সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: চোখের সামনে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়েছে বাড়ি। এখনও টাটকা সেই স্মৃতি। এরই মধ্যে নতুন করে ফাটল দেখা দিল বউবাজারের আরও পাঁচটি বাড়িতে।আগেই বিবি গাঙ্গুলি স্ট্রিটের ওই বাড়িগুলি খালি করার নির্দেশ দিয়েছিল কেএমআরসিএল। এর মধ্যে রয়েছে রাজ্যের পরিষদীয় মন্ত্রী তাপস রায়ের ফ্ল্যাটটিও।
[আরও পড়ুন: বিদেশ থেকে রাজ্যে বেআইনিভাবে ‘সেক্স টয়’ আমদানি, বেহালা থেকে ধৃত তিন]
ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো প্রকল্পের কাজের জেরে বউবাজারে একের পর এক ভেঙে পড়েছে বাড়ি। দুর্ঘটনা এড়াতে তড়িঘড়ি সরিয়ে ফেলা হয়েছে এলাকার বাসিন্দাদের। বিপজ্জনক বাড়িগুলিকে শনাক্ত করে সেগুলিকেও ফাঁকা করা হয়েছে। বাসিন্দাদের হোটেলে রাখাও ব্যবস্থা করা হয়েছে মেট্রো কর্তৃপক্ষের তরফে। কেএমআরসিলের তরফে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে আরও ২৭ টি বাড়ি ভেঙে ফেলার। পুজোর আগেই তাঁদের নতুন বাড়ি দেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে। এরই মধ্যে নতুন করে আরও পাঁচটি বাড়িতে ফাটল দেখা দিয়েছে বলে সূত্রের খবর। জানা গিয়েছে, ৯২ সি, ৯৩ / ১ এ, ১০৫, ১০৩ এবং ১০৬ নম্বর বাড়িতে ফাটল দেখা দিয়েছে। এর মধ্যে ১০৫ নম্বর আবাসনটি পরিষদীয় মন্ত্রী তাপস রায়ের। কি হবে সেই আতঙ্কে আবাসনগুলির বাসিন্দারা।
প্রসঙ্গ, দুর্ঘটনার আশঙ্কা করে আগেই তাপস রায়ের আবাসন ফাঁকা করার নির্দেশ দিয়েছিল মেট্রো কর্তৃপক্ষ। সেই থেকেই হোটেলে থাকতে শুরু করেন বাসিন্দারা। জানা গিয়েছে, বাড়ি খালি করার পর বাড়ির পরিস্থিতি জানতে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় এবং শিবপুর বেসুর অধ্যাপকদের নিয়ে এক বিশেষজ্ঞ কমিটি তৈরি করে কেএমআরসিএল। চলতি সপ্তাহে সেই কেএমআরসিএলকে রিপোর্ট জমা দেয় ওই কমিটি। সেই রিপোর্টে বলা হয়েছে, বিবি গাঙ্গুলি স্ট্রিটের এই ৫ টি বাড়ি বিপন্মুক্ত। সেই থেকে আশায় বুক বাঁধছিলেন বাসিন্দারা। কিন্তু ইতিবাচক রিপোর্ট মেলার পর ফের ফাটল দেখা দেওয়ায় উদ্বিগ্ন বাসিন্দারা।
[আরও পড়ুন: ‘যাদবপুর কাণ্ডের দায় বাবুলের’, অভিযোগ তুলে আন্দোলনের ডাক SFI-এর]
সর্বশেষ খবর
-
রাতে কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে দুর্ঘটনা, নিউটাউনে দু’টি বাইকের সংঘর্ষে মৃত্যু নিরাপত্তারক্ষীর
-
দিনের পর দিন টাট্টু ঘোড়ার সঙ্গে যৌনতা! জেলে ব্রিটিশ কিশোর
-
রাজ্যবাসীকে ‘ফেস্টিভ প্যাকেজ’ উপহার খাদ্যমন্ত্রীর! ৫০ শতাংশ ছাড়ে মিলবে রেশন সামগ্রী
-
খুদে দুর্গা গড়েই চমক! দেশ-বিদেশে পাড়ি কৃষ্ণনগরের কৃশানুর অভিনব শিল্পকর্ম
-
‘তার মানে বিচার হবে’, অভয়া সৎকার মামলা সিবিআইয়ের হাতে যাওয়ার পর বললেন মা রত্না