২৮ অগ্রহায়ণ  ১৪২৬  রবিবার ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯ 

BREAKING NEWS

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

২৮ অগ্রহায়ণ  ১৪২৬  রবিবার ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯ 

BREAKING NEWS

দেবব্রত মণ্ডল,বারুইপুর: সাপে ভয় আছে মুখ্যমন্ত্রীর৷ সম্প্রতি বেশ কয়েকটি সভায় তিনি নিজেই তা স্বীকার করেছেন৷ তাই এবার মুখ্যমন্ত্রীর সভার আগে সর্প বিশেষজ্ঞদের নিয়ে আসা হল সভাস্থলের কাছে৷ সুন্দরবনের ঝড়খালির চিড়িয়াখানা থেকে তিনজন সর্প বিশারদ বৃহস্পতিবার বানতলায় মুখ্যমন্ত্রীর সভাস্থলে উপস্থিত হন৷ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে সাপের উপস্থিতি টের পাওয়ার চেষ্টা করেন৷

[আরও পড়ুন: মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করলেন এসএসসি চাকরিপ্রার্থীরা, ২১ জুলাইয়ের পর বৈঠকের আশ্বাস মমতার]

দিন কয়েক আগেই মুখ্যমন্ত্রী কথা প্রসঙ্গে বলেছিলেন, সাপে তাঁর ভয় আছে৷ বর্ষা এবং গরমকালে সাপের উপদ্রব বাড়ে৷ নিজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেছিলেন, একবার ইলিয়ট পার্কে প্রাতঃভ্রমণে গিয়ে তিনি একসঙ্গে তিন-তিনটি সাপের মুখোমুখি হয়েছিলেন৷ আতঙ্কে তিনি ইলিয়ট পার্কে সকালে হাঁটা বন্ধ করে দেন৷ এবার তাই প্রশাসনিক আধিকারিকরা কোনও ঝুঁকি নেননি৷ ঝড়খালি থেকে বনদপ্তরের তিনজন সর্প বিশারদকে সভাস্থলে হাজির করা হয়৷ ঝড়খালি থেকে মোটরসাইকেলে তিনজন যান সেখানে৷

এদিন এক আধিকারিক জানান, যে এলাকায় মুখ্যমন্ত্রীর সভা হচ্ছে সেখানে প্রচুর ঘাস এবং জঙ্গলে ভরতি৷ আশপাশ এলাকা তো প্রচুর ঝোপঝাড়ও আছে৷ ঘাস কাটার মেশিন দিয়ে সমস্ত ঘাস কাটতে হয়েছে৷ বর্ষার মরশুমে এখানে চন্দ্রবোড়া, গোখরো, কেউটে, কালাচের উপদ্রব বেশি৷ তাই মুখ্যমন্ত্রীর সভা এবং আশপাশের এলাকাকে সাপমুক্ত রাখতে প্রশাসনের তরফে এতটুকুও ত্রুটি ছিল না৷ বৃহস্পতিবার বানতলায় মুখ্যমন্ত্রীর সভা শুরুর আগে দেখা যায়, হাতে স্নেক ক্যাচার নিয়ে দাঁড়িয়ে তিন সর্প বিশেষজ্ঞ৷ মোটর সাইকেলে তাঁরা এনেছিলেন ড্রাম এবং অন্যান্য সরঞ্জাম৷ কোনও সাপ ধরা পড়লে, তাকে উপযুক্তভাবে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি সারাই ছিল তাঁদের৷

[আরও পড়ুন:ওটিতে সুর-চিকিৎসা! বিশ্বরেকর্ড গড়লেন বাগুইআটির অর্থোপেডিক সার্জন সুমন্ত ঠাকুর]

 

এনিয়ে সর্প বিশেষজ্ঞ সম্রাট মালি বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রীর সভার জন্য আমাদের সকালে ডেকে পাঠিয়েছে বনদপ্তর৷ সাপের উৎপাত হলে, তা গিয়ে ধরব৷ কোবরা বা কেউটে নয়, এই এলাকায় শঙ্খচূড়র মতো সাপেরও বেশ উৎপাত আছে৷’ জেলা বনবিভাগের আধিকারিকের কথায়, ‘এর আগে মুখ্যমন্ত্রীর কোনও সভায় আমাদের সাপ ধরার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়নি৷ এই প্রথম আমরা এমন একটি নির্দেশ পেলাম৷’ মুখ্যমন্ত্রীর মতো ভিআইপি জেড ক্যাটাগরির নিরাপত্তাবলয়ে থাকা ব্যক্তিত্বের জন্য সর্বোচ্চ পর্যায়ের সুরক্ষা থাকে৷ এবার সেই তালিকায় যুক্ত হল স্নেক ক্যাচারও৷  

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং