Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১০ আগস্ট ২০২৬
ছাঁটাই ডোমিনোজের

জনতা কারফিউতে কাজে আসেননি বাঙালি কর্মী, ছাঁটাই করল ডোমিনোজ

অভিযোগের তির সংস্থার দক্ষিণবঙ্গের এরিয়া সেলস ম্যানেজারের দিকে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৩, ২০২০, ১৪:৩৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৩, ২০২০, ১৪:৩৭

options
link
জনতা কারফিউতে কাজে আসেননি বাঙালি কর্মী, ছাঁটাই করল ডোমিনোজ zoom
Advertisement

শুভময় মণ্ডল: জনতার কারফিউতে বাড়িতে থাকায় বাঙালি কর্মীকে ছাঁটাই করল ডোমিনোস ইন্ডিয়া। শুধু তাই নয়, বাকি কর্মীদেরও বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে, ডেলিভারি দিতে বাধ্য করা হয় বলে অভিযোগ। এমন ঘটনা এই বাংলাতেই ঘটিয়েছে ডোমিনোজ পিজ্জা। কাজ হারানোর ভয়ে বাকি কর্মীরাও দুপুরে বাড়ি থেকে গিয়ে ডেলিভারির কাজ শুরু করেন। অভিযোগের তির ডোমিনোজ ইন্ডিয়ার দক্ষিণবঙ্গের এরিয়া সেলস ম্যানেজার গৌরবের দিকে। এই প্রসঙ্গে তাঁর কোনও মন্তব্য পাওয়া যায় নি। তবে শুধুমাত্র ব্যবসার খাতিরে কী করে একজন রাজ্যের সব মানুষকে বিপদে ফেলেন? প্রশ্ন উঠেছে সেটা নিয়েই।

একদিকে যখন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মানুষকে বাড়িতে থাকতে বলেছেন। তখন চাকরি থেকে ছাঁটাইয়ের ভয় দেখিয়ে কাজ করানোর অভিযোগ উঠেছে ডোমিনোজের বিরুদ্ধে। ইতিমধ্যেই নিউ আলিপুর ডোমিনোজ জনতার কারফিউতে কাজে না আসায় নয়ন নস্কর নামে এক কর্মীকে ছাঁটাই করে দিয়েছে বলে অভিযোগ। তাঁদের বাকি ১২ জন কর্মীর অনেককেই ছাঁটাইয়ের ভয় দেখিয়ে রবিবার দুপুরে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে খাবার ডেলিভারির কাজে লাগানো হয়েছে।

Advertisement

[আরও পড়ুন : লকডাউনের আগে বাড়ি ফেরার তাড়া, ধর্মতলায় থিক থিকে ভিড়]

করোনা যুদ্ধে নয়া অস্ত্রপ্রয়োগের ডাক দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই দাওয়াই মেনে রবিবার সকালে সাতটা থেকে রাত ন’টা পর্যন্ত দেশজুড়ে জনাতা কারফিউ পালন করা হয়। করোনা সংক্রমণের শৃঙ্খল ভাঙতে জরুরি পরিষেবা ছাড়া বাকিদের ঘরে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই নিয়ম মানেনি বলে অভিযোগ ডোমিনোজের বিরুদ্ধে।

[আরও পড়ুন : ‘এত দায়িত্বজ্ঞানহীন হলাম!’ বাবা-মা করোনা আক্রান্ত হওয়ায় অনুতাপ বালিগঞ্জের যুবকের]

এদিকে দিন দিন যে হারে ভাইরাসের সংক্রমণ বাড়ছে, তাতে স্টেজ- থ্রি বা গোষ্ঠী সংক্রমণে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এই পর্যায়ে তা রুখে দিতেই লকডাউনের সিদ্ধান্ত প্রশাসনের। পশ্চিমবঙ্গের সবক’টি পুর শহর আজ বিকেল থেকে লকডাউনের পথে। ২৭ মার্চ পর্যন্ত এই কড়াকড়ি থাকবে। পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে তারই মধ্যে। তবে লকডাউনের ঘোষণায় কিছুটা তটস্থ সাধারণ মানুষ। এখনও পর্যন্ত ভারতে করোনার বলি ৯জন। আক্রান্তের সংখ্যা ৪০০ পেরিয়েছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.