Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
রাসেল

নাইট সংসারে ফের অশান্তির আঁচ, মরণ-বাঁচন ম্যাচের আগে বিস্ফোরক রাসেল

আজ হারলেই নিশ্চিত কেকেআরের ছিটকে যাওয়া।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৮, ২০১৯, ১১:৫৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৮, ২০১৯, ১১:৫৬

options
link
নাইট সংসারে ফের অশান্তির আঁচ, মরণ-বাঁচন ম্যাচের আগে বিস্ফোরক রাসেল zoom

আলাপন সাহা: আইপিএলে যে আগুনে মেজাজে ব্যাট করে যাচ্ছেন, তার চেয়ে ঢের বেশি আগুন ছড়ালেন শনিবার প্রেস কনফারেন্সে। কে? কে আবার, আন্দ্রে রাসেল।

[আরও পড়ুন: টানা ৬ ম্যাচে হার, আইপিএলে কার্যত শেষ নাইটদের অভিযান]

প্রশ্ন করা হয়েছিল বিপক্ষ টিমে জসপ্রিত বুমরাহ-লাসিথ মালিঙ্গাদের মতো বোলার রয়েছেন। এটা নিয়ে কিছু ভাবছেন? শুনে প্রশ্নকর্তার দিকে এমনভাবে তাকালেন, সাংবাদিক সম্মেলন না হলে কী হত বলা মুশকিল। আগুনে মেজাজে রাসেল বললেন, “ভয়-টয় আমি পাই না। বোলাররাই আমাকে ভয় পায়। ওরা বরং আমাকে নিয়ে ভাবুক। রবিবার প্রথম যে বলটা খেলব, সেটাই ছয় মারার চেষ্টা করব। এরকম তো নয় যে আউট হলে গেলে জীবন শেষ হয়ে যাবে। তাহলে ভয় পেতে যাব কেন? জানি বুমরাহ-মালিঙ্গা খুব ভাল বোলার। কিন্তু ওরাও মানুষ। খারাপ বল করতেই পারে। আর আমি সেই সুযোগটা নেব।”

Advertisement

মুম্বই অধিনায়ক রোহিত শর্মা প্রসঙ্গে রাসেল বললেন, “ইডেনে রোহিতের রেকর্ড খুব ভাল। তবে ক্রিকেটে সব কিছু হতে পারে। আমাদের চেষ্টা করতে হবে রোহিতকে তাড়াতাড়ি আউট করার।” বিরাট কোহলিদের বিরুদ্ধে ম্যাচের পরও সাংবাদিক সম্মেলনে এসেছিলেন রাসেল। আর নিজের ব্যাটিং অর্ডার নিয়ে এমন সব বিস্ফোরক কথা বলতে শুরু করেছিলেন যে, কেকেআর মিডিয়া ম্যানেজারকে তাড়াতাড়ি প্রেস কনফারেন্স শেষ করে দিতে হয়েছিল। শনিবারও ব্যাটিং-অর্ডার প্রসঙ্গ উঠল। রাসেল বললেন, “কোচের সঙ্গে কথা বলেছি। উনি বলেছেন টিমের যখন সবচেয়ে বেশি দরকার, তখনই আমাকে পাঠানো হবে। আমার কোনও স্থায়ী ব্যাটিং অর্ডার নেই। রবিবার একটু আগে ব্যাট করতে পারি। আবার যে পজিশনে এতদিন ব্যাট করছিলাম, সেখানেও নামতে পারি। পুরোটাই নির্ভর করবে পরিস্থিতির উপর।”

[আরও পড়ুনআরসিবির পোস্টে মেজাজ হারালেন দিন্দা, সোশ্যাল মিডিয়ায় কড়া জবাব পেসারের]

টানা ছ’ম্যাচে হারের পর রাসেল নিজে যে বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছেন, সেটা বারবার বোঝা যাচ্ছিল। বলছিলেন, “গত দু’দিন ঘর ছেড়ে কোথাও বেরোইনি। আমি এমন মানুষ নই যে হারের পরও এদিক-ওদিক হেঁটে বেড়াব। যেন সব কিছু ঠিক আছে। আমি হাফসেঞ্চুরি করলেও দল যদি হারে, ঘর ছেড়ে বেরোই না। শুধু টিভিতে আবেগ দেখালে হয় না। এটা নিজের ভেতরেও থাকা দরকার। যাই হোক, দল হিসাবে আমাদের কামব্যাক করতেই হবে। বিশ্বাস রাখতে হবে যে, আমরা পারব। টানা ছয় ম্যাচ হেরে ড্রেসিংরুমে ঢোকাটা খুব কঠিন। কিন্তু কাল যখন দড়ি পার করে মাঠে নামব, নিজের দেড়শো শতাংশ দেব।”

যা পরিস্থিতি তাতে প্লে অফের আশা কার্যত শেষ নাইটদের। রাসেল চাইছেন শেষ তিনটে ম্যাচ জিততে। তারপরেও বাকি টিমগুলোর দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে। রাসেল বলছিলেন, “আমাদের টিমটা বেশ ভাল। তবু বেশ কিছু খারাপ সিদ্ধান্ত আমাদের ভোগাচ্ছে। বোলারদের অনেক বেশি আঁটসাঁট বোলিং করতে হবে। রাজস্থান ম্যাচে ওই রানটা ডিফেন্ড করা উচিত ছিল। রাজস্থান ব্যাটিং সত্যিই খুব দুর্বল। ওদের বিরুদ্ধে যদি ১৭০ করে না জিততে পারি, তাহলে কঠিন টিমের বিরুদ্ধে অলৌকিক কিছু করতে হবে। আর একটা ব্যাপার। এখন পর্যন্ত টুর্নামেন্টে আমরাই সবচেয়ে খারাপ ফিল্ডিং করেছি।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.