Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৬ আশ্বিন ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Evening OPD

এবার সন্ধেতেও খোলা থাকবে সরকারি হাসপাতালের ওপিডি! বাংলার ‘স্বাস্থ্য’ ফেরাতে উদ্যোগী স্বাস্থ্যমন্ত্রী

সান্ধ্য পে ক্লিনিকে মোট যে আয় হবে, তার ৬০ শতাংশ ডাক্তারবাবুকে, ২০ শতাংশ নার্সকে, ১০ শতাংশ গ্রুপ ডি কর্মীকে দেওয়া হবে।

গৌতম ব্রহ্ম
গৌতম ব্রহ্ম

শেষ আপডেট: আগস্ট ৮, ২০২৬, ১৭:২৬

link
গৌতম ব্রহ্ম
গৌতম ব্রহ্ম

শেষ আপডেট: আগস্ট ৮, ২০২৬, ১৭:২৬

options
link
এবার সন্ধেতেও খোলা থাকবে সরকারি হাসপাতালের ওপিডি! বাংলার ‘স্বাস্থ্য’ ফেরাতে উদ্যোগী স্বাস্থ্যমন্ত্রী zoom
প্রতীকী ছবি।
Advertisement

‘রেভিনিউ শেয়ারিং’ মডেলে এবার সরকারি হাসপাতালে ‘ইভিনিং ওপিডি’ চালু করতে চাইছে রাজ্য সরকার। অর্থাৎ টাকার বিনিময়ে সরকারি হাসপাতালের চৌহদ্দিতেই এবার বেসরকারি হাসপাতালের মতো মিলবে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শ। উদ্দেশ্য সকাল, বিকেল দু’টো স্লটেই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সরকারি পরিসরে যুক্ত করে রাখা। সরকারি কাঠামো ব্যবহার করে স্বল্পমূল্যে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসাকে নাগালে নিয়ে আসা। আসলে সকালের উপচে পড়া বিনামূল্যের ওপিডিতে অনেকেই গুঁতোগুঁতি করে ডাক্তার দেখাতে চান না। অথচ, সরকারি হাসপাতালে ভর্তি হতে গেলে ওপিডিতে ডাক্তার দেখাতেই হবে। ইভিনিং পে ক্লিনিক চালু হলে ফ্রি ওপিডির চাপ কিছুটা হলেও কমবে। ধীরেসুস্থে অনেকেই বিকেলে ডাক্তার দেখাতে পারবেন। এমনটাই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এই উদ্দেশেই ইভিনিং পে ক্লিনিকের ভাবনাচিন্তা শুরু করেছে স্বাস্থ্য দফতর। 

সম্প্রতি স্বাস্থ্য দফতরের একটি বৈঠকে এই ব্যাপারে চিকিৎসকদের মতও জানতে চান স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। জানা গিয়েছে, এই ইভিনিং পে ক্লিনিকে মোট যে আয় হবে তার ৬০ শতাংশ ডাক্তারবাবুকে, ২০ শতাংশ নার্সকে, ১০ শতাংশ গ্রুপ ডি কর্মীকে দেওয়া হবে। বাকি ১০ শতাংশ সরকারি কোষাগারে জমা পড়বে। অর্থাৎ ৫০০ টাকা ভিজিট হলে ৩০০ টাকা পাবেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক। ৫০ টাকা পাবে হাসপাতাল। মন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, রেভিনিউ শেয়ারিং মডেলে ইভিনিং ওপিডি চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে। নিয়মমাফিক এই জাতীয় নীতিগত প্রস্তাব রাজ্য মন্ত্রিসভায় পাশ করাতে হয়। এক্ষেত্রেও তাই হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

আসলে ডিউটি শেষ হওয়ার পরেই অধিকাংশ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নিজস্ব চেম্বার বা বেসরকারি নার্সিংহোমে প্রাইভেট প্র্যাক্টিসের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। এর ফলে দুটি বড় সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় সাধারণ মানুষকে। এক, দুপুরের পর সরকারি হাসপাতালে কোনো জটিল কেস এলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের অন-কল পেতে সমস্যা হয়। রোগীকে অন্য হাসপাতালে রেফার করে দেওয়া ছাড়া উপায় থাকে না। দুই, মধ্যবিত্ত বা নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারের রোগীরা সন্ধ্যার পর বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দেখাতে বাধ্য হয়ে বেসরকারি ক্লিনিক বা কর্পোরেট হাসপাতালে যান, যা অত্যন্ত ব্যয়বহুল।

উল্লেখ্য, রাজ্যের কিছু জেলা হাসপাতাল, মহকুমা, স্টেট জেনারেল এবং সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালগুলিতে সান্ধ্যকালীন বহির্বিভাগ বা ইভিনিং ওপিডি পরিষেবা চালু করা হয়েছে। এই ওপিডিগুলি বিকাল ৩টে থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত খোলা থাকে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.