কলকাতা পুরভোটে ঘুঁটি সাজানোর কাজ শুরু করে দিয়েছে বঙ্গ বিজেপি। কোন কৌশলে কিস্তিমাত হবে তা নিয়েও চলছে দফায় দফায় রদ্ধদ্বার বৈঠক। আপাতত সিদ্ধান্ত হয়েছে, চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা পুজোর মধ্যেই ফাইনাল করে নেওয়া হবে। পুজোর মরশুমের মধ্যেই প্রথম দফার প্রার্থীদের নাম ঘোষণাও করে দেওয়া হতে পারে। নির্বাচনের আগে প্রার্থীরা যাতে ওয়ার্ডে প্রচারে একমাসের মতো যাতে সময় পায় সেদিকে লক্ষ্য রেখেই পুজোর মধ্যেই চূড়ান্ত তালিকা তৈরি করে নেওয়া হবে। পাশাপাশি পুরভোটের প্রার্থী হওয়ার আবেদনপত্র জমা নেওয়ার জন্য ‘ড্রপ বক্স’ চালু করার ভাবনাও রয়েছে রাজ্য বিজেপির।
সূত্রের খবর, কলকাতা পুরভোটের প্রচারে ওয়ার্ড ভিত্তিক ছয় দফা কৌশল বা পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন:
সাধারণভাবে বিজেপি-তে পুরভোটে প্রার্থী হওয়ার আবেদনপত্র জমা দিতে হয় মণ্ডল বা জেলা নেতৃত্বের কাছে। সেখান থেকে তা আসে রাজ্য স্তরে। সেখানে পুরভোটের দায়িত্বপ্রাপ্ত কমিটি আবেদনপত্র ঝাড়াই বাছাই করে সিদ্ধান্ত নেয়। কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকরাও মত দেন। প্রতিটা ওয়ার্ড থেকে এবার প্রার্থী হওয়ার জন্য দলীয়স্তরে ইতিমধ্যেই ১০ থেকে ১৫জন দাবিদার। তার পাশাপাশি রাখা হবে ‘ড্রপ বক্স’। প্রথম বার রাজ্যে ক্ষমতা দখল করা বিজেপি কলকাতা পুরভোটকে হালকা ভাবে নিচ্ছে না। কলকাতা পুরসভা দখলের লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করে ভোটের ঘুঁটি সাজাচ্ছে রাজ্য নেতারা। পুরোটাই মনিটরিং করছেন রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় নেতা সুনীল বনসল। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারের মতো অভিজ্ঞ নেতৃত্বকে কলকাতা পুরভোটের ইনচার্জও করেছে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতারা।
আর সেই দায়িত্ব পেয়েই মাঠে নেমে পড়েছেন সুকান্ত। বিজেপির পুরনো নেতা রাজু বন্দ্যোপাধ্যায় রয়েছেন কো-ইনচার্জ। তাছাড়াও, শিল্পমন্ত্রী তাপস রায়ের মতো প্রবীণ রাজনীতিবিদকে কমিটির কনভেনর করা হয়েছে। কো-কনভেনর রয়েছেন বিধায়ক রীতেশ তেওয়ারি। বিজেপি নেতা রাজু বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, মানুষের আশীর্বাদে কলকাতা পুরসভা আমরা এবার দখল করব। কর্মীরা নেমে পড়েছে পুরদমে।
সূত্রের খবর, কলকাতা পুরভোটের প্রচারে ওয়ার্ড ভিত্তিক ছয় দফা কৌশল বা পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এক) বড় সভা নয়। বাড়ি বাড়ি জনসংযোগে জোর, মহল্লায় মহল্লায় বৈঠক সভা। দুই) তৃণমূল পরিচালিত কলকাতা পুরসভার পরিচালনায় অব্যবস্থা, গলদ ও দুর্নীতি নিয়ে ওয়ার্ড ভিত্তিক চার্জশিট। তিন) ভাই ফোঁটার পর ইস্তেহার প্রকাশ। চার) দলের পুরনো ও নতুনদের সমন্বয়ে ওয়ার্ড ভিত্তিক প্রচার। পাঁচ) তৃণমূল কি কি প্রতিশ্রুতি পালন করেনি তা ওয়ার্ড ভিত্তিক তুলে ধরা হবে আমজনতার কাছে। ছয়) ইস্তাহার তৈরির ক্ষেত্রেও সাধারণ মানুষের মতামত নেওয়া হবে।
সর্বশেষ খবর
-
‘বিচ্ছেদ যন্ত্রণা ভুলে…’, ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকেই ‘বিগ বস’ প্রতিযোগী ইশাকে পরামর্শ সলমনের!
-
‘বিরোধীরা জিতলে রাহুল প্রধানমন্ত্রিত্বের পদ দাবি করতেই পারেন’, মন্তব্য সিপিএমের সাধারণ সম্পাদকের
-
পুজোর আগেই সুখবর! হাসিনা কাঁটা সরিয়ে চালু হচ্ছে ঢাকা-কলকাতা মৈত্রী, বন্ধন এক্সপ্রেস
-
মিষ্টি কারখানায় কিলবিল করছে আরশোলা, ছত্রাকে ভরা মোমো! দুর্গাপুরে খাবারের দোকানে শিকেয় স্বাস্থ্যবিধি
-
জ্ঞান মঞ্চে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন, শিক্ষক দিবসে দুই বিশিষ্ট শিক্ষককে সম্মানিত করল শ্যাম সুন্দর জুয়েলার্স