সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ‘দেশের জনক’ না মানলে আপনি ভারতীয়ই নন। এমনটাই দাবি, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিংয়ের। মঙ্গলবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রধানমন্ত্রীকে ‘দেশের জনক’ আখ্যা দিয়েছিলেন। তাতে বিরোধীরা প্রবল আপত্তি তোলে। বিরোধীদের দাবি, নরেন্দ্র মোদিকে ‘দেশের জনক’ বলা মানে মহত্মা গান্ধীকে অপমান করা। বিরোধী শিবিরের এই বক্তব্যকে কটাক্ষ করে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং বললেন, ‘যাঁরা বিদেশে থাকেন তাঁরা আজ ভারতীয় হওয়ার জন্য গর্বিত। এটা সম্ভব হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিত্ব ও প্রচারের জন্য। এই প্রথম বার একজন মার্কিন প্রেসিডেন্ট এমন প্রশংসাসূচক মন্তব্য করলেন। যদি কেউ এতে গর্বিত না হয়, তা হলে তাঁর নিজেকে ভারতীয় ভাবা উচিত নয়।’
[আরও পড়ুন: গান্ধী জয়ন্তীতে আমিষ খাবার বর্জনের ডাক পশ্চিম রেলের, বিজ্ঞপ্তি ঘিরে সমালোচনা]
নিউ ইয়র্কে রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সভা চলাকালীন আলাদা করে মোদির সঙ্গে বৈঠক করেন ট্রাম্প। সেই বৈঠকেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভূয়সী প্রশংসা করতে শোনা যায় তাঁকে। ট্রাম্প বলেন, ‘আমি মোদির মেজাজ, মোদির বক্তব্যে, মোদির ব্যক্তিত্বে প্রচণ্ড মুগ্ধ। রাষ্ট্রনেতা হওয়া উচিত এরকমই। মোদি হলেন ভারতের রকস্টার। মোদি হলেন কিংবদন্তি মার্কিন রকস্টার এলভিস প্রেসলির মতোই। হিউস্টনের এনআরজি স্টেডিয়ামের ৫০ হাজার দর্শক মোদিকে দেখে পাগল হয়ে উঠেছিলেন। মনে হচ্ছিল যেন এলভিস প্রেসলি স্টেডিয়ামে উঠেছেন। আসলে উনি একজন ভদ্রলোক ও মহান নেতা। আমি বেশ মনে করতে পারি আগে ভারতের অবস্থা ছিল খুবই রুগ্ন, দীর্ণ। খুবই অসন্তোষ ও দ্বন্দ্ব ছিল সেখানে। কিন্তু, মোদি সবাইকে একসঙ্গে করে চলছেন। কারও প্রতি বৈষম্য করেননি মোদি। সবার মন রাখার চেষ্টা করছেন। বাবা যেমন পরিবারের সবাইকে আগলে রেখে একসঙ্গে নিয়ে চলে, মোদিও তাই করছেন ভারতবাসীর জন্য। উনিই ফাদার অব ইন্ডিয়া। আমরা তো ওঁকে ফাদার অব ইন্ডিয়াই বলি। উনি ভারতের পিতা।’
[আরও পড়ুন: ‘রাম চবুতরা’ রাম জন্মভূমি মানি না, সাংবিধানিক বেঞ্চে বলল সুন্নি ওয়াকফ বোর্ড]
ট্রাম্পের এই বক্তব্যকে হাতিয়ার করেই নরেন্দ্র মোদিকে ‘জাতির জনক’ প্রমাণ করতে ব্যস্ত গেরুয়া শিবির। যদিও, মোদি সম্পর্কে ট্রাম্পের এই বক্তব্যে আপত্তি আছে অনেক মহলেরই। জাতির জনক হিসেবে এতদিন যারা মহত্মা গান্ধীকে মেনে এসেছেন, তাঁরা অন্তত মোদিকে দেশের জনক মানতে রাজি নন। কিন্তু, তা বলে তাদের ভিনদেশি আখ্যা দেওয়াটা কতটা যুক্তিযুক্ত তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
সর্বশেষ খবর
-
‘হিন্দু বলে আমার মাকেও পালিয়ে আসতে হয়েছিল’, চিন্ময় প্রভুর চোখের জল দেখে অতীত স্মরণ শুভেন্দুর
-
ইংরেজি অনুবাদে রবীন্দ্রনাথকে পৌঁছে দিয়েছিলেন বৃহত্তর পরিসরে, প্রয়াত কেতকী কুশারী ডাইসন
-
নিন্দুকদের মুখে ঝামা ঘষে রাজ-শুভশ্রীর জলকেলি, ছেলে যুবানের জন্মদিনে রোম্যান্টিক টুইস্ট!
-
‘বাঙালি নিরামিষ খেয়ে পুষ্পাঞ্জলি, মাছ দিয়ে প্রসাদ দিতে জানে’, বাগেশ্বর বিতর্কে সোজাসাপ্টা শুভেন্দু
-
যুদ্ধ ‘কাঁটা’ সরিয়ে দিল্লি ঘোষণাপত্রে সহমত ‘শত্রু’ ইরান-আমিরশাহী, বড় কূটনৈতিক সাফল্য ভারতের