Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
গড়িয়া শ্মশান কাণ্ড

গড়িয়া শ্মশান কাণ্ডে স্মারকলিপি জমা নিয়ে পুলিশ-বিজেপি খণ্ডযুদ্ধ, গ্রেপ্তার সৌমিত্র-অর্জুন

পুলিশের গাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর চালায় বিজেপি মহিলা মোর্চার কর্মী সমর্থকরা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৭, ২০২০, ১৭:০৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৭, ২০২০, ১৭:০৯

options
link
গড়িয়া শ্মশান কাণ্ডে স্মারকলিপি জমা নিয়ে পুলিশ-বিজেপি খণ্ডযুদ্ধ, গ্রেপ্তার সৌমিত্র-অর্জুন zoom

রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়: গড়িয়া শ্মশান কাণ্ডের প্রতিবাদে স্মারকলিপি জমা দেওয়া নিয়ে বাঁশদ্রোণীতে ধুন্ধুমার।  থানার বেশ কিছুটা আগেই পুলিশি বাধার মুখে পড়েন রাজ্য  বিজেপির যুব মোর্চার সভাপতি সৌমিত্র খাঁ (Saumitra Khan) এবং বারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিং (Arjun Singh)। পুলিশের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন তাঁরা। ধস্তাধস্তিও হয়। গ্রেপ্তার করা হয় সৌমিত্র খাঁ এবং অর্জুন সিংকে। প্রতিবাদে পুলিশের গাড়িতেও ভাঙচুর চালায় বিজেপির মহিলা মোর্চার কর্মী সমর্থকরা।

দিনকয়েক আগে গড়িয়া (Garia) শ্মশানের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়ে যায়। যাতে দেখা যায় একটি গাড়ি থেকে নামিয়ে লোহার শিকের সাহায্যে অমানবিকভাবে পচাগলা দেহ টেনে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এছাড়াও শ্মশানের সামনে দাঁড় করানো গাড়িতে আরও বেশ কয়েকটি দেহ ছিল। ওই দেহগুলি করোনা রোগীর বলেই অভিযোগ স্থানীয়দের। এলাকাবাসীর বিরোধিতায় শেষ পর্যন্ত দেহগুলি দাহ করাও সম্ভব হয়নি। যদিও এই প্রসঙ্গে কলকাতা পুরসভা এবং সর্বোপরি স্বরাষ্ট্র দপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে দেহগুলি করোনা আক্রান্তের নয়। দাবিদাওয়াহীন দেহগুলি দাহ করা হচ্ছিল শ্মশানে। তবে তা সত্ত্বেও নবান্ন এবং রাজভবনের মধ্যে বারবার চলেছে টুইট যুদ্ধ। এই ভিডিওকে হাতিয়ার করেই ময়দানে নেমেছে বিজেপিও। 

Advertisement

[আরও পড়ুন: বলিউডের ছায়া টলিউডে! ফেসবুকে পোস্ট করে আত্মহত্যার চেষ্টা চিত্রনাট্যকারের]

ওই শ্মশান কাণ্ডের প্রতিবাদেই বুধবার বাঁশদ্রোণী থানায় বিজেপি কর্মীদের স্মারকলিপি জমা দেওয়ার কথা ছিল। সেই অনুযায়ী বিজেপি যুব মোর্চার সভাপতি সৌমিত্র খাঁ এবং বারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিং নেতাকর্মীদের নিয়ে বাঁশদ্রোণী থানায় আসছিলেন। অভিযোগ, পথে বিজেপি নেতাকর্মীদের আটকে দেয় পুলিশ। কেন থানায় যাওয়া যাবে না, সেই প্রশ্ন তুলে পুলিশের সঙ্গে বিবাদে জড়িয়ে পড়েন সৌমিত্র খাঁ এবং অর্জুন সিংরা। শুরু হয় কথা কাটাকাটি। এরপর পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়েন তাঁরা। কিছুক্ষণের মধ্যেই পুলিশ সৌমিত্র খাঁ এবং অর্জুন সিংকে গ্রেপ্তার করে।

Soumitra-Khan

তার প্রতিবাদে পুলিশের গাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর চালায় বিজেপির মহিলা মোর্চার কর্মী সমর্থকরা।বিজেপির কেন্দ্রীয় সম্পাদক সৌরভ শিকদার বলেন, “পুলিশ যুব মোর্চার কর্মীদের উপর নির্বিচারে লাঠিচার্জ করেছে। পাঁচজন থানায় স্মারকলিপি জমা দিতে যাবে বলেই জানিয়েছিলাম আমরা। সেকথাও শোনেনি পুলিশ।”  যদিও পুলিশের পালটা দাবি, করোনা পরিস্থিতিতে জমায়েতে বাধা দেওয়ায় অযথা অশান্তি করেছে গেরুয়া শিবির।

[আরও পড়ুন: নবান্নে ফের করোনার থাবা, এবার আক্রান্ত এক ঠিকা সাফাইকর্মী]  

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.