Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
ধনকড়

উপাচার্যদের সঙ্গে বৈঠক নিয়ে ফের সংঘাত রাজ্য-রাজ্যপালের, ক্ষোভ উগরে দিলেন ধনকড়

টুইটে পালটা দিল উচ্চশিক্ষা দপ্তর।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৬, ২০২০, ১২:৪৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৬, ২০২০, ১২:৪৩

options
link
উপাচার্যদের সঙ্গে বৈঠক নিয়ে ফের সংঘাত রাজ্য-রাজ্যপালের, ক্ষোভ উগরে দিলেন ধনকড় zoom

দীপঙ্কর মণ্ডল: উপার্চাযদের সঙ্গে বৈঠকের সম্মতি না মেলায় ফের প্রকাশ্যে রাজ্য-রাজ্যপালের দ্বন্দ্ব। বৃহস্পতিবার বাংলার শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে ফের ক্ষোভ উগরে দিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড় (Jagdeep Dhankhar)। সাংবাদিক বৈঠক থেকে একরাশ উদ্বেগও প্রকাশ করেন তিনি। বলেন, “বাংলার শিক্ষার মান নেমে গিয়েছে। সবকিছুর পিছনে রাজনীতি রয়েছে। টাকা নিয়ে ভরতি করা হচ্ছে। এর ফলে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। রাজ্যের ছেলেমেয়েরা মাইগ্রেন্ট লেবার হয়ে বাইরে চলে যাচ্ছে কারণ এখানে কোনও কাজ নেই।”

রাজ্যের শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে একাধিকবার উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জগদীপ ধনকড়। সম্প্রতি স্নাতক ও স্নাতকোত্তরের পরীক্ষা নিয়ে যে সমস্যা দেখা দিয়েছিল তা মেটাতে ময়দানে নেমেছিলেন রাজ্যপাল। পরীক্ষা নিয়ে ১৫ জুলাই উপাচার্যদের সঙ্গে বৈঠকে বসার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ধনকড়। কোভিড পরিস্থিতিতে উপাচার্যদের আমন্ত্রণও জানিয়েছিলেন ভারচুয়াল বৈঠকে যোগ দেওয়ার। কিন্তু সেই বৈঠকে সম্মতি দেয়নি রাজ্য। ফলত গতকাল কোনও উপাচার্যই রাজ্যপালের আহ্বানে সাড়া দিয়ে বৈঠকে যোগ দেননি। এরপরই রাজ্যের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন রাজ্যপাল। বৃহস্পতিবার সকালে প্রথমে টুইটে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। পরে রাজভবনে সাংবাদিক বৈঠক থেকে প্রশ্ন তোলেন, কেন সম্মতি দিল না রাজ্য। সবকিছুর পিছনে গভীর পরিকল্পনা রয়েছে। এতে পড়ুয়াদের ক্ষতি হচ্ছে এমনটাও বলেন তিনি। 

Advertisement

[আরও পড়ুন: কোভিড সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে নজির কলকাতার বসতির, ‘মডেল’ করার দাবিতে WHO-কে চিঠি শান্তনু সেনের]

বৈঠক নিয়ে রাজ্যপালের ক্ষোভপ্রকাশের মুহূর্তেই তাঁর অভিযোগের উত্তর দেয় উচ্চ শিক্ষা দপ্তর। তাঁদের তরফে টুইটে বলা হয় যে, রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয় আইন অনুযায়ী রাজ্যপাল কোনওভাবেই সরাসরি উপাচার্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন না। তাঁদের বৈঠকে আহ্বানও জানাতে পারেন না। সর্বদা তাঁকে উচ্চ শিক্ষা দপ্তেরের মারফতই যোগাযোগ করতে হবে। রাজ্যপাল সেই বিধি মানেনি বলেই রাজ্য বৈঠকে সম্মতি দেয়নি, এমনটাই জানিয়েছে উচ্চ শিক্ষা দপ্তর। রাজ্যপালের অভিযোগ-পালটা তোপ রাজ্যের, দুইয়ে মিলে উত্তপ্ত রাজনীতি।

 

[আরও পড়ুন: আর ৩০ নয়, এবার ট্যাক্সিতে উঠলেই দিতে হবে পঞ্চাশ টাকা ভাড়া, জানুন কবে থেকে কার্যকর]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.