BREAKING NEWS

১৯ আষাঢ়  ১৪২৭  শনিবার ৪ জুলাই ২০২০ 

Advertisement

হাতিয়ার শোভনের অভিজ্ঞতা, বিধানসভায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে সুর চড়াবে বিজেপি

Published by: Subhajit Mandal |    Posted: August 20, 2019 9:25 pm|    Updated: August 20, 2019 9:25 pm

An Images

রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়: বিধানসভার আগামী অধিবেশনে শাসকদলের বিরুদ্ধে সুর আরও চড়াতে চলেছে গেরুয়া শিবির। বিজেপির পরিষদীয় দলের বৈঠকে দলীয় বিধায়কদের এমনই নির্দেশ দিলেন রাজ্য সভাপতি তথা সাংসদ দিলীপ ঘোষ। মঙ্গলবার রাজ্য বিজেপি দপ্তরে অন্য দল থেকে আসা এবং পদ্ম প্রতীকে জেতা বিধায়কদের নিয়ে বৈঠক করেন দিলীপ। যেখানে উপস্থিত ছিলেন সদ্য বিজেপিতে যোগ দেওয়া কলকাতার প্রাক্তন মেয়র তথা বেহালা পূর্ব কেন্দ্রের বিধায়ক শোভন চট্টোপাধ্যায়ও।

[আরও পড়ুন: ‘প্রয়োজনে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে লড়ব এবং জিতব’, মমতাকে হুঁশিয়ারি শোভনের]

শোভনবাবুকে মঙ্গলবার এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে রাজ্য বিজেপিতে স্বাগত জানানো হয়। এই অনুষ্ঠান শেষে পরিষদীয় দলের বৈঠকে যোগ দেন শোভন চট্টোপাধ্যায়। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে শোভন চট্টোপাধ্যায়ের মতো বর্ষীয়ান বিধায়কের অভিজ্ঞতাকে পুরোপুরি কাজে লাগাতে চায় বিজেপি। সূত্রের খবর, এদিন বৈঠকে দলের পরিষদীয় নেতা মনোজ টিগ্গা-সহ উপস্থিত বিধায়কদের একগুচ্ছ পরামর্শ দিয়েছেন দিলীপ ঘোষ। বলেছেন, বিধানসভার ভিতরে ও বাইরে শাসক বিরোধী কন্ঠস্বর আরও জোরালো করতে হবে। বিভিন্ন বিলের উপর সকলকে আলোচনায় অংশ নিতে হবে। এদিন পরিষদীয় দলের বৈঠকে নীরজ জিম্বা ও পবন সিং ছাড়া ১৪জনের মধ্যে ১২জন বিধায়ক উপস্থিত ছিলেন।

[আরও পড়ুন: সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণপত্রে নাম নেই, বিজেপির উপর অসন্তুষ্ট হয়েও মঞ্চে হাজির বৈশাখী]

সুনীল সিং, বিশ্বজিৎ দাস-সহ কয়েকজন বিজেপি বিধায়কের নিরাপত্তার বিষয়টি নিয়েও এদিনের বৈঠকে আলোচনা হয়। অনেকের নিরাপত্তা তুলে নিয়েছে রাজ্য সরকার। তাঁদের নিরাপত্তা দেওয়ার বিষয়ে রাজ্যের সঙ্গে দিলীপ ঘোষ কথা বলবেন। প্রয়োজনে বিজেপি বিধায়ক যাঁরা রাজ্যের নিরাপত্তা পাচ্ছেন না তাঁদের কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা দেওয়ার বিষয়েও ভাবনাচিন্তা চলছে বলে দলীয় সূত্রে খবর। আসলে, সদ্য অন্যান্য দল থেকে একাধিক বিধায়ক যোগদান করলেও বিধানসভায় এখনও চতুর্থ শক্তি বিজেপি। নিজেদের নির্বাচিত এবং অন্য দল থেকে আসা মিলিয়ে মোট ১৪ জন বিধায়ক রয়েছে গেরুয়া শিবিরের। এমনকী, বাম ও কংগ্রেসেরও তাঁর থেকে বেশি বিধায়ক রয়েছে। তাই, বিধানসভায় উপস্থিতি বোঝাতেই আরও সুর চড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement