Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
Uttar Pradesh

পথকুকুরের উপদ্রব রুখতে তৎপর যোগী সরকার, উত্তরপ্রদেশজুড়ে তৈরি হচ্ছে আশ্রয়স্থল ও জন্মনিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র

উত্তরপ্রদেশে পথকুকুরের উপদ্রব ও কামড়ে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা ইদানীং উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। আমজনতার নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে এবার নড়েচড়ে বসল যোগী আদিত্যনাথের সরকার।

হেমন্ত মৈথিল
হেমন্ত মৈথিল

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৬, ১০:২২

link
হেমন্ত মৈথিল
হেমন্ত মৈথিল

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৬, ১০:২২

options
link
পথকুকুরের উপদ্রব রুখতে তৎপর যোগী সরকার, উত্তরপ্রদেশজুড়ে তৈরি হচ্ছে আশ্রয়স্থল ও জন্মনিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র zoom
রাজ্যজুড়ে পথকুকুরের সমস্যা মেটাতে তৎপর যোগী সরকার
Advertisement

উত্তরপ্রদেশে পথকুকুরের উপদ্রব ও কামড়ে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা ইদানীং উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। আমজনতার নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে এবার নড়েচড়ে বসল যোগী আদিত্যনাথের সরকার। রাজ্য জুড়ে পথকুকুরের সমস্যা মেটাতে জেলা সদর ও পুরনিগম এলাকাগুলিতে দ্রুত ‘ডগ শেল্টার হোম’ বা কুকুরের আশ্রয়স্থল এবং ‘অ্যানিম্যাল বার্থ কন্ট্রোল’ (এবিসি) বা জন্মনিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র গড়ার কাজ শুরু হয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের নির্দেশে এই প্রকল্পের কাজ এখন যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে। প্রশাসনের লক্ষ্য হল, মানবিক ও বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান করা। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশিকা মেনেই এই পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই বিভিন্ন জেলায় জমি চিহ্নিতকরণ ও বাজেটের সংস্থান করার কাজ অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছে।

Advertisement

সরকারি সূত্রে খবর, প্রতিটি আশ্রয়স্থলের জন্য প্রায় ৪৭০ লক্ষ থেকে ৫৩১ লক্ষ টাকা খরচ হতে পারে। এই সংক্রান্ত বিস্তারিত প্রকল্প রিপোর্ট বা ডিপিআর (DPR)-এ কুকুরের থাকার জায়গা, খাবার, চিকিৎসার পরিকাঠামো এবং পরিচ্ছন্নতার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

সরকারি সূত্রে খবর, প্রতিটি আশ্রয়স্থলের জন্য প্রায় ৪৭০ লক্ষ থেকে ৫৩১ লক্ষ টাকা খরচ হতে পারে। এই সংক্রান্ত বিস্তারিত প্রকল্প রিপোর্ট বা ডিপিআর (DPR)-এ কুকুরের থাকার জায়গা, খাবার, চিকিৎসার পরিকাঠামো এবং পরিচ্ছন্নতার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। লখনউ পুরনিগম ইতিমধ্যেই জমির ব্যবস্থা করার জন্য সবুজ সংকেত দিয়ে দিয়েছে। প্রয়াগরাজেও জমি চিহ্নিত করার কাজ শেষ।

শুধুমাত্র বড় শহর নয়, জেলা স্তরেও একই তোড়জোড় শুরু হয়েছে। ললিতপুর, হরদোই, বুলন্দশহর এবং ফতেপুরের মতো জেলাগুলিতে বেশ কিছু হেক্টর জমি নির্দিষ্ট করা হয়েছে এই কাজের জন্য। প্রশাসন জানিয়েছে, এই আশ্রয়স্থলগুলিতে পর্যাপ্ত প্রশিক্ষিত কর্মী মোতায়েন করা হবে। এতে একদিকে যেমন পথচলতি সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা বাড়বে, তেমনই অবলা প্রাণীদের দেখভালের ব্যবস্থাও হবে।

রাজ্য সরকার মনে করছে, সঠিক উপায়ে বন্ধ্যাকরণ এবং নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা করলে পথকুকুরের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে আসবে। উত্তরপ্রদেশের প্রতিটি পুরনিগমে একই ধরনের ব্যবস্থা চালু করার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। এখন নজর রয়েছে কত দ্রুত এই প্রকল্প সাধারণ মানুষের উপকারে আসে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.