Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
গুলি

সার্ভিস রিভলভার থেকে গুলি, সহকর্মীদের সামনেই আত্মঘাতী কনস্টেবল

পারিবারিক অশান্তি নাকি কর্মক্ষেত্রে জটিলতা, মৃত্যুর কারণ ঘিরে ধোঁয়াশা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৯, ২০১৯, ০৯:২৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৯, ২০১৯, ০৯:২৭

options
link
সার্ভিস রিভলভার থেকে গুলি, সহকর্মীদের সামনেই আত্মঘাতী কনস্টেবল zoom
ছবি: প্রতীকী
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নিজের সার্ভিস রিভলভার থেকে গুলি চালিয়ে আত্মঘাতী এক কনস্টেবল। মৃত ব্যক্তির নাম তরুণ মান্ডি। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, অবসাদ থেকেই আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ওই ব্যক্তি। তদন্তের স্বার্থে মৃতের স্ত্রী ও সহকর্মীদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ।

[আরও পড়ুন: মনুয়াকাণ্ডের ছায়া বাগুইআটিতে, প্রেমিকের সাহায্যে স্বামীকে খুন করল মহিলা]

সূত্রের খবর, তরুণ মান্ডি নামে ওই পুলিশ কনস্টেবল হাওড়ার ডোমজুড়ের বাসিন্দা। মঙ্গলবার এক কয়েদিকে নিয়ে বর্ধমান গিয়েছিলেন ওই পুলিশ কর্মী। সেখানে কাজ সেরে সহকর্মীদের সঙ্গেই গাড়িতে কলকাতায় ফিরছিলেন। জানা গিয়েছে, গাড়ির মধ্যে আচমকা অদ্ভুত আচরণ শুরু করেন তরুণবাবু। সকলের সঙ্গে কথা বলতে বলতে হঠাৎ স্ত্রীকে ফোন করেন তিনি। সহকর্মীদের সামনেই স্ত্রীর সঙ্গে বেশ কিছুক্ষণ অসংলগ্ন কথাও বলেন। ফোন রাখার আগে স্ত্রীকে বলেন, “আমাকে আর পাবে না।” এরপর গাড়িটি বিদ্যাসাগর সেতুর টোলপ্লাজার কাছে আসতেই হঠাৎ নিজের সার্ভিস রিভলভার বের করে মাথায় গুলি চালান। কেউ কিছু বুঝে ওঠার আগেই রক্তাক্ত অবস্থায় গাড়ির মধ্যেই লুটিয়ে পড়েন তিনি। তড়িঘড়ি তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় এসএসকেএম হাসপাতালে। সেখানেই চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। ইতিমধ্যেই, দেহটি ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: রবীন্দ্রভারতীতে ‘বর্ণবিদ্বেষ’ বিতর্ক, অভিযোগের দ্রুত নিষ্পত্তির নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রীর]

সূ্ত্রের খবর, মৃত তরুণ মান্ডি বেশ মিশুকে স্বভাবের মানুষ ছিলেন। তবে বেশ কিছুদিন ধরেই চুপচাপ হয়ে গিয়েছিলেন। তবে কোনওদিনই নিজের কোনও সমস্যার কথা কাউকে জানাননি। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, কোনও কারণে মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন তরুণবাবু। সেই কারণেই আত্মহননের সিদ্ধান্ত। তবে কর্মক্ষেত্রে সমস্যা নাকি পারিবারিক সমস্যার জেরে এই সিদ্ধান্ত, তা নিয়ে ধোঁয়াশায় পুলিশ। ইতিমধ্যেই, মৃতের স্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। পাশপাশি, মঙ্গলবার গাড়িতে থাকা অন্যান্য পুলিশ কর্মী ও মৃতের এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গেও কথা বলা হচ্ছে।

[আরও পড়ুন: পর্যাপ্ত রিহার্সাল হয়েছিল আদৌ! জাদুকর ম্যানড্রেকের মৃত্যুতে প্রশ্ন ম্যাজিশিয়ান অরিন্দমের]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.