BREAKING NEWS

১৯ জ্যৈষ্ঠ  ১৪২৭  মঙ্গলবার ২ জুন ২০২০ 

Advertisement

ইউপিএ জমানায় ১১ বার সার্জিক্যাল স্ট্রাইক হয়েছিল, দাবি কেসিআরের

Published by: Subhajit Mandal |    Posted: March 30, 2019 10:33 am|    Updated: April 17, 2019 1:12 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ইউপিএ-১ জমানায় অন্তত ১১ বার সার্জিক্যাল স্ট্রাইক হয়েছিল। কিন্তু তা প্রকাশ করা হয়নি। এই ধরনের ঘটনা ঘটেই থাকে, কিন্তু তা কখনও প্রকাশ করা হয় না। বা ভোট পেতে কাজে লাগানো হয় না। বালাকোট এয়ারস্ট্রাইক প্রসঙ্গে মোদিকে খোঁচা দিলেন তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাও।

[আরও পড়ুন:  কারাদণ্ডে স্থগিতাদেশ নয়, আইনি জটে প্রার্থী হতে পারছেন না হার্দিক প্যাটেল]

কেসিআরের দাবি, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বালাকোটের এয়ারস্ট্রাইককে হাতিয়ার করে ভোট ভিক্ষা চাইছেন। সেনার সাফল্যকে হাতিয়ার করে ভোটের বৈতরণী পার করতে চাইছেন। চাওয়ালা ভাবমূর্তিতে কাজ হচ্ছে না তাই এখন চৌকিদার ভাবমূর্তি তৈরির চেষ্টা করছে।এই ধরনের মানুষ দেশের সমস্যা বুঝতেই পারে না। ভারতকে দেশের সব সমস্যা সমাধানের জন্য নতুন রাস্তা খুঁজে বের করতে হবে।”

মোদির সমালোচনা করার পাশাপাশি, ইউপিএ জমানারও ঘুরিয়ে প্রশংসা করেন কেসিআর। তিনি বলেন, ” প্রথম ইউপিএ জমানায় এরকম অন্তত ১১টা সার্জিক্যাল স্ট্রাইক হয়েছিল। কিন্তু তা প্রকাশ করা হয়নি। এগুলো সার্জিক্যাল স্ট্রাইক, এমন ঘটনা মাঝে মাঝেই হয়। কিন্তু ভোটের স্বার্থে তা প্রকাশ করা হয়না।”

বিজেপির হিন্দুত্ব নীতিকেও কাঠগড়ায় তুলেছেন কেসিআর। তিনি বলেন, “বিজেপির হিন্দুত্ব হল রাজনৈতিক হিন্দুত্ব। আমরা আসল ধার্মিক, এরা নকল ধার্মিক। রাজনৈতিক হিন্দুত্ব শুধু ভোটের স্বার্থে। মানুষের, বিশেষ করে যুবসমাজের এই হিন্দুত্ব দেখে বিভ্রান্ত হওয়া উচিত নয়।”

[আরও পড়ুন: শতাব্দী এক্সপ্রেসে চায়ের কাপে ‘ম্যায় ভি চৌকিদার’, বিতর্কে বিজেপি]

এমনিতে এতদিন কংগ্রেস এবং বিজেপির থেকে সমদূরত্ব বজায় রাখলেও প্রকাশ্যে মোদির বিরুদ্ধে এতটা প্রবল সুর কখনও শোনা যায়নি কেসিআরের মুখে। এমনকী, সংসদে যখন অন্য বিরোধীরা একজোট, তখন অনাস্থা-রাষ্ট্রপতি ভোটের মতো ইস্যুতে টিআরএসকে পাশেই পেয়েছে মোদি সরকার। তাছাড়া, তেলেঙ্গানায় প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস, বিজেপি এখনও সেখানে খুব একটা প্রভাব বিস্তার করতে পারেনি। এই পরিস্থিতিতে কেসিআরের প্রবল মোদি-বিরোধিতা বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। এই মুহূর্তে ইউপিএ বা এনডিএ কোনও শিবিরেই নেই তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী। তিনি তৃতীয় মোর্চার পক্ষে।তবে, তাঁর এই সর্বশেষ বক্তব্য রাজনৈতিক মহলে নতুন জল্পনার সৃষ্টি করেছে। 

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement