২ কার্তিক  ১৪২৬  রবিবার ২০ অক্টোবর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

দীপ দাশগুপ্ত: টানা চারটে ম্যাচ হারছে কেকেআর। ইদানীং এরকম হয়েছে বলে মনে করতে পারছি না। শুধু হার নয়, মনে হচ্ছে টিমের মধ্যে কোথাও একটা সমস্যা রয়েছে। আরসিবি ম্যাচের পর আন্দ্রে রাসেলের প্রেস কনফারেন্স দেখছিলাম। আন্দ্রে যথেষ্ট সিনিয়র ক্রিকেটার। জানে সাংবাদিক সম্মেলনে ঠিক কী বলতে হয়। যদি ব্যাটিং অর্ডার নিয়ে কোনও সমস্যা হয়, তাহলে ক্যাপ্টেনকে গিয়ে বলতে পারে। টিম ম্যানেজমেন্টকে জানাতে পারে। মিডিয়ার সামনে প্রকাশ্যে বলবে কেন? এই সব ঘটনা সত্যিই খুব চোখে লাগে।

[আরও পড়ুন: OMG! বারে বিক্রি হচ্ছে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের নামের বিয়ার!]

বিশেষ করে কেকেআরে এরকম কিছু হত না। অধিনায়ক যা বলত, বাকিরা অন্ধভাবে সেটা অনুসরণ করে যেত। জানি না এই মুহূর্তে কেকেকআর ড্রেসিংরুমে ঠিক কী চলছে। কিন্তু সব দেখে কোথাও মনে হচ্ছে টিমের মধ্যে সমস্যা রয়েছে। দ্রুত ওদের সেখান থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। রবিবার উপ্পলে হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে খেলা। এই ম্যাচে হার মানে প্লে অফ শুধু কঠিন হবে না, প্রবল অনিশ্চিতও হয়ে পড়বে। ব্যর্থতা কাটিয়ে উঠতে কেকেআরকে যা করতে হবে :

রাসেল নির্ভরতা কাটাতে হবে
কেকেআর টিম অতিরিক্ত রাসেল নির্ভর হয়ে পড়ছে। যে চারটে ম্যাচে জিতেছে এখনও পর্যন্ত তার তিনটেই একা জিতিয়েছে রাসেল। সবাই যেন ধরেই নিয়েছে, রাসেল নেমে ঠিক ম্যাচ বের করে দেবে। এখান থেকে বেরিয়ে আসতে হবে কেকেআরকে।

রবিনকে একটা ম্যাচে বসানো হোক
বেঙ্গালুরু ম্যাচে রবিন (উত্থাপ্পাকে) দেখে অবাক হয়ছি। ২১৪ রান তাড়া করতে নেমে যদি কেউ ২০ বলে ৯ রানে করে, চাপ এমনিই বেড়ে যাবে। ওকে পাঁচ নম্বরে নামানোর কারণ বুঝতে পারলাম না। হয় ওকে প্রথম তিনে খেলাও, না হলে বসিয়ে দাও। আমি বলব রবিনকে একটা ম্যাচে বসাক কেকেআর। একটু সাহসী সিদ্ধান্ত নিক। লিন-নারিন যেমন ওপেন করছে, করুক। তিনে শুভমান গিল। চার নম্বরে নীতীশ রানা। পাঁচ আর ছ’য়ে রাসেল—ডিকে। তারপর নিখিল নায়েক বা রিঙ্কু সিংয়ের মতো একজন খেলাক কেকেআর। সোজা কথায় টিম ম্যানেজমেন্টকে সাহসী সিদ্ধান্ত নিতে হবে। গৌতম গম্ভীরের সময়ে যেটা হত। গৌতম সবসময় সাহসী ক্রিকেট খেলত।

[আরও পড়ুন: নাইট সংসারে অশান্তি! আরসিবির বিরুদ্ধে হারের পর বিস্ফোরক রাসেল]

নেতিবাচক মাইন্ডসেট থেকে বেরিয়ে আসতে হবে
দীনেশ কার্তিকের কেকেআর আর গৌতম গম্ভীরের কেকেআরের মধ্যে সবচেয়ে বড় পার্থক্য হল মাইন্ডসেট। গম্ভীর অ্যাটিকিং ক্রিকেট খেলত। এই কেকেআর টিম তা করছে না। বেঙ্গালুরু ম্যাচে দেখছিলাম কুলদীপ অফ স্টাম্পের অনেক বাইরে বল করে যাচ্ছিল। কুলদীপ কেন রান আটকানোর বোলিং করবে? ও উইকেট নেওয়ার চেষ্টা করবে। ইন্ডিয়া টিমে সেটাই করে। জানি না এটা ওর নিজের সিদ্ধান্ত নাকি টিম ম্যানেজমেন্টের নির্দেশ। যদি নিজে থেকে তা করে, কার্তিকই বা কেন ওকে অ্যাটাকিং বোলিং করার কথা বলবে না? হায়দরাবাদ ম্যাচ জিততে গেলে প্রথম বল থেকে ক্রিকেট খেলতে হবে।

কেকেআরের প্লে-অফের অঙ্ক:
ম্যাচ খেলেছে ৯
ম্যাচ বাকি ৫

জয় ৪
হার ৫
জিততে হবে ৪
পয়েন্ট ৮
লিগ টেবলে ৬
সোজাসুজি হিসেবে প্লে অফ যেতে গেলে আটটা ম্যাচ জিততে হবে। সাতটা জিতলে তাকিয়ে থাকতে হবে বাকিদের দিকে। অ্যাওয়ে ম্যাচ বাকি:হায়দরাবাদ, কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব, মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। ঘরের মাঠে ম্যাচ বাকি:রাজস্থান রয়্যালস, মুম্বই ইন্ডিয়ান্স

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং