Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬
বেটিং চক্র

আইপিএলে ৫০০ কোটি টাকার বেটিং চক্রের পর্দাফাঁস, চাঞ্চল্য ক্রিকেট মহলে

ওয়েবসাইটের মাধ্যমে চলত বেটিং চক্র।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২১, ২০১৯, ১৬:২৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২১, ২০১৯, ১৬:২৪

options
link
আইপিএলে ৫০০ কোটি টাকার বেটিং চক্রের পর্দাফাঁস, চাঞ্চল্য ক্রিকেট মহলে zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আইপিএলকে কেন্দ্র করে বড়সড় বেটিং চক্রের পর্দাফাঁস। ভোপাল পুলিশের তৎপরতায় প্রায় ৫০০ কোটি টাকার বেটিং চক্রের রহস্য উন্মোচিত হল। ধরা পড়ল গড়াপেটায় অভিযুক্ত তিন যুবক। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে ভোপাল পুলিশ।

[আরও পড়ুন: আইপিএলের প্লে-অফের দৌড়ে ইডেন, চেন্নাই থেকে সরতে পারে ফাইনাল]

আইপিএল শুরু হলেই বেটিং কারবারিদের পোয়াবারো শুরু হয়ে যায়। ক্রিকেটের এই উৎসবকে কেন্দ্র করে রীতিমতো জুয়ার আসর বসে সাট্টা বাজারগুলিতেও। ভারতে বেটিং অবশ্য আইনসম্মত নয়। কিন্তু তাতে কী, আড়ালে আবডালে রমরমিয়ে চলে গড়াপেটার ব্যবসা। এ বছরও ব্যতিক্রম নয়। আইপিএল শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ভোপালজুড়ে বড়সড় বেটিং চক্রের জাল বুনেছিল অভিযুক্তরা। অবশেষে পুলিশের তৎপরতায় তা নষ্ট হল।
দিন ১৫ আগেই খবর মিলেছিল গোয়েন্দা সূত্রে। তদন্তকারী সংস্থাগুলি জানিয়েছিল শহরে লুকিয়ে লুকিয়ে চলছে গড়াপেটার কারবার। সেই খবর অনুযায়ী শনিবার রাতে শহরের বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালায় পুলিশ। তল্লাশিতেই পর্দাফাঁস হয় বেটিং চক্রের। গ্রেপ্তার হয় চক্রের তিন পাণ্ডা। অভিযুক্তদের নাম নরেশ হেমনানি, জশপাল সিং এবং ভারত সোনি। উদ্ধার হয়েছে ১ কোটি টাকা। ঘটনাস্থল থেকে কয়েকটি ল্যাপটপ এবং মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: নাইট সংসারে অশান্তি! আরসিবির বিরুদ্ধে হারের পর বিস্ফোরক রাসেল]

তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, দুটি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে চলত বেটিং চক্রটি। যারা যারা বেটিং করতে ইচ্ছুক তাদের ছদ্মনাম ব্যবহার করতে হত। সেই ছদ্মনামেই টাকা ঢালা হত ম্যাচ এবং বলপিছু। এই ওয়েবসাইট দুটি হল, LIVE365.COM এবং Krishnaexchange.com।  পুলিশের পাশাপাশি আয়কর দপ্তরের আধিকারিকরাও গ্রেপ্তার হওয়া তিন অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। পুলিশের ধারণা, পুরো বেটিং চক্রটিতে প্রায় ৫০০ কোটি টাকার কারবার চলছে। পুরো চক্রটিতে হাজার হাজার যুবক যুক্ত রয়েছে বলে দাবি পুলিশের। সঠিক সময়ে, চক্রটির পর্দাফাঁস হওয়ায় এবার তদন্তে সুবিধা হবে বলে মনে করছে পুলিশ। ঘটনার সঙ্গে আর কারা কারা যুক্ত, তা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.