৪ শ্রাবণ  ১৪২৬  শনিবার ২০ জুলাই ২০১৯ 

Menu Logo বিলেতে বিশ্বযুদ্ধ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রক্ষকই ভক্ষক! দেশজুড়ে ধর্ষণের ঘটনায় যখন পুলিশের উপরেই সমস্যা সমাধানে আস্থা রাখছেন সাধারণ মানুষ, সেখানে পুলিশের বিরুদ্ধেই উঠল ধর্ষণের অভিযোগ। এক মহিলা সিভিক ভলান্টিয়ারকে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে দিনের পর দিন এক কনস্টেবল ধর্ষণ করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে কলকাতা শহরেই। যদিও ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।

অভিযুক্তের নাম অশোক কুমার মারজিত। টালিগঞ্জ ট্রাফিক গার্ডে কাজ করেন তিনি। নির্যাতিতা জানিয়েছেন, তিনি সিভিক ভলান্টিয়ার। পেশার খাতিরেই কনস্টেবল অশোকের সঙ্গে তাঁর আলাপ। ক্রমে তাঁদের পরিচয় ঘনিষ্ঠতার দিকে গড়ায়। অশোক তাঁকে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। সিভিক ভলান্টিয়ারের চেয়ে কনস্টেবলের চাকরি অনেকটাই থেকেই ভাল। বেতন, সম্মান যেমন বেশি, তেমনই  নিরাপত্তাও অপেক্ষাকৃত বেশি। ফলে চাকরির টোপ সহজেই গিলে ফেলেন নির্যাতিতা। অভিযোগ, চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে ওই মহিলাকে দিনের পর দিন ধর্ষণ করেছেন অভিযুক্ত কনস্টেবল।

[ আরও পড়ুন: ক্যামেরাবন্দি বন্যপ্রাণ, সতর্কতার পাঠ দেবেন ধৃতিমান-‘শের’ ]

নির্যাতিতা এও অভিযোগ করেছেন, শুধু চাকরির নামে প্রতারণা নয়, তাঁকে বিয়ে করারও প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন অশোক কুমার। কিন্তু বহুদিন হয়ে গেলেও তাঁদের সম্পর্ক বিয়ে পর্যন্ত গড়ায়নি। তাই শেষ পর্যন্ত নির্যাতিতা নিজেই জোর করতে থাকেন। তখন জানা যায় অশোক বিবাহিত। তাই তার বিয়ে করা সম্ভব নয়। এই ঘটনার পরই পুলিশের দ্বারস্থ হন নির্যাতিতা।

তবে তাঁর অভিযোগপত্র প্রথমে গ্রহণ করেনি পুলিশ। অভিযোগ, প্রথমে তিনি সরশুনা থানায় কনস্টেবল অশোক কুমার মারজিতের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে গিয়েছিলেন। কিন্তু সেখানে তাঁর অভিযোগ নেওয়া হয়নি। পরে বেহালা মহিলা থানায় যান তিনি। সেখানেও টাকা নিয়ে বিষয়টি মিটিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয় বলে দাবি নির্যাতিতার৷ এরপর পুলিশের পদস্থ কর্তাদের কাছে অভিযোগ জানান নির্যাতিতা। শেষ পর্যন্ত জয়েন্ট সিপি ও ডিসি সাউথের কাছে অভিযোগ জানান তিনি। তবে এখনও অভিযুক্তকে আটক বা গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, অভিযুক্ত অশোক কুমার মারজিত পলাতক। নির্যাতিতার আশঙ্কা, যেহেতু ঘটনায় পুলিশ কনস্টেবলই জড়িত, তাই তিনি যথাযথ বিচার নাও পেতে পারেন৷

                     [ আরও পড়ুন: বিধবার উদ্দাম প্রেমে বাধা, ছেলেকে ট্রেনের সামনে ফেলে খুন মায়ের প্রেমিকের! ]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং