অর্ণব আাইচ: লকডাউনে রাস্তায় কোনও গাড়ি নেই। নেই অ্যাম্বুল্যান্সও। তাই এক হাসপাতাল ফেরানোয় অটো করেই প্রসূতিকে নিয়ে অন্য হাসপাতালের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিলেন পরিবারের লোকেরা। কিন্ত সেখানেই পৌঁছনোর আগেই অটোয় পুত্র সন্তানের জন্ম দিলেন মহিলা। তাঁদের দিকে সহযোগিতার হাত বাড়ালেন কলকাতা পুলিশের আধিকারিকরা।
জানা গিয়েছে, বুধবার কসবার রাজডাঙা এলাকার বাসিন্দা ওই গৃহবধূ প্রসব যন্ত্রণা অনুভব করেন। দক্ষিণ কলকাতার যে হাসপাতালে তিনি গত কয়েক মাস ধরে দেখাচ্ছিলেন, সেখানে তাঁকে নিয়ে গেলে ভরতির ক্ষেত্রে বেশ কিছু সমস্যা দেখা দেয়। এই অবস্থায় প্রসূতিকে বিজন সেতুর কাছে নিয়ে আসতেই প্রসব যন্ত্রণা প্রবল হয়। অবস্থা বুঝে চালক অটোটি রাস্তার এক পাশে দাঁড় করিয়ে দেন।
[আরও পড়ুন: করোনা আবহের মাঝেই খাতা দেখা শেষ, জুনের মাঝামাঝি প্রকাশিত হবে মাধ্যমিকের ফল]
সেখানেই অটোর মধ্যে পুত্রসন্তানের জন্ম দেন ওই মহিলা। কী করবেন বুঝতে না পেরে পরিবারের লোকেরা ১০০ ডায়ালে ফোন করেন। পুলিশ জানিয়েছে, লালবাজারের পক্ষ থেকে গড়িয়াহাট থানাকে সতর্ক করা হয়। থানার ডিউটি অফিসার ও কাছেই কর্তব্যরত ট্রাফিক সার্জেন্ট সেখানে পৌঁছন। ওই অবস্থায় ফার্ন রোডের একটি নার্সিংহোমে প্রসূতি ও সদ্যোজাতকে নিয়ে যাওয়া হয়। পুলিশের সহযোগিতায় সেখানেই ভরতি করা হয় ওই মহিলা ও সদ্যোজাতকে। মা ও ছেলে সুস্থ আছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
[আরও পড়ুন: খোদ কলকাতা হাই কোর্টের অন্দরে এবার করোনা আতঙ্ক, বন্ধ বিশেষ বেঞ্চগুলিও]
সর্বশেষ খবর
-
মাথার দাম ১ কোটি, বঙ্গেই গা ঢাকা! মদনকে জেরায় মাওবাদী নেতা আকাশের তথ্য পেল পুলিশ
-
ভবানীপুরে বিজেপি কর্মীকে মারধর, মাকে শ্লীলতাহানি! পুলিশের জালে তৃণমূল নেতা
-
‘টোটো অবৈধ, এ বার ই-রিকশা’, ঘোষণা পরিবহণমন্ত্রী অর্জুন সিংয়ের
-
বিচ্যুতি দেখলেই ‘অ্যাকশন’, ‘তোলাবাজ’ ধরতে জেলা পর্যবেক্ষকদের গুরুদায়িত্ব শমীকের!
-
যশের দ্বৈত চরিত্রে ঘায়েল দর্শক, ‘টক্সিক’-এর ট্রেলারে উঠে এল নয়ের দশকের অন্ধকার জগৎ