Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১৮ আগস্ট ২০২৬
Calcutta HC

শোভনদেব নাকি ঋতব্রত, বিরোধী দলনেতা কে? আজই হাই কোর্টে নিষ্পত্তি

হাই কোর্টের বিচারপতি শম্পা সরকারের বেঞ্চ আজ রায়দান করবে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৮, ২০২৬, ১২:৪৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৮, ২০২৬, ১২:৪৫

options
link
শোভনদেব নাকি ঋতব্রত, বিরোধী দলনেতা কে? আজই হাই কোর্টে নিষ্পত্তি zoom
শোভনদেব নাকি ঋতব্রত, বিরোধী দলনেতা নিয়ে রায় দেবে হাই কোর্ট
Advertisement

রাজ্যের বিরোধী দলনেতার কুর্সি কি দখলে রাখতে পারবে ‘আসল’ তৃণমূল নাকি তা চলে যাবে কালীঘাট নেতৃত্বের হাতে? মঙ্গলবারই এর নিষ্পত্তি করে দেবে কলকাতা হাই কোর্ট। এদিন বিচারপতি শম্পা সরকারের ডিভিশন বেঞ্চ মামলার রায় ঘোষণা করবে। যদিও বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসু সংখ্যাধিক্যের ভিত্তিতে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কেই ‘বিরোধী দলনেতা’র পদটি দিয়েছেন। অধিবেশনগুলিতে তাঁকেই বিরোধী দলনেতা হিসেবে বক্তব্য রাখতে দেওয়া হয়েছে। আজ হাই কোর্টের রায় স্পিকারের সিদ্ধান্তকেই মান্যতা দেবে নাকি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়দের জয় হবে, সেদিকে তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।

হাই কোর্টে মামলার শুনানি চলাকালীন ঋতব্রত শিবির ও স্পিকারকে বেশ প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়। কেন বহিষ্কৃত হওয়া সত্ত্বেও ঋতব্রতদের গুরুত্ব দেওয়া হল? কেনই বা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়দের প্রথম চিঠি অগ্রাহ্য করে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের চিঠিতেই সিলমোহর পড়ল? এসব প্রশ্ন ওঠে।

বিরোধী দলনেতা নিয়ে এই নজিরবিহীন মামলার সূত্রপাত বিধানসভা নির্বাচনের ফলপ্রকাশের পর থেকে। ছাব্বিশের ভোটে ৮০টি আসন জিতে ক্ষমতাসীন থেকে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল হয়ে ওঠে তৃণমূল কংগ্রেস। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পরিষদীয় দলনেতা তথা বিরোধী দলনেতা হিসেবে দলের প্রবীণ নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বেছে নিয়েছিলেন। এনিয়ে গত ৯ মে বিধানসভায় অধ্যক্ষকে চিঠি দেওয়া হয়। কিন্তু পরবর্তী সময়ে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব অর্থাৎ কালীঘাট নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ‘বিদ্রোহী’ হয়ে ওঠেন তৃণমূল বিধায়কদের একাংশ। ৬৫ জন বিধায়ক যোগ দেন ‘বিদ্রোহী’ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে। তাঁরা সংখ্যাধিক্য প্রমাণ করে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা করতে চেয়ে স্পিকারের কাছে আবেদন জানান। ইতিমধ্যে ঋতব্রতদের সকলকে সাসপেন্ড করে দেয় কালীঘাট শিবির। অভিযোগ, মমতা শিবিরের চিঠি অগ্রাহ্য করে ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতার তকমা দেন দেন। তার বিরোধিতায় হাই কোর্টে মামলা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

Advertisement

হাই কোর্টে মামলার শুনানি চলাকালীন ঋতব্রত শিবির ও স্পিকারকে বেশ প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়। কেন বহিষ্কৃত হওয়া সত্ত্বেও ঋতব্রতদের গুরুত্ব দেওয়া হল? কেনই বা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়দের প্রথম চিঠি অগ্রাহ্য করে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের চিঠিতেই সিলমোহর পড়ল? এসব প্রশ্ন ওঠে। দু’পক্ষের সওয়াল-জবাব শেষ হওয়ার পর মাস খানেক ধরে রায়দান স্থগিত রেখেছিলেন বিচারপতি শম্পা সরকার। আজ রায়ঘোষণা হবে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.