Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২ আশ্বিন ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Pradhan Mantri Fasal Bima Yojana

প্রধানমন্ত্রী ফসল বিমা যোজনার নথিভুক্তিকরণে দ্বিতীয় বাংলা, বিমা সংস্থাগুলিকে কী নির্দেশ রাজ্যের?

১৫ সেপ্টেম্বর রাজ্যজুড়ে কৃষকদের নাম নথিভুক্ত করা হয়েছে। বন্যাপীড়িত জেলাগুলিতেও কৃষকদের নাম উল্লেখযোগ্যভাবে নথিভুক্ত হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুরে ৭.২৩ লক্ষ কৃষক। পশ্চিম মেদিনীপুরে ৪.৭৩ লক্ষ কৃষক। হুগলিতে ১.৬৮ লক্ষ কৃষক। ঝাড়গ্রামে ৪২ হাজার কৃষক।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬, ১৪:৩৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬, ১৪:৩৯

options
link
প্রধানমন্ত্রী ফসল বিমা যোজনার নথিভুক্তিকরণে দ্বিতীয় বাংলা, বিমা সংস্থাগুলিকে কী নির্দেশ রাজ্যের? zoom
Advertisement

প্রধানমন্ত্রী ফসল বিমা যোজনায় কৃষকদের নথিভুক্তকরণে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এল বঙ্গ। বন্যা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের পরিস্থিতিতে কৃষকদের প্রিমিয়ামের সিংহভাগ রাজ্য সরকার নিজের বাজেট থেকেই বহন করছে। ৩২ লক্ষ কৃষককে এই বিমার আত্তয়াত আনা হয়েছে। পাশাপাশি আগস্ট মাসের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দ্রুত ক্ষতিপূরণ পৌঁছে দিতে বিমা সংস্থাগুলিকে অবিলম্বে মূল্যায়ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শনিবার সকালে পোস্ট করে এ কথা নিজে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

১৫ সেপ্টেম্বর রাজ্যজুড়ে কৃষকদের নাম নথিভুক্ত করা হয়েছে। বন্যাপীড়িত জেলাগুলিতেও কৃষকদের নাম উল্লেখযোগ্যভাবে নথিভুক্ত হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুরে ৭.২৩ লক্ষ কৃষক। পশ্চিম মেদিনীপুরে ৪.৭৩ লক্ষ কৃষক। হুগলিতে ১.৬৮ লক্ষ কৃষক। ঝাড়গ্রামে ৪২ হাজার কৃষক। প্রধানমন্ত্রী ফসল বিমা যোজনায় নাম নথিভুক্ত করেছেন। বন্যাদুর্গত এলাকার কৃষকদের সুবিধার্থে আগস্ট থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রতিটি গ্রাম পঞ্চায়েত স্তরে বিশেষ শিবিরের আয়োজন করা হয়েছিল।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আরও জানিয়েছেন, এ ছাড়া কৃষকদের খরচের বোঝা কমাতে প্রদেয় প্রিমিয়ামের সিংহভাগ রাজ্য সরকার নিজের বাজেট থেকেই বহন করছে। ১ হেক্টর (২.৫০ একর) পর্যন্ত জমির জন্য কৃষকদের দিতে হচ্ছে মাত্র ১ টাকার প্রতীকী অর্থ। ১ থেকে ২ হেক্টর জমির মালিক কৃষকদের দিতে হচ্ছে একর প্রতি ১০০ টাকা। অবশিষ্ট প্রিমিয়ামের অর্থ রাজ্য সরকার প্রদান করছে। অন্যদিকে, আগস্ট মাসের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দ্রুত ক্ষতিপূরণ পৌঁছে দিতে বিমা সংস্থাগুলিকে অবিলম্বে ‘মিড-সিজন অ্যাডভার্সিটি’ মূল্যায়নেক কথা বলা হয়েছে। এ ছাড়া ব্যাঙ্কগুলির মাধ্যমে ঋণগ্রহীতা কৃষকদের নথিভুক্ত করার শেষ সময়সীমা ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘বন্যা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের এই কঠিন পরিস্থিতিতে আমাদের কৃষকদের পাশে দাঁড়ানোই সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার। ২০১৯-২০ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার প্রধানমন্ত্রী ফসল বীমা যোজনা প্রকল্পে কৃষকদের নথিভুক্তিকরণের প্রক্রিয়া বন্ধ করে দিয়েছিল। যার ফলে পশ্চিমবঙ্গের কৃষকেরা দীর্ঘদিন ন্যায্য সুরক্ষা থেকে বঞ্চিত ছিলেন। তবে রাজ্যে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর কৃষকদের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পুনরায় এই শস্যবিমা সুবিধা চালু করা হয়েছে।”

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.