২২ আষাঢ়  ১৪২৭  মঙ্গলবার ৭ জুলাই ২০২০ 

Advertisement

করোনায় মৃত ব্যক্তির দেহ সৎকারের আগের নিয়মে বড়সড় বদল আনল রাজ্য সরকার

Published by: Sayani Sen |    Posted: June 5, 2020 9:27 pm|    Updated: June 5, 2020 11:26 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনা রোগীর মৃত্যু হলে তাঁর দেহ পরিজনেরা এতদিন একবার চোখের দেখাও দেখতে পেতেন না। শুধুমাত্র হাসপাতালের একটি ফোনের মাধ্যমেই পরিবারের লোকজন জানতে পারতেন কোভিডের থাবায় তাঁদের ছেড়ে চলে গিয়েছেন প্রিয়জন। তবে এবার মানবিকতার খাতিরে নিয়মে বদল আনা হল। নবান্ন সূত্রে খবর, এবার থেকে সৎকারের আগে করোনায় মৃত ব্যক্তির দেহ দেখতে পাবেন তাঁদের পরিজনেরা। তবে সেক্ষেত্রে মৃতের পরিবারকে মেনে চলতে হবে কিছু শর্ত। এ বিষয়ে শুক্রবারই নির্দেশিকা জারি করেছে রাজ্য সরকার।

এবার থেকে কোনও করোনা রোগীর মৃত্যু হলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফে প্রথমে পরিজনদের সে খবর জানাতে হবে। অপেক্ষা করতে হবে পরিজনদের জন্য। মৃতের পরিজনেরা হাসপাতালে এসে পৌঁছনোর পর ১০-১২ ফুট দূরত্ব থেকে দেহ দেখাতে হবে। তাঁদের দেখানোর জন্য মৃতদেহের মুখ থেকে বুক পর্যন্ত স্বচ্ছ প্লাস্টিকের ব্যাগে মুড়ে রাখতে হবে। তবে ২-৪ মিনিটের বেশি সময় দেহ দেখতে দেওয়া হবে না। দেহ স্পর্শ করতে পারবেন না পরিজনেরা। কারণ উপযুক্ত সুরক্ষাবিধি না মেনে দেহ স্পর্শ করলে করোনা সংক্রমণের আশঙ্কা কয়েকগুণ বেড়ে যেতে পারে। বাংলার প্রত্যেক সরকারি এবং বেসরকারি হাসপাতালের ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য। এ বিষয়ে শুক্রবারই নির্দেশিকা জারি করেছে রাজ্য সরকার।

[আরও পড়ুন: দু’দিন পেটে দানা পড়েনি, সর্বস্বান্ত হয়ে ত্রিপুরা থেকে বাংলায় ফিরলেন পরিযায়ী শ্রমিকরা]

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এবং ভারত সরকারের স্বাস্থ্যমন্ত্রকের বিধি অনুযায়ী, মৃতদেহ সৎকারের সময় উপস্থিত থাকতে পারেন পরিজনেরা। সেক্ষেত্রে সবসময়ই দূরত্ববিধির কথা মাথায় রাখতে হবে। এছাড়াও ধর্মীয় রীতিনীতিও পালন করা যেতে পারে। তবে কোনওভাবেই দেহ ছুঁতে দেওয়া যাবে না। করতে দেওয়া যাবে না চুম্বনও। সেই নিয়মে কোনও বদল হয়নি। যাঁরা মৃতদেহ সৎকারের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন তাঁদের যথোপযুক্ত সুরক্ষাবিধি মেনে চলতে হবে। তাঁদের পরতে হবে জল আটকাতে সমর্থ অ্যাপ্রন, হাতে গ্লাভস এবং মুখে মাস্ক। এছাড়াও তাঁদের পরতে হবে চশমা। সৎকারের কাজ মেটার পর খুব ভাল করে হাত ধুতে হবে। সৎকার শেষে কোভিডে মৃত ব্যক্তির চিতাভস্ম নিতে পারবেন তাঁর পরিজনেরা। 

[আরও পড়ুব: লকডাউন ও পরিবহণ সংক্রান্ত মামলার জের, কেন্দ্র ও রাজ্যের কাছে রিপোর্ট চাইল হাই কোর্ট]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement