সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: স্নাতকোত্তর স্তরের ছাত্রীরাও এবার কন্যাশ্রী প্রকল্পের আওতায় আসছেন। কন্যাশ্রী দিবসে এই প্রকল্পের পরিধি বাড়ানোর কথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর স্বপ্নের প্রকল্পের মাধ্যমে এবার উপকৃত হতে চলেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েক হাজার ছাত্রী। কলা বিভাগে ৪৫ শতাংশ নম্বর পেলে ছাত্রীরা মাসে ২০০০ টাকা করে পাবেন। বিজ্ঞান বিভাগের পড়ুয়ারা ওই নম্বর অর্জন করলে তাদের জন্য মাসে বরাদ্দ ২৫০০ টাকা। কন্যাশ্রী দিবসের অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী জানান মেয়েরা শুধু কন্যাশ্রী নয়, ওরা ভাগ্যশ্রী। নতুন প্রজন্মকে মেধার প্রতিযোগিতার জন্য তৈরি হওয়ার বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী।
[আস্থা ভোটে জয় নীতীশের, ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তেজস্বীর]
গত মাসে মিলেছে রাষ্ট্রসংঘের স্বীকৃতি। কন্যাশ্রীর গ্রহণযোগ্যতা এখন বিশ্বজুড়ে। ৬২টি দেশের ৫৫২টি প্রকল্পের মধ্যে সেরা বাংলার কন্যাশ্রী। আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে তা আসতে চলেছে স্কুলপাঠ্যে। ২০১৩ সালে এই প্রকল্প শুরু হওয়ার পর শুক্রবার ছিল কন্যাশ্রী দিবস। মুখ্যমন্ত্রী নতুন কী ঘোষণা করে তা নিয়ে কৌতুহল বাড়ছিল রাজ্যের ছাত্রীদের মনে। কারণ, কন্যাশ্রী দিবসে প্রতি বছর প্রিয় ছাত্রীদের জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নতুন কিছু উপহার দেন। গত মাসের শেষে বর্ধমানে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। এদিন কন্যাশ্রী দিবসে মুখ্যমন্ত্রী জানালেন কন্যাশ্রীর আওতায় আসতে চলেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পডু়য়ারা। স্নাতকোত্তর স্তরের ছাত্রীরা সুযোগ পাবেন। কলা বিভাগে ৪৫ শতাংশে পেলে মাসে ২০০০ টাকা করে দেওয়া হবে। আর বিজ্ঞানে বিভাগে একই পরিমান নম্বর পেলে প্রতি মাসে মিলবে ২৫০০ টাকা। পাশাপাশি ১০ জন মেধাবী ছাত্রীর পড়াশোনার দায়িত্ব নেওয়া হবে বলে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন। এর জন্য যা খরচ হবে তা দেবেন অনাবাসী ভারতীয়রা। অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী জানান, তিনি চান আর্থিক নয় মেধা, সংস্কৃতির প্রতিযোগিতা হোক। এরজন্য ছাত্রীদের থেকে মানবিকতা প্রত্যাশা করেন মুখ্যমন্ত্রী।
[ছাত্রীদের আবেদনে সাড়া মুখ্যমন্ত্রীর, এবার থেকে বিশ্ববিদ্যালয়েও ‘কন্যাশ্রী’]
২০১৩ সাল থেকে কন্যাশ্রী প্রকল্প শুরু হয়। মূলত স্কুল স্তরে নবম শ্রেণি থেকে ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত ছাত্রীরা এই প্রকল্পের আওতায় রয়েছে। সরকারিভাবে যাকে ‘কে-২’ বলা হয়। বিশ্ববিদ্যালয় স্তরে কন্যাশ্রী প্রকল্পকে সরকারি ভাষায় বলা হবে ‘কে-৩’৷ প্রায় ৩১ লক্ষ ছাত্রীর মাথায় এখন কন্যাশ্রীর ভরসার ছাতা। প্রসঙ্গত, এদিন পুরুলিয়ার তৃণমূল সাংসদ মৃগাঙ্ক মাহাতো লোকসভার প্রশ্নোত্তর পর্বে কন্যাশ্রীর সাফল্যের কথা তুলে ধরেন। কন্যাশ্রীর সৌজন্যে স্কুলছুটের পরিমান অনেকটাই কমেছে। কমেছে বাল্যবিবাহ। এবার উচ্চস্তরের ছাত্রীরা কন্যাশ্রী প্রকল্পের আওতায় এলে, রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থার বৈষম্যের ছবি অনেকটা পালটাবে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।
সর্বশেষ খবর
-
সামুরাই সূর্যাস্ত, শিষ্য জাপানকে হারিয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় গুরু ব্রাজিল
-
‘তৃণমূলের ঘুরে দাঁড়ানোর শক্তি নেই’, বঙ্গে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ডাক কংগ্রেস নেতা বেনুগোপালের
-
এবছরই দেশে ফেরার ঘোষণা হাসিনার, কী বলল ঢাকা?
-
‘বিয়ে করতে জেলে যাচ্ছি’, টোপর পরিয়ে ‘জামাই আদর’, তৃণমূল কাউন্সিলরকে ঘিরে জনরোষ!
-
বাড়বে স্ক্রিনের সংখ্যা! ভারতীয় সিনে ইন্ডাস্ট্রির উন্নতিতে একগুচ্ছ ঘোষণা কেন্দ্রের