Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১৪ আগস্ট ২০২৬
CPM

খুনে নিম্ন আদালতে যাবজ্জীবন, প্রাক্তন বিধায়ক মনোরঞ্জন-সহ ৩ সিপিএম নেতা বেকসুর খালাস হাই কোর্টে

তৃণমূল কর্মী খুনে আদালত প্রাক্তন বিধায়ক তথা সিপিএমের বাঁকুড়া জেলা সম্পাদকমণ্ডলীর প্রাক্তন সদস্য মনোরঞ্জন পাত্রকে যাবজ্জীবন সাজা শুনিয়েছিল। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাই কোর্টে গিয়েছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন বিধায়ক ও অন্য দুই সাজাপ্রাপ্ত 'দোষী' সিপিএম নেতা। শেষপর্যন্ত হাই কোর্ট তিনজনকে ওই খুনের মামলায় বেকসুর খালাস করল।

টিটুন মল্লিক
টিটুন মল্লিক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৪, ২০২৬, ১৯:৫৮

link
টিটুন মল্লিক
টিটুন মল্লিক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৪, ২০২৬, ১৯:৫৮

options
link
খুনে নিম্ন আদালতে যাবজ্জীবন, প্রাক্তন বিধায়ক মনোরঞ্জন-সহ ৩ সিপিএম নেতা বেকসুর খালাস হাই কোর্টে zoom
৩ সিপিএম নেতা বেকসুর খালাস হাই কোর্টে। ছবি-সংগৃহীত
Advertisement

তৃণমূল কর্মী খুনে আদালত প্রাক্তন বিধায়ক তথা সিপিএমের বাঁকুড়া জেলা সম্পাদকমণ্ডলীর প্রাক্তন সদস্য মনোরঞ্জন পাত্রকে যাবজ্জীবন সাজা শুনিয়েছিল। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাই কোর্টে গিয়েছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন বিধায়ক ও অন্য দুই সাজাপ্রাপ্ত ‘দোষী’ সিপিএম নেতা। শেষপর্যন্ত হাই কোর্ট তিনজনকে ওই খুনের মামলায় বেকসুর খালাস করল। সিপিএমের প্রাক্তন বিধায়ক মনোরঞ্জন পাত্র, নেতা জিতেন পাত্র ও আজবাহার খানকে আজ, শুক্রবার মুক্ত করা হল। ন্যায়বিচার মিলল বলে জানিয়েছেন মনোরঞ্জন।

বাঁকুড়ার তালডাংরা বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক ছিলেন মনোরঞ্জন পাত্র। বাম আমলে ২০১০ সালের ২৯ জুন তালডাংরার রাজপুর গ্রামের তৃণমূল কর্মী মদন খান খুন হয়েছিলেন। অভিযোগ ছিল, বাড়িতে ঢুকে তাঁকে গুলি করে খুন করা হয়। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করে। ঘটনার পর দিন মৃত মদন খানের ছেলে ইসমাইল খান পর দিন তালডাংরা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। 

Advertisement

সিপিএম বিধায়ক মনোরঞ্জন পাত্রের বিরুদ্ধে এই খুনের অভিযোগ উঠেছিল। এছাড়াও বাঁকুড়ার সিপিএম নেতা জিতেন পাত্র ও আজবাহার খান-সহ ২১ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। বিধাননগরের এমপি-এমএলএ আদালতে ওই মামলা উঠেছিল।

সেইসময়ের সিপিএম বিধায়ক মনোরঞ্জন পাত্রের বিরুদ্ধে এই খুনের অভিযোগ উঠেছিল। এছাড়াও বাঁকুড়ার সিপিএম নেতা জিতেন পাত্র ও আজবাহার খান-সহ ২১ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। বিধাননগরের এমপি-এমএলএ আদালতে ওই মামলা উঠেছিল। ২০১১ সালে রাজ্যে ক্ষমতা বদলে তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতা এসেছিল। জামিনে মুক্ত ছিলেন মনোরঞ্জন। ওই খুনের ঘটনার এক দশকেরও বেশি সময় পরে ২২ সালে মামলার সাজা শুনিয়েছিল বিধাননগর আদালত। বাঁকুড়া জেলা সম্পাদকমণ্ডলীর প্রাক্তন সদস্য মনোরঞ্জন পাত্র, পার্টি নেতা জিতেন পাত্র ও আজবাহার খানকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড শোনান বিচারক।

সেই মামলায় দোষীদের গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। এদিকে ওই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন ওই তিন সিপিএম নেতা। জামিনে মুক্ত হন সিপিএমের প্রাক্তন বিধায়ক। হাই কোর্টে এই মামলার শুনানি চলতে থাকে। তথ্যপ্রমাণ ও সাক্ষ্যদের বয়ানের উপর ভিত্তি করে আদালত শেষপর্যন্ত তিনজনকেই নির্দোষ ঘোষণা করল। বিচারপতি দেবাংশু বসাকের এজলাসে এই মামলার শুনানি চলে। আজ, শুক্রবার তাঁদের তিনজনকেই বেকসুর খালাস করা হল।

এদিন তিনজনই আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় শোনার পর মনোরঞ্জন বলেন, “প্রথম থেকেই আমরা বলেছি, মামলা মিথ্যা। আজ আদালতের রায়ে সত্য প্রতিষ্ঠিত হল।” জিতেন বলেন, “দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পরে ন্যায়বিচার পেলাম।” আজবাহারের কথায়, ‘‘জেলে থাকার যন্ত্রণা আজ শেষ হল। হাই কোর্টের রায়ে আমরা স্বস্তি পেলাম।” রায়ের কথা শুনে খুশি বাঁকুড়া জেলা সিপিএম নেতৃত্বদের।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.