BREAKING NEWS

১ আশ্বিন  ১৪২৭  শুক্রবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

‘করোনা নিয়েই চলতে হবে’, দিল্লিতে লকডাউন তুলে দেওয়ার অনুরোধ কেজরিওয়ালের

Published by: Sucheta Chakrabarty |    Posted: May 3, 2020 8:53 pm|    Updated: May 3, 2020 8:53 pm

An Images

সোমনাথ রায়, নয়াদিল্লি: এত দ্রুত করোনার হাত থেকে মুক্তি নেই। করোনাকে নিয়ে বাঁচতে হবে। এটা স্পষ্ট বুঝেছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তাই কেন্দ্রের বিরোধিতা করে এই প্রথম লকডাউন তুলে দেওয়ার পক্ষে সওয়াল করলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী।

এখনও দেশে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। তাই লকডাউনের দ্বিতীয় পর্ব শেষের দিনে কিছুটা প্রধানমন্ত্রীর বিরোধী সুরে লকডাউনের বিরুদ্ধে সোচ্চার হলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। রবিবার সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেন, “দিল্লি সরকার লকডাউন তুলতে তৈরি। তবে এমতাবস্থায় আমাদের করোনাকে সঙ্গে নিয়েই বাঁচতে হবে।” দিল্লির কন্টেনমেন্ট জোন (Containment Zone) সিল রেখে বাকি দিল্লিকে গ্রিন করে দেওয়ারও জন্য কেন্দ্রকে দাবি জানিয়েছেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তিনি আরও বলেন, “জোড়-বিজোড় নীতিতে এই রাজ্যে দোকান খোলা যেতে পারে। এমনকি লকডাউন পুরো তুলে নেওয়ার পরেও যদি কিছু সংক্রমণ হয়, তা ভালভাবে সামলাতে আমরা তৈরি।” কেন্দ্রের কাছে লকডাউন তুলে দেওয়ার দাবি জানিয়ে কেজরিওয়ালের আবেদন, “মৃত্যুর সংখ্যা কমানোর লক্ষ্যে এখনও সফল দিল্লি। এখানে প্রচুর পরিমানে করোনা পরীক্ষা করা হচ্ছে। পরবর্তী করোনা পরিস্থিতি সামলাতে দিল্লি প্রস্তুত।” তবে করোনা আবহে রাজ্যে একাধিক বিষয়ে শিথিলতা জারি করেলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী, “বর্তমানে গণপরিবহণ বন্ধ থাকবে। কিন্তু প্রাইভেট দু’চাকা, চারচাকার গাড়ি চলতে পারে। দু’চাকার গাড়িতে একজন ও চারচাকার গাড়িতে দু’জনের বেশি থাকবেন না। বেসরকারি অফিসও খোলা যাবে। তবে ৩৩ শতাংশের বেশি কর্মচারী যেন একসঙ্গে না থাকেন সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। এই বেসরকারি অফিসের মধ্যে আইটি সেক্টর ও ই-কমার্স সংস্থাগুলিকেও হিসেব করা হয়েছে। জরুরী পরিষেবাগুলিতে একশ শতাংশ উপস্থিতি রাখতেই হবে।”

[আরও পড়ুন:বাংলায় ফেরা পরিযায়ী শ্রমিকদের সংবর্ধনার ভাবনা, রাজ্যকে এড়িয়ে রেলমন্ত্রীর সঙ্গে কথা ধনকড়ের]

তবে সকলকে চমক দিলে লকডাউনের আবহে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর বড় ঘোষণা হল- বিয়ে বা শ্রাদ্ধের মতো সামাজিক অনুষ্ঠানেও ছাড় দিয়েছে দিল্লি সরকার। কিন্তু বিয়েতে ৫০ জনের বেশি ও শ্রাদ্ধে ২০ জনের বেশি ব্যক্তি যেন উপস্থিত না থাকেন তার নির্দেশ দিয়েছেন কেজরিওয়াল। লকডাউন উঠলেও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার কড়া নির্দেশিকা তাঁর। অন্যদিকে কেন্দ্রের তরফ থেকে আরও দুসপ্তাহের জন্য বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে লকডাউনের মেয়াদ। ১৭ মে শেষ হবে তৃতীয় পর্বের লকডাউন।

[আরও পড়ুন:মতভেদ অতীত, হাতে হাত মিলিয়ে ত্রাণ বিলি বিভিন্ন রাজনৈতিক শিবিরের নেতাদের]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement