Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১৮ আগস্ট ২০২৬
বিপন্মুক্ত নির্যাতিতা

বিপন্মুক্ত উন্নাওয়ের নির্যাতিতা, আইসিইউ থেকে পাঠানো হল জেনারেল ওয়ার্ডে

খুব তাড়াতাড়ি নির্যাতিতার বয়ান রেকর্ড করবে সিবিআই।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১, ২০১৯, ১০:৩০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১, ২০১৯, ১০:৩০

options
link
বিপন্মুক্ত উন্নাওয়ের নির্যাতিতা, আইসিইউ থেকে পাঠানো হল জেনারেল ওয়ার্ডে zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ক্রমেই সুস্থ হয়ে উঠছেন উন্নাওয়ের নির্যাতিতা। দিল্লির এইমস হাসপাতালের চিকিৎসক ও নার্সদের অক্লান্ত পরিশ্রমে আস্তে আস্তে স্বাভাবিক হচ্ছে তাঁর শারীরিক অবস্থা। তাঁকে আইসিইউ
থেকে জেনারেল ওয়ার্ডে স্থানান্তরিতও করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সূত্রে। আরও জানা গিয়েছে, পরিস্থিতি আরও একটু ভাল হলে নির্যাতিতার বয়ান রেকর্ড করবে সিবিআই। কীভাবে ওই দুর্ঘটনা ঘটল তা জানার চেষ্টা করবে।

[আরও পড়ুন: ঝাড়খণ্ডে উদ্বোধনের একদিনের মধ্যে ভেঙে পড়ল ৪২ বছর ধরে তৈরি হওয়া বাঁধ]

গত ২৮ জুলাই রায়বরেলি জেলে বন্দি থাকা কাকার সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছিলেন উন্নাওয়ের ওই যুবতী। সঙ্গে ছিলেন দুই আত্মীয় ও আইনজীবী। কিন্তু, রাস্তায় নম্বর প্লেটে কালো কালি লাগানো একটি ট্রাক উলটোদিক থেকে এসে তাঁদের গাড়িকে ধাক্কা মারে। এর জেরে মৃত্যু হয় ধর্ষিতার দুই কাকীমার। গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে ভরতি হন নির্যাতিতা ও তাঁর আইনজীবী। দুর্ঘটনার কথা প্রকাশ্যে আসতেই দেশজুড়ে বিক্ষোভ শুরু হয়। বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনগুলির পাশাপাশি সংসদের ভিতরে ও বাইরে তীব্র প্রতিবাদে সরব হয়ে ওঠে বিরোধী দলগুলি। অস্বস্তিতে পড়ে অভিযুক্ত বিধায়ক কুলদীপ সিং সেনেগারকে দল থেকে বহিষ্কার করে বিজেপি। যোগী প্রশাসনের পক্ষ থেকে নির্যাতিতার পরিবারকে সহযোগিতা করার পাশাপাশি অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়।

Advertisement

দুর্ঘটনার পরেই জানা যায় নিরাপত্তার আবেদন জানিয়ে প্রধান বিচারপতিকে চিঠি লিখেছিলেন ধর্ষিতা। ওই চিঠিতে জেলবন্দি বিধায়ক কুলদীপ সেনেগার তাঁদের প্রাণে মারার চেষ্টা করছেন বলেও অভিযোগ করেছিলেন। কিন্তু, গত ১২ জুলাই তারিখ চিঠি পাঠালেও তা প্রধান বিচারপতির কাছে পৌঁছায়নি। বিষয়টি জানতে পেরেই ক্ষোভ প্রকাশ করেন রঞ্জন গগৈ। উন্নাওয়ের নির্যাতিতা তাঁকে যে চিঠি লিখেছিলেন, নির্দিষ্ট সময়ে কেন সেই চিঠি তাঁর কাছে পৌঁছল না? সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রারের কাছে তার রিপোর্ট চান৷ পাশাপাশি সিবিআইকে তদন্তের দায়িত্ব দিয়ে দ্রুত রিপোর্ট জমা দিতে বলেন। নির্যাতিতা ও তাঁর আইনজীবীকে লখনউ হাসপাতাল থেকে এয়ারলিফট করে দিল্লির এইমস হাসপাতালে নিয়ে আসার নির্দেশ দেন।

[আরও পড়ুন: খুব সাফল্য নেই, তবু বাংলায় এনআরসি’র দাবিতে জোর সওয়াল অসম বিজেপির]

শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারপতির নির্দেশের পরেই সক্রিয় হয়ে ওঠে সিবিআই। জেলবন্দি কুলদীপ সেনেগার-সহ ১০ জনের নামে চার্জশিট দাখিল করে দুর্ঘটনার মামলা শুরু করে। যদিও এই দুর্ঘটনার পিছনে তার হাত নেই বলে দাবি করেছে মূল অভিযুক্ত সেনেগার।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.