বাংলায় বিজেপি এবার ‘ভয়াবহভাবে হারতে চলেছে’ এবং তাদের অবস্থা দিন দিন আরও খারাপ হচ্ছে। ভোটের আগে দাবি করলেন সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব। বাংলা দখলের লক্ষ্যে যেভাবে রাজ্যের প্রায় সব শীর্ষ আধিকারিককে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, তা নিয়েও সরব তিনি।
বিজেপি ও নির্বাচন কমিশনকে একসারিতে বসিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি সমর্থন জানিয়ে অখিলেশ বলছেন, ‘দিদি আছেন, দিদিই থাকবেন।’ পোস্টের সঙ্গে সংবাদপত্রের কাটিং যুক্ত করে অখিলেশ লিখেছেন, একদিনেই ১৭৩ জন পুলিশ আধিকারিক এবং ৮৩ জন বিডিও-কে সরিয়েছে কমিশন। এই ঘটনাকে তিনি ‘বদলি নয়, নির্বাচনী হেরাফেরি’ বলে মন্তব্য করেছেন। তাঁর বক্তব্য, এত ব্যাপক সংখ্যায় প্রশাসনিক আধিকারিকদের বদলি প্রমাণ করে যে, বিজেপি পশ্চিমবঙ্গে নিজেদের পরাজয় আঁচ করতে পেরেছে এবং সম্মানজনক হার নিশ্চিত করার জন্যই এই পদক্ষেপ নিচ্ছে।
আরও পড়ুন:
सीधी बात : भाजपा बंगाल बुरी तरह हार रही है।
विशिष्ट बात : प. बंगाल में भाजपा की स्थिति दिन-पर-दिन बद से बदतर होती जा रही है। ऐसा पहली बार देखा जा रहा है कि भाजपा सम्मानजनक हार के लिए अपनी व्यवस्था कर रही है। यही इस चुनाव की विशिष्टता है। *ये तबादले नहीं, चुनावी हेराफेरी है।*… pic.twitter.com/V3Hu7wkPvx
— Akhilesh Yadav (@yadavakhilesh) March 30, 2026
লড়াই করে বিজেপিকে রুখতে পারেন একমাত্র বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর আগে অখিলেশ যাদবের মুখে একাধিকবার এ কথা শোনা গিয়েছে। তবে ভোট ঘোষণার পর যেভাবে বাংলার আধিকারিকদের বদলি করা হচ্ছে, সেটা নিয়ে রীতিমতো ক্ষুব্ধ সপা প্রধান। তবে তাঁর সাফ কথা, বাংলায় নির্বাচনী হেরাফেরি করেও লাভের লাভ কিছুই করতে পারবে না গেরুয়া শিবির।
এর আগে আইপ্যাকের অফিস ও কর্ণধারে প্রতীক জৈনের বাড়িতে ইডি অভিযান প্রসঙ্গেও অতীতে মমতার পাশে দাঁড়িয়েছেন অখিলেশ। তাঁর বক্তব্য ছিল, বিজেপি এখনও পেনড্রাইভের ‘পেন’ ভুলতে পারেনি, আর বাংলায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইডিকে পরাস্ত করেছেন – এই বাস্তবতা মেনে নিতে পারছে না গেরুয়া শিবির।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
রবিবার হচ্ছে না ভারত-আফগানিস্তান প্রথম টি-টোয়েন্টি! বড়সড় সিদ্ধান্ত দিল্লি পুলিশের
-
যুদ্ধের পর জনশূন্য, ৬৪ বছর বাদে পর্যটনের হাত ধরে বেঁচে উঠতে চলেছে উত্তরাখণ্ডের ভূতুড়ে গ্রাম
-
পৃথিবী যেন আগুনের গোলা! বিশ্বের সর্বকালীন রেকর্ড ভেঙে ‘উষ্ণতম মাস’ আগস্ট
-
কৌশিকী অমাবস্যায় কালীঘাট মন্দিরে পুজো মুখ্যমন্ত্রীর, আমিষ বিতর্ক সরিয়ে মাছ দিয়ে খেলেন ভোগ
-
মুখ-কাঁধ নড়তেই থাকে, চাইলেও থামানো যায় না! ‘ট্যুরেট সিনড্রোম’ চিনবেন কীভাবে?