Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
নিউ মার্কেট

ব্যবসায়ীর শরীরে করোনার থাবা, সংক্রমণের আশঙ্কায় বন্ধ নিউ মার্কেটের একাংশ

উপসর্গহীন কোনও ক্রেতার সংস্পর্শে আসায় সংক্রমণ, দাবি আক্রান্ত ব্যবসায়ীর।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১১, ২০২০, ১৪:৪২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১১, ২০২০, ১৪:৪২

options
link
ব্যবসায়ীর শরীরে করোনার থাবা, সংক্রমণের আশঙ্কায় বন্ধ নিউ মার্কেটের একাংশ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আনলক ওয়ানে সদ্যই একটু একটু করে স্বাভাবিক ছন্দে ফিরছে তিলোত্তমা। খুলছে দোকানপাট। শুরু হয়েছে নিউ মার্কেটে কেনাবেচা। অথচ তারই মাঝে ফের আশঙ্কার খবর। নিউ মার্কেটের এক ব্যবসায়ী করোনা আক্রান্ত। তার ফলে আপাতত নিউ মার্কেটের একাংশ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। চলছে জীবাণুমুক্ত করার কাজও।

বুধবার সন্ধেয় হগ মার্কেট ব্যবসায়ী সংগঠনের সদস্যরা জানতে পারেন, একজন ব্যবসায়ী করোনা আক্রান্ত। তাঁর হগ মার্কেট দুধ এবং দুধজাতীয় জিনিসপত্র বিক্রির একটি দোকান রয়েছে। দোকানে আসা উপসর্গহীন কোনও ক্রেতার মাধ্যমেই তাঁর শরীরে করোনা সংক্রমিত হয়েছে বলেই দাবি আক্রান্ত ব্যবসায়ীর। তাঁর দাবি, গত সপ্তাহ থেকে গায়ে হালকা জ্বর ছিল তাঁর। সঙ্গে গলা খুশখুশ। তবে প্রথমে ওই উপসর্গ দেখে আমল দেননি তিনি। আচমকাই শ্বাসকষ্ট হতে শুরু করে তাঁর। একটি বেসরকারি হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ দেন। তিনিই পরীক্ষা করানোর পরামর্শ দেন। রিপোর্ট হাতে আসার পরই জানা যায় তিনি করোনা আক্রান্ত।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘সোনার বাংলা কি বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙা দিয়ে শুরু হবে?’, শাহকে তোপ পার্থর]

করোনা সংক্রমণের খবর জানার পরই ব্যবসায়ী সংগঠনের তরফে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় সুরক্ষার স্বার্থে ই ব্লক এবং ই(এন) ব্লক বন্ধ রাখা হয়েছে। সাধারণত হগ মার্কেটের ই ব্লকের কেক জাতীয় খাবারদাবার বিক্রি হয়। ই(এন) ব্লকে বিভিন্ন ধরনের নুডলস পাওয়া যায়। এতদিন দোকান বন্ধ থাকার পর সদ্যই খুলেছিল দোকানপাট। ব্যবসায়ীরা জানান, অল্প হলেও বিক্রিবাটা শুরু হয়েছিল। তবে আবার করোনা সংক্রমণের জন্য দোকান বন্ধ হয়ে যাওয়াও কিছুটা খারাপ লাগছে বলেই জানান সিল করে দেওয়া ব্লকের এক দোকান মালিক। আবার কেউ কেউ বলছেন, একজন ব্যবসায়ীর জন্য পরপর দু’টি ব্লক সিল করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত সঠিক নয়। যদিও ২১ দিন পর আবার কেউ করোনা আক্রান্ত হন, তবে কি এভাবেই দোকান বন্ধ থাকবে? বিরক্তির সুরে সেই প্রশ্নও করে বসেন তিনি।

নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী আপাতত ওই দু’টি ব্লককে কনটেনমেন্ট জোন করে দেওয়া হয়েছে। কলকাতা পুরসভার তরফে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই ওই এলাকায় জীবাণুমুক্তকরণের কাজ শুরু হয়েছে।

[আরও পড়ুন: সব্যসাচী দত্তকে হেনস্তার প্রতিবাদে বিজেপির কর্মসূচিতে পুলিশি বাধা, তুমুল উত্তেজনা সল্টলেকে]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.