Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
'বিষাদনগরী' আনন্দপুর
Anandapur Fire

জতুগৃহ আনন্দপুরে মৃত বেড়ে ২৩, ১৬৩ ধারা জারি প্রশাসনের

উদ্ধার হওয়া ২১টি দেহাংশের পরিচয় নিশ্চিত করতে আজ থেকেই ডিএনএ ম্যাপিংয়ের কাজ শুরু হতে পারে।

Advertisement
দেবব্রত মণ্ডল
দেবব্রত মণ্ডল

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৯, ২০২৬, ১৭:০৮

link
দেবব্রত মণ্ডল
দেবব্রত মণ্ডল

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৯, ২০২৬, ১৭:০৮

options
link
জতুগৃহ আনন্দপুরে মৃত বেড়ে ২৩, ১৬৩ ধারা জারি প্রশাসনের zoom
আনন্দপুরের মোমো কারখানার ভিতর দমকলকর্মীরা।

আনন্দপুর কাণ্ডের (Anandapur Fire) পর পেরিয়েছে চারটে দিন! চারপাশ জুড়ে শুধুই হাহাকার। এর মধ্যে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ২৩। পাশাপাশি পুলিশের খাতায় এখনও পর্যন্ত নিখোঁজ ২৭ জন। তবে সময় যত গড়াচ্ছে, ততই নিখোঁজদের বেঁচে থাকার সম্ভাবনা ক্ষীণ হচ্ছে। অন্যদিকে এদিন বিকেলে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যাওয়ার কথা রয়েছে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী-সহ একাধিক বিজেপি নেতার। তার আগেই বুধবার মধ্যরাত থেকে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা ১৬৩ ধারা (পূর্বতন আইপিসি ১৪৪) জারি করা হয়েছে। ফলে এলাকায় জমায়েত ও যাতায়াতের উপর কড়া বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। আর এই নির্দেশিকাকে চ্যালেঞ্জ করেই কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ঘটনাস্থলে যাওয়া এবং গড়িয়া শিতলামন্দির থেকে মিছিল করতে চেয়ে আবেদনও জানানো হয়েছে।  বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের এজলাসে আজ দুপুর ২ টোয় এই মামলার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে। 

রবিবার রাতেও আনন্দপুরের (Anandapur) নাজিরাবাদে ছিল কারখানা, গুদাম। প্রতিমুহূর্তে কর্মীদের আনাগোনা লেগেই থাকত। লেলিহান শিখা নিমেষে বদলে দিয়েছে সেই চির পরিচিত ছবি। এখন সেখানে শুধুই ধ্বংসস্তূপ আর পোড়া গন্ধ। তার মধ্যেও প্রিয়জনের খোঁজ চালাচ্ছেন নিখোঁজদের পরিবার। যদিও সময় যত গড়াচ্ছে ততই বাড়ছে উদ্বেগ। অন্যদিকে উদ্ধার হওয়া ২১টি দেহাংশের পরিচয় নিশ্চিত করতে আজ থেকেই ডিএনএ ম্যাপিংয়ের কাজ শুরু হতে পারে। নিহতদের সঠিক পরিচয় জানার ক্ষেত্রে এই প্রক্রিয়াকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে প্রশাসন। আর সেই কাজ সম্পন্ন হলেই দেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হবে বলে খবর।

Advertisement

বলে রাখা প্রয়োজন, ভয়াবহ এই অগ্নিকাণ্ডের প্রশ্নে মুখে ওয়াও মোমো। ঘটনার প্রায় ৬০ ঘণ্টা পর বুধবার এই বিষয়ে সংস্থার তরফে একটি বিবৃতি দেওয়া হয়েছে। সোশাল মিডিয়া পোস্টে সংস্থার তরফে দায় চাপানো হয়েছে পাশের গুদামের উপর। বলা হয়েছে, পাশের গুদামে অননুমোদিতভাবে রান্না চলছিল গুদামে। সেখান থেকেই আগুন লাগে। যা ছড়িয়ে যায় ওয়াও গুদামে। সেই বিবৃতিতেই সংস্থার তরফে লেখা হয়েছে, ‘আমাদের পাশের গুদাম থেকে ২৬ জানুয়ারি ভোর ৩টে নাগাদ আমাদের গুদামে আগুন ছড়িয়ে পড়েছিল। আনন্দপুরে আমাদের একটি গুদাম সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়েছে। আমাদের দু’জন কর্মীর মৃত্যু এবং এক জন চুক্তিবদ্ধ নিরাপত্তারক্ষীর মৃত্যুতে আমরা শোকাহত।’ পাশাপাশি মৃতদের পরিবার পিছু ১০ লক্ষ টাকা দেওয়া হবে। এছাড়া আজীবন মৃতদের পরিবারের সদস্যরা মাসোহারা পাবেন। মৃতদের সন্তানদের লেখাপড়ার দায়িত্ব সংস্থা নেবে বলেও জানানো হয়েছে বিবৃতিতে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.