Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৮ আগস্ট ২০২৬
Jadavpur Station

যাদবপুর স্টেশনে ৩ হাজার বর্গ মিটার শপিং হাব, ছোট ব্যবসায়ীদের জন্য খুলবে বড় আয়ের পথ

রেলের উদ্যোগে খুশি যাত্রীরা।

নব্যেন্দু হাজরা
নব্যেন্দু হাজরা

শেষ আপডেট: আগস্ট ৮, ২০২৬, ১৩:১৭

link
নব্যেন্দু হাজরা
নব্যেন্দু হাজরা

শেষ আপডেট: আগস্ট ৮, ২০২৬, ১৩:১৭

options
link
যাদবপুর স্টেশনে ৩ হাজার বর্গ মিটার শপিং হাব, ছোট ব্যবসায়ীদের জন্য খুলবে বড় আয়ের পথ zoom
যাদবপুর স্টেশন। ফাইল ছবি
Advertisement

যাদবপুর স্টেশনকে ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ পূর্ব রেলের। স্টেশনের পরিকাঠামোর উন্নয়ন করা হবে। এছাড়া যাত্রীদের সুবিধায় ‘মিনি মার্ট’ গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রায় ৩ হাজার বর্গ মিটার শপিং হাব তৈরি করা হবে। যাতে স্টল খোলার সুযোগ পাবেন ছোট ব্যবসায়ীরা। তার ফলে আয়ের পথ যে আরও প্রশস্ত হবে, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক শিবরাম মাঝি জানিয়েছেন, যাদবপুর স্টেশনে ৩ হাজার ৪৫ বর্গ মিটার এলাকায় আধুনিক শপিং হাব খোলা হবে। সেখানে একই ছাদের তলায় নানা ধরনের জিনিসপত্রের দোকান থাকবে। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র থেকে খাবারদাবার পাওয়া যাবে সব কিছুই। তবে প্রতিটি স্টল ৮০ বর্গ ফুটের বেশি হবে না। ২০-৩০ শতাংশ জায়গা যাত্রীদের যাতায়াত এবং সৌন্দর্যায়নের জন্য ছাড়া থাকবে। ৫-২০ শতাংশ জায়গায় যাত্রীদের বিশ্রামাগার এবং পার্কিংয়ের সুবন্দোবস্ত থাকবে। ১০ বছরের চুক্তিভিত্তিতে দেওয়া হবে এক একটি স্টল। এই দোকানগুলি সবই হবে ‘নন ফেয়ার রেভিনিউ’। অর্থাৎ রেল অ-ভাড়া রাজস্বে স্টলগুলি দেবে। কেবল ‘মিনি মার্ট’ই নয়। যাদবপুর স্টেশনকে আরও সুন্দর করে তুলতে নানা পরিষেবার বন্দোবস্ত করা থাকবে। নতুন টিকিট বুকিং কাউন্টার তৈরি হবে। এছাড়া লিফট-সহ ফুট ওভারব্রিজ তৈরি হবে। যার ফলে প্রবীণ নাগরিক এবং বিশেষ ক্ষমতাসম্পন্ন যাত্রীরা সুবিধা পাবেন। স্টেশনের দুই প্রান্তে যানজটে যাতায়াতের যাতে কোনও অসুবিধা না হয়, তাই উন্নত সার্কুলেটিং এলাকা তৈরি করা হবে।

Advertisement

বলে রাখা ভালো, দিনকয়েক আগে যাদবপুর স্টেশন থেকে অবৈধ জবরদখলকারীদের উচ্ছেদ করা হয়। তার ফলে বহু হকারের রুজিরুটি নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। তবে রেলের এই উদ্যোগে ওই হকাররা লাভবান হবেন বলেই মনে করা হচ্ছে। আবার যে যাত্রীরা অভিযোগ করছিলেন, হকার উচ্ছেদের ফলে যাতায়াতের পথে কেনাকাটিতে সমস্যা হচ্ছে। হকাররা পুনর্বাসনের সুযোগ পেলে ওই যাত্রীদের সমস্যা মিটবে বলেই মনে করা হচ্ছে। আবার জবরদখলকারীরা সরে গেলে স্বাভাবিকভাবে স্টেশনে যাতায়াতের ক্ষেত্রে যাত্রীদের কোনও সমস্যা হবে না। কিংবা সৌন্দর্যায়নও গতি পাবে। আবার ছোট ব্যবসায়ীদের আয়ের পথও যে প্রশস্ত হবে, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.