Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৮ আগস্ট ২০২৬
Bengal poll results

কর্মীদের চাঙ্গা করতে ভরসা বঙ্গ ভোটের ফল, ৪ মে’র দিকে তাকিয়ে ত্রিপুরা বিজেপি

পাশের রাজ্য থেকে বাংলায় বহু নেতাকর্মী এনেছিল বিজেপি। সামনেই সে রাজ্যে স্থানীয় নির্বাচন। তার আগে বঙ্গ ভোটই ভরসা গেরুয়া শিবিরের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২, ২০২৬, ১৮:২৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২, ২০২৬, ১৮:২৯

options
link
কর্মীদের চাঙ্গা করতে ভরসা বঙ্গ ভোটের ফল, ৪ মে’র দিকে তাকিয়ে ত্রিপুরা বিজেপি zoom
মহিলা ভোটারদের লাইন। ফাইল ছবি।
Advertisement

বাংলার নির্বাচনের ফলাফলের সরাসরি প্রভাব পড়ে সে রাজ্যের রাজনীতিতেও। তাই ৪ মে’র দিকে অধীর আগ্রহে তাকিয়ে আছে গোটা ত্রিপুরাও। আসলে বঙ্গে কোনও রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হলে সেটার প্রভাব ত্রিপুরায় পড়ে। তাছাড়া এবার পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির সহ-প্রভারীর দায়িত্বে রয়েছেন ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ও সাংসদ বিপ্লব কুমার দেব।

বিজেপি সূত্রের খবর, বিপ্লব দেব দায়িত্ব নেওয়ার পর ত্রিপুরা থেকে শতাধিক নেতাকর্মীকে বাংলার ভোটের কাজে লাগিয়েছে বিজেপি। ত্রিপুরার প্রায় সব মন্ত্রী-বিধায়ক দিনের পর দিন পশ্চিমবঙ্গের গ্রামে ও শহরে পড়েছিলেন। মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার মানিক সাহাও একাধিকবার বাংলায় ভোটপ্রচার করেছেন। তাছাড়া ত্রিপুরায় তৃণমূল কংগ্রেসেরও প্রভাব রয়েছে। এক সময় ত্রিপুরার প্রধান বিরোধী দলের মর্যাদা ছিল তৃণমূলের দখলে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ কুনাল ঘোষরা একাধিকবার ত্রিপুরা সফর করেছেন। এছাড়া করেছেন বহু জনসভাও। ত্রিপুরায় তৃণমূল কংগ্রেসের প্রচার এসে আক্রান্ত হয়েছেন তৃণমূলের নেতাকর্মীরা।

Advertisement

বাংলার নির্বাচন নিয়ে বিপ্লব দেব বলেছেন, ‘পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির জয় নিশ্চিত।’ যাতে আরও আগ্রহ দেখা দিয়েছে ত্রিপুরার বিজেপি নেতাকর্মীদের মধ্যে। কয়েক মাস পরেই ত্রিপুরায় নগর পঞ্চায়েতের ভোট। রয়েছে পুরনিগমের ভোটও। সদ্য সমাপ্ত ত্রিপুরা স্বশাসিত জেলা পরিষদ নির্বাচনে ব্যাপক ভরাডুবি হয়েছে বিজেপির। নেতাকর্মীরা হতাশায় রয়েছেন। তারাও তাকিয়ে রয়েছেন বঙ্গের ভোটের দিকে। যাতে স্থানীয় নির্বাচনের আগে কর্মীদের চাঙ্গা করা যায়। সব মিলিয়ে ত্রিপুরার হাটেবাজারে সর্বত্র বঙ্গ ভোটের ফলাফল নিয়েই আলোচনা।

রাজ্যে সক্রিয় বুকিরাও। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভবানীপুর কেন্দ্রের দায়িত্বে ছিলেন ত্রিপুরার পর্যটন মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী। একইভাবে কুণাল ঘোষের কেন্দ্রের দায়িত্বে ছিলেন আগরতলা পুরনিগমের মেয়র দীপক মজুমদার। ২০২৮ সালের ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচনের আগে পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ফলাফলে ত্রিপুরার রাজনীতিতে বড় প্রভাব যে পড়তে পারে, সেটা মানছেন তাঁরাও।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.