২ কার্তিক  ১৪২৬  রবিবার ২০ অক্টোবর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ছুটির দিনে শহরে বেপরোয়া গতিতে ছুটল বাস। ফলস্বরূপ ভয়াবহ দুর্ঘটনার কবলে পড়লেন ২৫ জন যাত্রী। এখনও পর্যন্ত ১২ জনকে এসএসকেএম হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে। ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ।

[আরও পড়ুন: আর নোটিস নয়, রাজীব কুমারের বিরুদ্ধে সরাসরি আইনি পদক্ষেপের পথে সিবিআই]

রবিবার ভয়ংকর দুর্ঘটনাটি ঘটে কলকাতার মেয়ো রোডে। ছুটির দিন দুপুরে বেশ ফাঁকাই ছিল রাস্তাঘাট। আর সেই সুযোগেই গতি বাড়ায় পালবাজার-হাওড়া রুটের ২১২ নম্বর বাস। তার তাতেই ঘটে বিপত্তি। একটি মিনি বাসের পিছনে সজোরে ধাক্কা মারে ওই বাসটি। গুরুতর আহত হন মোট ২৫ জন। যাঁদের মধ্যে রয়েছেন বেশ কয়েকজন মহিলা। বাসের ধাক্কায় পড়ে গিয়ে চোট পান এক বৃদ্ধাও। বাসটি এত জোরে ধাক্কা মারে যে রাস্তায় ছড়িয়ে পড়ে কাচ-পেট্রল। যাত্রীদের রক্তে ভাসে মেয়ো রোড। আহতদের মধ্যে ১২ জনকে হাসপাতালে ভরতি করে পুলিশ। অনেককেই উদ্ধার করে গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে গোটা ঘটনায় ট্রাফিক পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। কারণ মেয়ো রোডের যেখানে ঘটনাটি ঘটে, তার থেকে প্রায় ২০ মিটার দূরেই ছিল একটি ট্রাফিক কিয়স্ক। কিন্তু সেখানে কোনও ট্রাফিক পুলিশ ছিল না। কেউ থাকলে হয়তো এমন দুর্ঘটনা এড়ানো যেত। পরে লালবাজারকে দুর্ঘটনার খবর দেওয়া হয়। তারপরই ঘটনাস্থলে আসে পুলিশ।

[আরও পড়ুন: নানুরে নিহত বিজেপি কর্মীর বাড়িতে মুকুল রায়, পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস]

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার পরই সেখান থেকে চম্পট দেয় দুই বাসের খালাসি ও চালক। তাদের খোঁজে চলছে তল্লাশি। পাশাপাশি ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরায় গোটা ঘটনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কেন সে সময় ট্রাফিক কিয়স্ক ফাঁকা ছিল, সে প্রশ্নের উত্তরও জানতে চাওয়া হবে জানায় পুলিশ।

উল্লেখ্য, গত কয়েক মাসে কলকাতায় একের পর এক বাস দুর্ঘটনার খবর শিরোনামে উঠে আসছে। কখনও বেররোয়া গতির জেরে হাত কাটা পড়ছে যাত্রীর তো কখনও ছিঁড়ে যাচ্ছে কান। এবার ২৫ জন আহত হওয়ার স্বাভাবিকভাবেই যাত্রী নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠল।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং