Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
গৌতম দেব

‘শর্ত মানলে সমর্থন’, মমতার বন্ধুত্বের প্রস্তাবে ইঙ্গিতপূর্ণ বার্তা কমরেড গৌতম দেবের

বাম-কংগ্রেস-তৃণমূল যৌথ লড়াইয়ে সম্ভাবনা জিইয়ে রাখলেন গৌতম দেব৷

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৩, ২০১৯, ২২:০৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৩, ২০১৯, ২২:০৯

options
link
‘শর্ত মানলে সমর্থন’, মমতার বন্ধুত্বের প্রস্তাবে ইঙ্গিতপূর্ণ বার্তা কমরেড গৌতম দেবের zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘শর্ত মানলে তবেই সমর্থন’৷ বিজেপিকে আটকাতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাম-কংগ্রেসের কাছে একযোগে লড়াইয়ের বার্তা দিয়েছিলেন, সেই প্রসঙ্গে বুধবার এমনই মন্তব্য করলেন সিপিএম নেতা গৌতম দেব৷ সুজন-মান্নানরা মুখ্যমন্ত্রীর বার্তা এক লহমায় উড়িয়ে দিলেও, সম্ভাবনা জিইয়ে রাখলেন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীর এই সদস্য৷

[ আরও পড়ুন: মাদ্রাসা থেকেই ছড়াচ্ছে জেহাদের বিষ! কেন্দ্রের মন্তব্যের বিরুদ্ধে সরব কংগ্রেস-তৃণমূল ]

Advertisement

বরাবরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কট্টর বিরোধী হিসাবে পরিচিত গৌতম দেব৷ চাঁচাছোলা ভাষায় বরাবরই মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূলের সমালোচনা করেন তিনি৷ কিন্তু বুধবার একেবারেই অন্য রূপে দেখা গেল তাঁকে৷ মমতার সমঝোতা প্রশ্নের উত্তরে এদিন তিনি জানান, “রাজনীতি সবসময়ই সম্ভাবনার খেলা। এখানে কেউ অস্পৃশ্য নয়। মমতার হাত ধরার ব্যাপারে হ্যাঁ বা না কিছুই বলছি না। তবে মমতাকে এখনও অনেক কিছু করতে হবে। আমাদের শর্ত মানলে তবেই তাঁর সঙ্গে সহযোগিতা সম্ভব।” রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বহু আগেই ভবিষ্যৎবাণীর সুরে গৌতম দেব বলেছিলেন, তৃণমূলকে একদিন সিপিএমের সঙ্গে আসতেই হবে৷ বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী বাম-কংগ্রেসের সঙ্গে সমঝোতার প্রস্তাব দেওয়া, সেই ভবিষ্যৎবাণীরই বাস্তবায়ন বলে এখন মনে করছেন তাঁরা৷

প্রসঙ্গত, চলতি বিধানসভার অধিবেশনেই বাম-কংগ্রেসকে উল্লেখ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, “মান্নান ভাই, সুজনদা, চলুন না আমরা একসঙ্গে লড়ি। বৃহত্তর স্বার্থে আমাদের একসঙ্গে আসা দরকার। বিজেপিকে ঠেকাতে জোটবদ্ধ হন।” স্পষ্ট ভাষায় মমতা বলেন, “বিজেপিকে রুখতে আমাদের একজোট হতে হবে। কেন্দ্রে যেভাবে আমরা সমস্ত ইস্যুতে কংগ্রেসের পাশে থাকি। এরাজ্যেও তেমনটাই হওয়া উচিত।” প্রত্যাশিতভাবেই বাম এবং কংগ্রেস দুই দল মমতার এই প্রস্তাব খারিজ করে দিয়েছেন। বামেদের তরফে সুজন চক্রবর্তী এবং কংগ্রেসের তরফে আবদুল মান্নান দু’জনেই সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, তৃণমূলের জন্যেই রাজ্যে বিজেপির বাড়বাড়ন্ত। কিন্তু সেই সম্ভাবনা জিইয়ে রেখে গৌতম দেব অন্য পথে পা বাড়ালেন বলে মনে করা হচ্ছে৷ তবে শারীরিক অসুস্থতার জন্য দলে সক্রিয়তা ক্রমশ কমতে থাকায় রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য গৌতম দেব এই বার্তা দলে কতটা ছড়িয়ে দিতে পারবেন, বা শীর্ষ নেতৃত্ব কতটা তাঁর মতামত গ্রহণ করবে, তা নিয়ে সংশয় বিস্তর৷

[ আরও পড়ুন:  তৃণমূলের শহিদ দিবসের পালটা সমাবেশ বিজেপিরও, একুশের আগে নয়া চাল গেরুয়া শিবিরের ]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.