Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
করোনা

‘সকলে দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠুক’, কাজ শুরুর আগে রোজ করজোড়ে প্রার্থনা দিল্লির নার্সদের

আতঙ্ক দূরে সরিয়ে রোগীদের সেবাও করছেন নার্সরা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১১, ২০২০, ১৮:১৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১১, ২০২০, ১৮:১৮

options
link
‘সকলে দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠুক’, কাজ শুরুর আগে রোজ করজোড়ে প্রার্থনা দিল্লির নার্সদের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনা (Corona Virus) আতঙ্ক ধীরে ধীরে গ্রাস করছে দেশবাসীকে। সংক্রমণের আতঙ্ক যেন প্রতিদিন আরও বেশি করে জাঁকিয়ে বসছে মানুষের মনে। এই পরিস্থিতিতেও নিজেদের কর্তব্যে অবিচল ডাক্তার, নার্সরা। ভয়কে দূরে সরিয়ে রোগীদের সুস্থ করে বাড়ি ফেরাতে অক্লান্ত পরিশ্রম করে চলেছেন তাঁরা। তবে কাজের পাশাপাশি আরও একটি বিষয় বর্তমানে প্রতিদিনের রুটিন হয়ে গিয়েছে দিল্লির দিলশাদ গার্ডেন এলাকার একটি সরকারি হাসপাতালের নার্সদের। কী সেই কাজ?

দিল্লির ওই হাসপাতালের নার্সদের কথায়, “আমরা এখন প্রতিদিনের কাজ শুরু করি প্রার্থনার মধ্যে দিয়ে। প্রার্থনা করি, যাঁদের রিপোর্ট পজিটিভ, তাঁরা শীঘ্রই সু্স্থ হয়ে উঠুন। সেই সঙ্গে নিজেরা যাতে সুস্থ, সুরক্ষিত থাকতে পারি, সেই প্রার্থনাও করি।” তাঁদের কথায়, দেশের এই সংকটকালে তাঁদের তরফে সবরকম সহযোগিতা করতে প্রস্তুত তাঁরা, কিন্তু নিজেরা সুস্থ না থাকলে সেটা সম্ভব নয়। সেই কারণে নিজেদের সুস্থতার প্রার্থনা বলেই জানান নার্সরা। এক নার্স বলেন, “সব সময় আমরা চেষ্টা করি রোগী যাতে অতিদ্রুত সেরে ওঠেন।” দিল্লির এই দিলশাহ গার্ডেন এলাকাকে ইতিমধ্যেই প্রশাসনের তরফে হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, তাই অত্যন্ত সতর্কভাবে কাজ করতে হচ্ছে তাঁদের। প্রতিমুহূর্তেই থাকছে সংক্রমণে আশঙ্কা।

Advertisement

[আরও পড়ুন:‘করোনা হটস্পট বলে কিছু হয় না’, নবান্নে সাংবাদিকদের প্রশ্নে মেজাজ হারালেন মমতা]

এ প্রসঙ্গে এক নার্স বলেন, সংক্রমণের আতঙ্ক যেমন থাকে। ঠিক তেমনি এই করোনা আক্রান্তদের সুস্থ করতে তাঁদের পাশে থাকা অত্যন্ত প্রয়োজন। তাঁরা যেন কখনই এটা অনুভব না করেন যে, সংক্রমণের আশঙ্কায় তাঁকে দূরে সরিয়ে রাখা হচ্ছে। পাশাপাশি, তাঁরা সমাজের বোঝা, এমন নেতিবাচক উপলব্ধি যাতে না হয় সেদিকেও নজর রাখতে হয়। একইভাবে সুরক্ষিত থাকতে হয় নিজেকে। মাথায় রাখতে হয়, যাতে তাঁর মাধ্যমে ভাইরাস তাঁরর বাড়ি পর্যন্ত পৌঁছতে না পারে। তাই সমস্ত রকম সুরক্ষা নিয়েই রোগীর কাছে যেতে হয়। অর্থাত একদিনে রোগী, অন্যদিকে পরিবার দু’জনের তরফকে সুস্থ রাখতে লাগাতার করোনা ‘যুদ্ধ’ চালাচ্ছেন সৈনিকরা। 

[আরও পড়ুন:দরজায় প্রয়োজনীয় সামগ্রী পৌঁছে দেবে ‘সহায়ক যান’, প্রবীণদের জন্য উদ্যোগ বিধাননগর পুলিশের]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.