Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
সুজিত বসু

দীর্ঘদিনের বৈরিতা ভুলিয়ে দিল একটা ফোন, করোনা আক্রান্ত সুজিতের খোঁজ নিলেন সব্যসাচী

দুর্দিনে ভাঙা সম্পর্ক জোড়া লাগল কি?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৩, ২০২০, ১৩:৫৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৩, ২০২০, ১৩:৫৯

options
link
দীর্ঘদিনের বৈরিতা ভুলিয়ে দিল একটা ফোন, করোনা আক্রান্ত সুজিতের খোঁজ নিলেন সব্যসাচী zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বহুদিনের বৈরিতা ভুলিয়ে দিল শুধু একটা ফোন। ‘Get Well Soon’ এই তিনটে শব্দেই ঘুচল বহুদিনের তিক্ততা। করোনাক্রান্ত মন্ত্রী সুজিত বসুকে ফোন করে সুস্থতা কামনা করলেন বিজেপি নেতা সব্যসাচী দত্ত। একদা রাজনৈতিক সহকর্মী হলেও বিধাননগরে দুজনের মধ্যে আদায় কাঁচকলা সম্পর্ক নিয়ে ওয়াকিবহাল সবাই। যার জেরে মাঝেমধ্যেই দত্তাবাদ, লেকটাউন অঞ্চলে দুই নেতার অনুগামীদের মধ্যে দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে আসত। দলনেত্রীকেও একসময় মাঠে নামতে হয় দুজনকে সামাল দিতে। তবে সময় পালটেছে। দুজন দুই দলের নেতা। কিন্তু বৈরিতা ভুলে সেই প্রতিদ্বন্দ্বীকেই ফোন করে স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন বিধাননগরের প্রাক্তন মেয়র।

নতুন পদ পাওয়ার পরে মঙ্গলবারই বিজেপির রাজ্য দপ্তরে গিয়েছিলেন সব্যসাচী। সেখানে পৌঁছে সুজিত বসুকে ফোন করেন সব্যসাচী। বিকেলের দিকে ফোন করলেও সুজিত বসু কল রিসিভ করেননি প্রথমে। তখন টেক্সট মেসেজে পুরনো সহকর্মীকে ‘গেট ওয়েল সুন’ মেসেজ পাঠান। কিন্তু কিছুক্ষণ পরেই সবাইকে অবাক করে কল ব্যাক করেন সুজিত বসু। বেশ কিছুক্ষণ কথা হয় দুজনের মধ্যে। তারপর সব্যসাচী জানতে চান, ‘বউদি কেমন আছেন?’ মন্ত্রীর ছেলের বিষয়েও খোঁজ নেন। তখনই জানতে পারেন মন্ত্রীর ছেলের টেস্ট রিপোর্টও পজিটিভ এসেছে। যদিও কেউই গুরুতর অসুস্থ নন। প্রত্যেকেই উপসর্গহীন।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘বাংলার কোয়ারেন্টাইন সেন্টারগুলি মৃত্যুর আঁতুরঘর’, নতুন পদ পেয়েই রাজ্যকে বিঁধলেন সায়ন্তন]

প্রসঙ্গত, বিধানননগরের মেয়র থাকাকালীনই বিদ্রোহ করেছিলেন সব্যসাচী দত্ত। সুজিত বসুকে মন্ত্রী করতেই ভিতরে ভিতরে অভিমান জন্মেছিল। শেষপর্যন্ত মেয়র পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে গেরুয়া শিবিরের পতাকা ধরেন সব্যসাচী। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক গুরু মুকুল রায়ের হাত ধরে। কিন্তু সুজিতের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা রয়ে গিয়েছে রাজারহাট-নিউটাউনের বিধায়কের। তবুও বৈরিতা ভুলে প্রতিদ্বন্দ্বীর শরীরের খোঁজ নিলেন। একসময় যাঁর সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন হয়েছিল। দুর্দিনে তাঁর সঙ্গেই আবার যোগাযোগ জুড়ল। রাজনীতি ক্লিষ্ট বাংলায় এ এক সুন্দর দৃষ্টান্ত বইকি!

[আরও পড়ুন: লকডাউনের মধ্যেই তৈরি বিজেপির রাজ্য কমিটি, মহিলা মোর্চায় অগ্নিমিত্রা ও যুবর দায়িত্বে সৌমিত্র খাঁ]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.