Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Supreme Court

গৃহিণীরও থাকা উচিত ‘ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট’, ATM কার্ড, গৃহবধূর অধিকারে সরব সুপ্রিম কোর্ট

মুসলিম মহিলাদের খোরপোশ দাবিতে ইতিবাচক রায়ের পর দেশের আপামর গৃহবধূদের পাশে ভারতের বিচার ব্যবস্থা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১০, ২০২৪, ১৫:৩২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১০, ২০২৪, ১৫:৩২

options
link
গৃহিণীরও থাকা উচিত ‘ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট’, ATM কার্ড, গৃহবধূর অধিকারে সরব সুপ্রিম কোর্ট zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: একই দিনে নারীর অধিকারে জোড়াফলা সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court)। মুসলিম মহিলাদের খোরপোশের দাবিতে ইতিবাচক রায়ের পর দেশের আপামর গৃহবধূদের পাশে দাঁড়াল ভারতীয় বিচার ব্যবস্থা। বুধবার শীর্ষ আদালতের পর্যবেক্ষণ, “সময় এসেছে ভারতীয় পুরুষদের গৃহবধূদের ভূমিকা ও আত্মত্যাগকে স্বীকৃতি দেওয়ার।” গৃহিণীদের অর্থনৈতিক সুরক্ষা প্রতিষ্ঠায় ব্যাঙ্কে স্বামীর সঙ্গে ‘জয়েন্ট অ্যাকাউন্ট’ এবং এটিএম কার্ড ব্যবহারের অধিকার থাকা উচিত বলেও মন্তব্য করেন বিচারপতিরা।

বিবাহবিচ্ছেদ হলে হিন্দু মহিলাদের মতোই মুসলিম মহিলারাও স্বামীর কাছে খোরপোশ দাবি করতে পারেন। বুধবার এই রায় দেওয়ার পরে বিচারপতি বি ভি নাগারত্ন ও বিচারপতি অগাস্টাইন জর্জ মাসিহর বেঞ্চ মন্তব্য করে, ধর্মের ঊর্ধ্বে খোরপোশ সমস্ত গৃহিনীর অধিকার। এর পরেই আদালত মন্তব্য করে, “আমরা জোর দিতে চাই এই বলে যে, স্বামীর কর্তব্য হওয়া উচিত গৃহবধূকে অর্থনৈতিক অধিকার দেওয়া। এর জন্য স্বামীর সঙ্গে জয়েন্ট ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থাকা উচিত এবং ATM কার্ড ব্যবহারের ক্ষমতাও থাকা উচিত।”

Advertisement

 

[আরও পড়ুন: পুলিশ ও সরকারই লুকিয়ে রেখেছিল শিব সেনা নেতার ছেলেকে! BMW কাণ্ডে দাবি কংগ্রেসের

প্রসঙ্গত, এদিন মুসলিম মহিলাদের খরপোশের বিষয়ে বেঞ্চের তরফে জানানো হয়েছে, মুসলিম মহিলা (বিবাহবিচ্ছেদের অধিকার রক্ষা) আইন ১৯৮৬ ধর্মনিরপেক্ষ আইনের চেয়ে বেশি প্রাধান্য পাবে না। এদিন বিচারপতি নাগারত্ন বলেন, ”আমরা ফৌজদারি আবেদন খারিজ করে দিচ্ছি। সেই সঙ্গে এই সিদ্ধান্তে আসছি যে ফৌজদারি আইনের ১২৫ ধারা সমস্ত মহিলার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য, কেবল বিবাহিত মহিলাদের ক্ষেত্রেই নয়।” সেই সঙ্গেই তিনি আরও বলেন, ”অনেক স্বামীরা বুঝতেই পারেন না যে তাঁদের স্ত্রী, যাঁরা গৃহবধূ, তাঁদের উপরে মানসিক দিক থেকে কতটা নির্ভরশীল। সময় এসেছে ভারতীয় পুরুষদের গৃহবধূদের ভূমিকা ও আত্মত্যাগকে স্বীকৃতি দেওয়ার।”

 

[আরও পড়ুন: গাজার স্কুলে ইজরায়েলের ‘অগ্নিবর্ষণ’! মৃত অন্তত ২৯

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.