Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
প্রযুক্তিভিত্তিক সাহায্য

ফোন-টাকা নয়, দুস্থদের সহায়তায় প্রযুক্তিতে নির্ভর কেজরিওয়াল সরকার

টাকার অভাবে স্মার্টফোন ব্যবহারে অনীহা অধিকাংশের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৯, ২০২০, ১৯:০২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৯, ২০২০, ১৯:০২

options
link
ফোন-টাকা নয়, দুস্থদের সহায়তায়  প্রযুক্তিতে নির্ভর কেজরিওয়াল সরকার zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পরিযায়ী শ্রমিক, দুস্থদের স্বার্থে নয়া পন্থা অবলম্বন করল কেজরিওয়াল সরকার। প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে রাজধানীর পরিযায়ী শ্রমিকদের মুখে অন্ন তুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করলেন তিনি। এমনকি লকডাউনের জেরে রাজ্যে যাঁদের জীবনধারণের অসুবিধা দেখা দিয়েছে তাঁদের অনলাইনে আবেদন করার পরামর্শ দেন। সেই আবেদনের ভিত্তিতেই তাঁদের কাছে ত্রাণ পৌছে দেওয়ার আশ্বাস দেয় কেজরিওয়াল সরকার। তবে টাকার অভাবে সেই সাহায্য নিতে অক্ষম অধিকাংশই। 

লকডাউনের দ্বিতীয় পর্বের শুরুতেই মুম্বইয়ের বান্দ্রায় পরিযায়ী শ্রমিকদের বিক্ষোভের আঁচ দেখা গিয়েছিল। সেই আঁচ যাতে অন্য রাজ্যে এসে না পড়ে তাই সদাই ব্যস্ত হয়ে রয়েছেন কেরল সরকার। তার মতই পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়ে মাথা ঘামাতে শুরু করেছেন দিল্লির কেজরিওয়াল সরকার। জনে জনে সাহায্যের বার্তা পৌঁছে দিতে না গিয়ে তিনি প্রযুক্তির সাহায্য নিয়েই সমস্যা সমাধানের পথ খুঁজে বের করতে চান। তাই এই সপ্তাহের পূর্বেই তিনি গুগল ম্যাপের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধে কাজ করার সিদ্ধান্ত নেন। ফলে গুগল ম্যাপের সাহায্যেই নাইট শেল্টারগুলি চিহ্নিত করে সেখানে খাবার পাঠানোর ব্যবস্থা করবেন বলে জানান। এমনকি বিনা চিকিৎসায় যাতে কেউ প্রাণ না হারান তাই ‘কলডক’ (CallDoc) অ্যাপের ও ব্যবস্থা করা হয়। এই অ্যাপের সাহায্যে প্রয়োজনে ডাক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করা যাবে। এমনকি অনলাইনে সমস্যার কথা জানিয়ে ওষুধও জেনে নেওয়া যাবে।

Advertisement

[আরও পড়ুন:জলের দরে বিকোচ্ছে চিংড়ি-কাঁকড়া, লকডাউন উপেক্ষা করে বাজারে ভিড় মৎস্যপ্রেমী বাঙালির]

এছাড়াও দিল্লি সরকার গাড়ির চালকদের জন্য একটি প্রকল্প তৈরি করেন। দিল্লির প্রতিটি গাড়ির চালকদের জন্য পাঁচ হাজার টাকা করে বরাদ্দ করেন। এই প্রকল্পের অধীনে রয়েছেন অটোচালক, ট্যাক্সিচালক, ই-রিক্সাচালক ও অন্যান্য গণপরিবহণের চালকেরাও রয়েছেন। লকডাউনে গণপরিবহন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তাদের আর্থিক দুরাবস্থা দূর করতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে প্রশ্ন হল যে পরিযায়ী শ্রমিক বা দুস্থ মানুষদের কাছে স্মার্টফোন নেই তাঁরা এই প্রযুক্তি নির্ভর সুবিধা থেকে বঞ্চিতই থেকে যাবেন। তাঁরা কোনও অতিরিক্ত সুবিধা পাবেন না।

[আরও পড়ুন:ভুলের মাশুল! জোর করে জীবাণুনাশক খাইয়ে খুন উত্তরপ্রদেশের সাফাইকর্মীকে]

অন্যদিকে যাদের কাছে স্মার্টফোন রয়েছে তাঁরাও অর্থের অভাবে অনলাইন অ্যাপ ব্যাবহার করতে পারছেন না। কারণ দীর্ঘ লকডাউনের জেরে অনেকেই কাজ হারিয়ে গৃহবন্দি। ফলে স্মার্টফোন এখন পছন্দের তালিকা থেকে বেরিয়ে বেঁচে থাকার প্রাথমিক চাহিদাই গুরুত্ব পাচ্ছে রাজধানীর মানুষের কাছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.