের জন্য বাংলার এসসি ইস্টবেঙ্গল (SC East Bengal) এবং এটিকে মোহনবাগান (ATK Mohun Bagan) এখন গোয়াতেই অনুশীলন করছে। ফুটবলের পরই দুই রাজ্যের মৎস্যপ্রেম প্রসঙ্গ আনেন মুখ্যমন্ত্রী। মনে করিয়ে দেন, “গোয়ার মৎস্যজীবীরা বঞ্চিত। মানুষের কষ্টে আমরা কষ্ট পাই।” গোয়ার লোকসংস্কৃতির প্রসঙ্গও তুলে ধরেন মমতা।

[আরও পড়ুন: আরও ৩ বছর রিজার্ভ ব্যাংকের গভর্নর পদে থাকবেন শক্তিকান্ত দাস, সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের]

গোয়া এবং বাংলাকে জুড়ে দেওয়ার মধ্যেও মমতার সূক্ষ্ম রাজনৈতিক ইঙ্গিত রয়েছে। তৃণমূল (TMC) নেত্রী বুঝিয়ে দিতে চেয়েছেন, গোয়ায় তিনি বা তাঁর দল তৃণমূল বহিরাগত নয়। মমতা এদিন দলীয় সভায় বলে দেন,” আমি অভিন্ন ভারতে বিশ্বাস করি। আমি এখানে বহিরাগত নই। সারা ভারত আমার। একটা দলের নেত্রী হিসাবে, মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে দেশের যে কোনও জায়গায় যে কোনও সময় যেতে পারি। আমিও গোয়ার সন্তান।” তবে, মমতা এটাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন, তৃণমূল ক্ষমতায় এলে মুখ্যমন্ত্রী হবেন গোয়ার ভূমিপুত্রই।

এরপরই মমতা স্পষ্ট করে দেন, গোয়ায় শুধু নিজেদের অস্তিত্ব প্রমাণের জন্য আসেননি তিনি। এসেছেন বিজেপিকে (BJP) ক্ষমতা থেকে সরাতে। মমতা এদিন স্পষ্ট বলে দেন, “তৃণমূল কংগ্রেস গুরুত্বপূর্ণ শক্তি। আমরা কখনও আপস করিনি। আমরা এখানে সাইনবোর্ড হতে আসিনি। তৃণমূল কংগ্রেস বিক্রি হয় না। আমরা নিজেদের ১০০ শতাংশ দিয়ে লড়াই করব। এখানে ক্ষমতা দখল করতেই এসেছি।” এরাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর সাফ কথা, “তৃণমূল গণতন্ত্রে বিশ্বাসী ও ধর্মনিরপেক্ষ দল। মানুষের কষ্টে আমরা কষ্ট পাই। বাংলার মতো অত বড় রাজ্যের মানুষের জন্য আমরা করতে পেরেছি। গোয়ার মানুষের জন্য করতে পারলে খুশি হব।”

[আরও পড়ুন: দেরাদুনে দুর্ঘটনায় মৃত ও আহতদের পরিবারের জন্য টুইটে মোদির কাছে আর্থিক সাহায্যের আরজি বাবুলের]

এদিন নিজের ভাষণে কংগ্রেসকেও কটাক্ষ করেছেন মমতা। তৃণমূল নেত্রীর কথায়, “অনেকে বলছেন, আপনি কেন এখানে আসছেন, কংগ্রেসকে (Congress) লড়তে দিন। ওরা ৭০ বছর ধরে লড়ে কী করছে? নিজের দলের বিধায়কদের নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। সঠিক সময় সিদ্ধান্ত নিয়ে সরকার গড়তে পারে না। আমি আপনাদের আশ্বস্ত করছি, তৃণমূল কংগ্রেস নিজেদের রক্ত দিয়ে লড়াই করবে। কিন্তু বিজেপির সঙ্গে আপস করবে না। সবাইকেই সুযোগ দিয়েছেন, তৃণমূলকে একটা সুযোগ দিন। তৃণমূল কংগ্রেসও জাতীয় দল। তৃণমূল মানে টেম্পল (মন্দির), মস্ক (মসজিদ), চার্চ (গির্জা)।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.