Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Dilip Ghosh

‘খেলা-মেলা-লীলা দিদির দায়িত্ব’, কর্মসংস্থান নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে বেনজির আক্রমণ দিলীপের

'ঢপের চপ খেয়ে পেট ফুলে গেল', কটাক্ষ রাজ্য বিজেপি সভাপতির।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৩, ২০২০, ১৮:২৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৩, ২০২০, ১৮:২৩

options
link
‘খেলা-মেলা-লীলা দিদির দায়িত্ব’, কর্মসংস্থান নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে বেনজির আক্রমণ দিলীপের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রাজ্যে কর্মসংস্থানের খতিয়ান প্রায়শয়ই তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। আর সেই খতিয়ানকে হাতিয়ার করেই বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজ্য সরকারকে তোপ দাগলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। বাংলায় কারখানা উদ্বোধনের পরিবর্তে শুধু মেলা হচ্ছে বলে কটাক্ষ তাঁর। বহিরাগত ইস্যুতেও চড়ালেন সুর।

এদিন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) বলেন, “আমি নিউটাউনে থাকি। রোজ প্রাতঃভ্রমণে বেরোই। একদিন ভাবলাম সিলিকন ভ্যালিতে যাই। গিয়ে দেখলাম সেখানে উলটে পড়ে রয়েছে দিদিমণির কাট আউট। ঘাস হয়ে রয়েছে। ছাগল চড়ছে। ঢপের চপ খেয়ে খেয়ে আমাদের পেট ফুলে গেল দিদিমণি। আর কবে হবে? আপনার কথা কেউ বিশ্বাস করে না। দুর্গাপুজো, কালীপুজো, মেলার উদ্বোধন হয়। কারখানার উদ্বোধন করেছেন? খেলা, মেলা, লীলা দিদির দায়িত্ব।” সাংসদ তথা বিজেপি রাজ্য সভাপতিকে এর আগে ভাইরাস বলে কটাক্ষ করেছেন বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। তবে এবার ভাইরাসের পালটা হিসাবে ঘাসফুল শিবিরকে মহামারীর সঙ্গে তুলনা করলেন দিলীপ ঘোষ। তাঁর কথায়, “২০২০ শেষ হলে করোনা আর তৃণমূল দুই মহামারীই যাবে।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘জয় হিন্দ’ সেতু তৈরিতে রাজ্যের টাকা ফেরতের দাবি, উদ্বোধনেও রেলকে কটাক্ষ মুখ্যমন্ত্রীর]

বহিরাগত ইস্যুতে বারবার সুর চড়িয়েছে ঘাসফুল শিবির। খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও এই অভিযোগ সরব। আরও একবার সেই তত্ত্বকে খারিজ করে তৃণমূলের (TMC) বিরুদ্ধে জোরাল আক্রমণ শানালেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি। দিলীপ ঘোষের মতে, যদি বিজেপি নেতারা বহিরাগত হন তাহলে ভোটকৌশলী প্রশান্ত কিশোর এবং অভিনেতা তথা বাংলার ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডার শাহরুখ খান বহিরাগত নন কেন? বিজেপি রাজ্য সভাপতি বারবার একই প্রশ্ন তৃণমূলের দিকে ছুঁড়ে দিলেও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। বালিগঞ্জের সভা থেকে আবারও নাম না করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভাইপো বলে কটাক্ষ করেন তিনি। ‘ভাইপো’ হয়েও কেন সেকথা শুনলে রেগে যাচ্ছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, সেই প্রশ্নও ছুঁড়ে দেন দিলীপ ঘোষ। ভোট যত এগিয়ে আসছে ততই যে বিরোধী এবং শাসকদলের মধ্যে বাক্যবাণের ঝাঁজ বাড়ছে তা বলাই যায়।

[আরও পড়ুন: রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের জন্য সুখবর! নতুন বছরের শুরুতেই মিলবে DA, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.