৯ আশ্বিন  ১৪২৭  মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

পরীক্ষায় ফেল করে আত্মঘাতী ছাত্রী, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়কে কাঠগড়ায় তুলল পরিবার

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: January 27, 2018 11:49 am|    Updated: January 27, 2018 12:32 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সরস্বতী পুজো কাটার দু’দিনের মধ্যেই যে এত বড় দুঃসংবাদ অপেক্ষা করেছিল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য, তা বোধহয় তাঁদের দুঃস্বপ্নেও আসেনি। বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলপ্রকাশ হতে একেবারে চক্ষু চড়কগাছ সকলের। শুধু ফেল আর ফেল। বিএ অনার্স ও জেনারেলের রেজাল্ট ভয়াবহ। সিংহভাগই অকৃতকার্য। টেনেটুনে কলা বিভাগের মাত্র ৪২.৩৫ শতাংশ পড়ুয়া পাশ করতে পেরেছেন। বিএ পার্ট ওয়ানে পরীক্ষা দিয়েছিলেন ৬৪ হাজার। তার মধ্যে ২৮ হাজার জন স্বস্তি পেয়েছেন। বিজ্ঞান বিভাগের ফলও তেমন একটা ভাল নয়। এই বিএসসিতে পাশের হার মাত্র ৭১ শতাংশ৷ বিশেষজ্ঞরা বলছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিককালের সবচেয়ে খারাপ ফল এটি৷ এবছর মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১ লক্ষ ৪০ হাজার৷ দেখা যাচ্ছে অর্ধেক পড়ুয়াই সাফল্যের গণ্ডী পেরোতে পারেননি।

এই ঘটনা ঘটার দু’দিনের মধ্যেই আরও একটা ঘটনা ঘটল শহরে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার মহেশতলা নিবাসী পর্ণা দত্ত নামে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় বর্ষের  ছাত্রী। পার্ট ওয়ানে পাশ করতে না পেরে শনিবার তিনি আত্মঘাতী হন। পর্ণা নিউ আলিপুর কলেজে পড়তেন। তাঁর পরিবারের দাবি, পড়াশোনায় পর্ণা ভালই ছিল। কিন্তু পাশ করতে না পারায় অাত্মহত্যার পথ বেছে নেন তিনি। গোটা ঘটনার জন্য পরিবার কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে আঙুল তুলেছে।

[বেনজির, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক স্তরের পার্ট ওয়ানে অর্ধেকই ফেল]

পর্ণার মৃত্যুর খবর নিউ আলিপুর কলেজে পৌঁছনোর পর তাঁর শিক্ষক, শিক্ষিকা এবং বন্ধুরাও ভীষণভাবে ভেঙে পড়েছেন। নিউ আলিপুর কলেজের অধ্যক্ষ জানিয়েছেন, তিনি নিজে গিয়ে পর্ণার বাবা মায়ের সঙ্গে দেখা করবেন। অন্যদিকে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের এইরূপ খারাপ ফলের জন্য শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ও রুষ্ট হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। তিনি সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং সহ-উপাচার্যের সঙ্গে এবিষয়ে বৈঠক করবেন বলে জানিয়েছেন। এখন দেখার এই বৈঠকের পর কোন সত্যি সামনে আসে। দোষ কী আদৌ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের খাতা দেখার নাকি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের বারবার পরিবর্তিত শিক্ষা বিধির?

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement