BREAKING NEWS

১০ অগ্রহায়ণ  ১৪২৭  বৃহস্পতিবার ২৬ নভেম্বর ২০২০ 

Advertisement

আগামী চার মাসেই তৈরি হয়ে যাবে করোনা ভ্যাকসিন, নয়া সম্ভাবনার কথা শোনালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

Published by: Biswadip Dey |    Posted: November 19, 2020 6:24 pm|    Updated: November 19, 2020 6:30 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আর তিন থেকে চার মাসের মধ্যেই সম্ভবত প্রস্তুত হয়ে যাবে করোনা ভ্যাকসিন (Corona vaccine)। বৃহস্পতিবার এমনটাই দাবি করলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী হর্ষ বর্ধন (Harsh Vardhan)। সেইসঙ্গে তিনি জানিয়ে দিলেন, ১৩৫ কোটি দেশবাসীকে ধাপে ধাপে এই ভ্যাকসিন পৌঁছে দেওয়া হবে। FICCI FLO ওয়েবিনারে বক্তব্য রাখতে গিয়ে হর্ষ বর্ধন এমনই আশার কথা শোনালেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কথায়, ‘‘আমি আত্মবিশ্বাসী কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন আর তিন থেকে চার মাসের মধ্যে প্রস্তুত হয়ে যাবে। বৈজ্ঞানিক তথ্যানুসারে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে ভ্যাকসিন বণ্টনের ক্ষেত্রে। স্বাস্থ্যকর্মী ও করোনা যোদ্ধারা স্বাভাবিক ভাবেই অগ্রাধিকার পাবেন। পাশাপাশি বয়স্ক ও অসুখ-প্রবণ ব্যক্তিদেরও অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। ভ্যাকসিন বণ্টনের বিষয়ে বিস্তৃত পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।’’ তিনি আশা প্রকাশ করেন, ২০২১ সালটা সকলের জন্য শুভ হবে।

[আরও পড়ুন: বেনজির, করোনা টিকার ট্রায়ালের জন্য স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে এগিয়ে এলেন হরিয়ানার মন্ত্রী]

এদিন তাঁর কথায় উঠে আসে লকডাউনের (Lockdown) প্রসঙ্গও। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দেশব্যাপী লকডাউনের সিদ্ধান্ত এবং পরে তা ধীরে ধীরে আনলক করার প্রক্রিয়ার প্রশংসা করে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দাবি, ‘‘আমরা এটা খুব ভাল ভাবে নিয়ন্ত্রণ করেছি।’’ তবে প্রাথমিক ভাবে যে কিছু সমস্যা হয়েছিল, তাও মেনে নিচ্ছেন তিনি। পিপিই কিট, ভেন্টিলেটর কিংবা N95 মাস্কের প্রাথমিক অপ্রতুলতার কথা জানিয়ে হর্ষ বর্ধনের দাবি, এখন ভারতই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে এগুলি রপ্তানি করছে। মহামারী প্রতিরোধে দেশের বিজ্ঞানীদের প্রশংসাতেও পঞ্চমুখ হন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, ‘‘আমাদের বিজ্ঞানীরা ভ্যাকসিনের গবেষণায় বিশ্বের বহু দেশের থেকে এগিয়ে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বেঁধে দেওয়া প্রতিটি প্যারামিটার অনুযায়ী আমরা খুবই ভাল কাজ করতে পেরেছি।’’

[আরও পড়ুন: দিল্লিতে করোনায় একদিনে রেকর্ড মৃত্যু, দ্রুত সংক্রমণ চিহ্নিত করতে আসরে ‘ফেলুদা’]

এদিকে বৃহস্পতিবার সকালে পাওয়া তথ্য বলছে, ফের দেশের দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ৪৫ হাজারের গণ্ডি পেরিয়ে গিয়েছে। আক্রান্ত হয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সদানন্দ গৌড়াও। পাল্লা দিয়ে বেড়েছে মৃতের সংখ্যা। এর মধ্যে দিল্লিতে বাড়তে থাকা সংক্রমণের হার ভাবাচ্ছে প্রশাসনকে। রাজধানীতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৫ লক্ষ ছাড়িয়েছে। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে দ্রুত হারে বাড়তে শুরু করেছে সংক্রমণ। বুধবার একদিনে ১৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে করোনা আক্রান্ত হয়ে। যা দিল্লির পরিসংখ্যানের হিসেবে একদিনে সর্বাধিক মৃত্যু। এই পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল ঘোষণা করেছেন, মাস্ক না পরলে দিতে হবে ২ হাজার টাকা জরিমানা। আগে এই জরিমানার অঙ্ক ছিল ৫০০ টাকা। সকলকে মাস্ক পরা ও অন্যান্য করোনা বিধি মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement