শুক্রবার দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে এনসিপিআই সাংসদদের প্রাতঃরাশ-বৈঠকে ছিলেন ‘বেসুরো’ তিন সংখ্যালঘু সাংসদ। মোদির সঙ্গে মিটিংয়ে দেখা গিয়েছিল আবু তাহের, খলিলুর রহমান ও ইউসুফ পাঠানদের। ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তাঁদের মধ্যেই দু’ সাংসদ – আবু তাহের ও খলিলুর পৌঁছে গেলেন নবান্নে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দেখা করেন তাঁরা। বেরিয়ে এসে সাংবাদিক সম্মেলনে আবু তাহের খান বলেন, পশ্চিমবঙ্গে এসআইআরে বাদ যাওয়া ২৭ লক্ষ মানুষের হয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানিয়েছি।”
এনসিপিআই সাংসদ আবু তাহের খানের বক্তব্য, “এসআইআরে এরাজ্যের ২৭ লক্ষ নাম বাদ গেছে। তাঁরা সমস্ত সরকারি সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তাঁদের মধ্যে ৭ লক্ষ মানুষ যাঁরা নতুন করে আবেদন করেছেন। তাঁদের মামলার সময় বাড়ানোর আর্জি জানাব। বাকি যে ২০ লক্ষ মানুষ বাকি আছেন, তাঁদেরও মধ্যে ৫ লক্ষই মুর্শিদাবাদের। সমস্ত বিষয়টি নিয়ে কোর্টের দ্বারস্থ হব। এসআইআরের জন্য মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে আইনি লড়াই করব। আবেদনের সুযোগ করে দেওয়া হোক।”
আরও পড়ুন:
গত কয়েকদিন ধরেই মুর্শিদাবাদের তিন সাংসদের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। এনডিএ শিবিরে যোগ দেওয়া নিয়ে তাঁদের দ্বিমতের কথা জানিয়ে মঙ্গলবার দিল্লিতে এনডিএ সাংসদদের বৈঠকেও গরহাজির ছিলেন তিন জনই। তবে তাঁরা কি মমতারপন্থীদের দলে নাম লেখাতে চলেছেন আবার? এরপরই সাংসদদের গতিবিধি নিয়ে জল্পনা বাড়তে থাকে।
তিন সাংসদের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে টানাপোড়েনের মাঝেই বৃহস্পতিবার অমিত শাহের দরবারে উপস্থিত হন তাঁরা। সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন শতাব্দী রায় এবং অসিত মালও। এরপরই শুক্রবার সমস্ত জল্পনায় জল ঢেলে সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এক ব্রেকফাস্ট টেবিলে দেখা যায় মুর্শিদাবাদের তিন সংখ্যালঘু আবু তাহের, খলিলুর রহমান এবং ইউসুফ পাঠানদের। তার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই এবার শনিবার মুখ্যমন্ত্রী সঙ্গে বৈঠকে যোগ দেন আবু-খলিলুর।
সর্বশেষ খবর
-
বাংলায় বিনিয়োগে আগ্রহী আম্বানি, আসতে পারে প্রতিনিধি দল, বড় ঘোষণা শুভেন্দুর
-
সিএপিএফ মোতায়েন নিয়ে প্রশ্ন ডেরেকের, আলোচনা হবে সংসদীয় কমিটির বৈঠকে
-
উত্তরপ্রদেশের ধাঁচে বাংলাতেও হোক প্রতিরক্ষা শিল্প করিডর, আর্জি শমীকের
-
সংঘের সঙ্গে সমন্বয় বৈঠক রাজ্য বিজেপির, লক্ষ্মীবারে দিল্লিতে এক টেবিলে শমীক-শুভেন্দু
-
একবারেই কর্মীদের ৭ বছরের বকেয়া ডিএ মেটাবে সরকার, বড় সিদ্ধান্ত রাজ্যের